খালেদা বা হাসিনা নাম শুনলেই মনটা ঘিনঘিনিয়ে ওঠে। তারা এখন রাজনীতিই করে নিজের জন্যে। তবে মন্দের ভাল হাসিনা। কিন্তু তিনি বেশি কাটা বিদ্ধ তার আশপাশের মানুষদের জন্যে । স্বরাস্ট্রমন্ত্রী হেমায়েতপুরীর রুগী। আর বাঘা বাঘা চোর। কিচ্ছু করার নেই।
অন্যদিকে থাকল আমাদের চাচা। উনি আবার চির যুবক। তার দৃষ্টি এখনও হরিন শিকারী বাঘের মত জ্বল জ্বল করে। তবে শুধু রসবতীদের দেখলে। তবে ওনার চিন্তা বা দূরদর্শিতা কিন্তু খারাপ না। অন্তত ঐ দুই জনের চেয়ে ভাল।
ছাত্ররা বা যুব .. দল/লীগ, এরা নিজেরা অপরাধ করে। আর সেটি ঢাকার জন্যে বা নিজের স্বার্থোদ্ধারের জন্যে রাজনীতির আশ্রয় নেয়। যদি এই দুই নেত্রীর কেউ একজন আবার নির্বাচনে জয়ী হয়, তবে এই কোন্দল দিনের পর দিন বছরের পর বছর চলতেই থাকবে। উপাই নেই যদি এদের দু'জনকে এক সঙ্গে পরাজিত না করা যায়। আইনের শাষন কখনই প্রতিষ্ঠিত হবে না।
এখন চাচা সাহেব কে যে ভোট দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে তাও না। এখন আমাদের রাজনীতিতে নতুন মুখও নেই। আবার সংখ্যাগরিষ্ট ভোটাররা রাজনীতিকভাবে বা নৈতিকভাবে অপরাধী। তাই চাচার পক্ষে নির্বাচন জেতাও সম্ভব না।
তবে আমি মনে প্রাণেও চাই না, কোন ধর্মভিত্তিক দল আসুক। তারা সময়কে পেছনে টেনে ধরতে চায়। আবার নিজেরা যা মানে না, অন্যেকে তা মানাতে চায়। আমার কাছে তারা সুবিধাবাদী, ধর্মব্যবসায়ী।
যাই হোক, সে দিকে গিয়ে অন্যদিকে আসি। যদি ইউনুস সাহেব কোন ক্রমে রাজনীতিতে আসে, অন্তত আমার ভোটটা তিনি পাবেন। যদিও ৯৫% সম্ভাবনা রয়েছে আমেরিকান আগ্রসন প্রতিষ্ঠিত হবার। তারপরেও এখন যে অবস্থা, তাতে বাংলাদেশ সরকারকে পেছন থেকে ওবামা ঠেলা দিচ্ছে সবার আড়ালে। সেটা যদি প্রকাশ্য হয় তবে একটু বেশি খারাপ লাগবে। কিন্তু এক দিক দিয়ে সুবিধা হবে হয়ত। ইউনুসের নাম যশের খাতিরে অনেক বিদেশি কম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখাবে। আর্ন্তজাতিক সুবিধা সহজপ্রাপ্তি হবে। না চাইলেও দেশ এগিয়ে যাবে। অন্তত রাজনীতিক শক্তির পরাশ্রয়ী যুবক সমাজ অপরাধ করার আগে দুবার ভাববে।
কিন্তু সবকিছু ছকে বাধা হয় না। চিন্তা আর বাস্তবতা সমান্তরাল পথে বাংলাদেশে চলে না।
কেউ কি আমার মত করে ভাবছেন?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


