ছোট্ট অরুন দত্তের ঘুম ভেংগে যেতেই সে ধরমড়িয়ে উঠে বসলো,তার চোখে মুখে খুশী খুশী রোদ ঝল মল করছে,আজ সে বেজায় খুশী,একটু পরই যাবে মধু ভাস্করের দোকানে,সেখানে বিশাল দূর্গা মুর্তি বানানো হচ্ছে,বিশু বলেছিল দেখেছিস অরুন কি বিশাল,আকাশের মত, অরুন কিছু বলে নি,শুধু চুপচাপ মুর্তির আয়ববের দিকে তাকিয়ে ছিলো,আজ প্রথমে সে বিশুর বাড়ি যাবে তারপর মধু ভাস্করের দোকান।
অরুন স্রষ্টা বোঝে।না,ধর্ম বোঝে না,স্বর্গ নরক পাপ পূন্য বোঝে না,সে বোঝে প্রতিবছর দূর্গাপুজা হয়,নতুন জামা কাপড়ে কয়েকদিন খুব মজা হয়, গান বাজে, মেলা বসে, সবাই বেড়াতে আসে,ছোট্ট অরুন এগিয়ে যাচ্ছে,ওই দেখা যায় মধু ভাস্করের দোকান।ভীড় দেখা যায়।
৯ বছরের ছোট্ট অরুন ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে,দূর্গার হাত নেই,একপাশ ভাংগা,বিশাল মুর্তিটা কে যেন ভেংগে ফেলেছে,যেন মুর্তি ভাংগে নি ভেংগে গেছে অরুনের সকল অস্তিত্ব,তার পুরো অস্তিত্বে কে বা কারা যেন প্রচন্ড নাড়া দিয়ে গেছে,অরুনের চোখে পানি চলে এলো,সে রাস্তা ধরে হাটছে,রোডের ধারে যেখানটায় এক ছোট্ট নদীর তীর সেখানে একরাশ কাশফুল দুলছে,স্বচ্ছ পানিতে পড়ে নীল আকাশের সাবলীল প্রতিচ্ছবি,অরুনের মনে প্রশ্ন জাগে,মানুষের মন কেন আকাশের মত বিশাল নয়,নীল আকাশ নীরব থাকে,বাতাসে বাতাসে দোলে কাশফুলের সমস্ত অভিযোগ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




