somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা পুরানা গুজব নতুন কইরা শুনলাম...শুইনা মজা পাইছি!!

১৪ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নতুন কইরা একটা পুরান গল্প শুনলাম মনে হয়। গল্পটা যদি আসলেই গল্প হয় তা'ও আমি মুগ্ধ রীতিমতো!

10 জানুয়ারী, 2007,
একটা প্রাইভেট কারে কয়েকজন মধ্যবয়স্ক লোক ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ঢুকতে যাইতেছিলো, মধ্যবয়স্ক মানে আরোহীগো সবাইর বয়স নাকি ছিলো 35 থেইকা 40এর ধারে কাছে। এমপি চেকপোস্টে যথারীতি তাগো চেক করনের লেইগা আটকানো হইলো, তারপর হালকা চেক...খুব বেশি কিছু পাওয়া গেলো না, এক বা দুই বোতল বিদেশী মদ আর লাইসেনস করা অস্ত্র নিয়াই ঘুরতাছিলো লোকগুলি। নিয়মমাফিক এই সব জিনিষ নিয়া কোন সিভিলিয়ান ক্যান্টনমেন্টে বিনা অনুমতিতে ঢুকতে পারে না। কিন্তু তারা রাষ্ট্রীয় ভিআইপি'র অতিথী এই পরিচয় দেওনের পর, এমপি সাহেব তাগো ছাইড়াই দিছিলো প্রায়...কিন্তু না, ভাগ্যের পরিহাস! সেইখানে একজন সিনিয়র আর্মি অফিসার দাঁড়ানো ছিলেন...সে দিলো আটকাইয়া। তার কথা এই অবস্থায় ক্যান্টনমেন্টে ঢুকনের চেষ্টা একটা অপরাধ সিভিলিয়ানগো লেইগা!

লোকগুলি ফোন দিলো যুবরাজ সাহেবরে। তিনি বড় মানুষ ডিরেক্ট ফোন আর্মি চীফরে...চাচা আমার বাড়িতে আসনে একটু...মঈন সাহেব নাকি নরম সরম মানুষ একটু ঘাবরাইলেনই! কি করবেন বুইঝা পাইতেছিলেন না...বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিবের আহবানে তার বাড়িতে যাওনটা ঠিক প্রটোকলের ধারায় পরে না...কি করা যাবে। সেই সময়ে নাকি মেজর জেনারেল মাসুদ সাহেবের সিন'এ প্রবেশ। সে আইসা মঈন সাহেবরে কইলো, 'আপনে ক্যান যাইবেন একজন সিভিলিয়ানের ডাকে?' মঈন সাহেবের ফোনটা লইয়া সে গ্যাট মাইরা বসলো...আবার তারেকের ফোন, এইবার মাসুদ সাহেব ধরলেন লগে লগে...মঈন সাহেবরে দেওন যাইবো না যা বলার বলেন টাইপ কথা কাটাকাটি চললো খানিক্ষণ। তারেক তারে দেইখা নিবো এই থ্রেট কইরা ফোন রাখলো...আর লগে লগে ফোন মোখলেছ সাহেবরে...তিনি তৎকালীন প্রেস সেক্রেটারী রাষ্ট্রপতির মন্ত্রণালয়ের...তারে আদেশ দিলেন যুবরাজ...মে. জে. মাসুদের বাধ্যতামূলক ছুটির নির্দেশের ড্রাফট লিখনের। মোখলেছ সব গুছাইয়া লিখতে লাগলেন...সব শেষ কইরা মিলিটারীগো কিছু টেকনিক্যাল জিনিষ জাস্টিফিকেশনের লেইগা গার্ডরেজিমেন্ট চীফরে দেখাইবার লেইগা ডাকলেন তিনি। আর করলেন বোকামীটা!

ঐ সেনা সদস্য মাসুদ সাহেবরে দিলো ফোন। স্যার আপনে তো এখন ছুটিতে! এই খবরের পর মাসুদ সাহেব তার ভায়রার ভাইগ্নার উপর মহা বিলা হইলেন! তিনি দলবল নিয়া রওয়ানা দিলেন বঙ্গভবন অভিমুখে...মোখলেছ সাহেবের সাক্ষাৎ প্রার্থনা করলেন...তারপরেই সেই বিখ্যাত চড় খাওনের ঘটনাটা নাকি ঘটছিলো। ছুটির ঘোষণাপত্র ছিড়নের পর নতুন ড্রাফট লিখা হইলো, 11 তারিখ রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন সাহেব জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন...জাতিরে নতুন দিগন্ত দেখাইলেন...

মাসুদ সাহেব জিওসি 9'এর চীফ থাকনের লেইগা তার লগে এমনেই প্রতিবেশী হিসাবে সকল পশ্চিমা কুটনীতিকগো লগে খাতির ছিলো আগের থেইকাই...আমার জলপাই বন্ধুরাই এই কথা কয়।
আর আরেকটা কথা শুনলাম...উনি নাকি কর্ণেল তাহেরের সেই সিপাহী বিপ্লবের টাইমে আন্দোলনের পক্ষের লোক ছিলেন...দাদার লগে নাকি সেই সময় থেইকাই পরিচয় ছিলো উনার...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৭৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আমার মন খারাপ, ফুল দিয়ো=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮



অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।

অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।

কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×