somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আপনারা আমার ঘৃণা পাবেননা"

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুক্রবার সন্ধায় আপনারা একজন অসাধারন মানুষ, আমার জীবনের ভালোবাসা, আমার ছেলের মায়ের জীবন কেড়ে নিয়েছেন, কিন্তু আপনারা আমার ঘৃণা পাবেননা। আমি জানিনা আপনারা কারা, আমি জানতেও চাইনা, আপনারাতো মৃত আত্না। যদি সৃষ্টিকর্তা যার নামে আপনারা অন্ধভাবে হত্যাযজ্ঞ করেন, তার আপন ছবিতে আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আমার স্ত্রীর গায়ে বিদ্ধ প্রতিটি বুলেট তাঁর অন্তরে একটি করে ক্ষত তৈরি করার কথা।

সুতরাং না, আমি আপনাদেরকে আমার ঘৃণা উপহার দেবনা। আপনারা আসলে সেটাই চাইছিলেন কিন্তু ঘৃণার প্রতিউত্তর যদি ক্রোধ হয় তাহলে তা হবে একই অজ্ঞতার কাছে হার মানা যা আপনি আজকে যাতে রুপান্তরিত হয়েছেন তার জন্য দায়ী। আপনারা চান আমি ভয় পাই, আপনারা চান আমি আমার স্বদেশিদেরকে সন্দেহের চোখে দেখি, আপনারা চান আমি আমার নিরাপত্তার জন্য আমার স্বাধীনতা উতসর্গ করি। আপনারা পরাজিত। একই বাদক এখনো বাজায়।

আমি তাকে আজকে সকালে দেখেছি। অবশেষে, অনেকগুলো দিন ও রাত্র প্রতীক্ষার পর। সে শুক্রবার সন্ধার যাওয়ার আগে যত সুন্দরী ছিল ঠিক সেরকম সুন্দরীই আছে, ১২ বছর আগে যার ভালোবাসায় অন্ধভাবে পড়েছিলাম ঠিক সেরকম সুন্দরীই আছে। এটা সত্য আমি বিষাদে বিদ্ধস্ত, আমি আপনাদের এই ছোট্ট বিজয় মেনে নিচ্ছি, কিন্তু এটা স্বল্প সময়ের বিজয়। আমি জানি সে আমাদের প্রতিদিন সঙ্গ দেবে এবং আমরা আমাদের পুনরায় খুঁজে পাবে সেই স্বাধীন আত্নাদের বেহেশতে যাখানে আপনারা কখনো ঢুকতে পারবেননা।

আমরা দুই জন, আমি আর আমার ছেলে, কিন্তু আমরা পৃথিবীর সকল সেনাবাহিনীর চেয়েও শক্তিশালী। তাছাড়া আপনাদের পেছনে ব্যায় করার মত সময় আমার নেই, আমাকে মেলভি'র কাছে যেতে হবে সে দুপুরের নিদ্রা থেকে উঠেছে। তার বয়স মাত্র ১৭ মাস, সকল দিনের মত সে তার নাস্তা সারবে, পরে আমরা প্রতিদিনের মত খেলতে যাব এবং সারাজীবন এই ছোট্ট ছেলেটা আপনাদেরকে স্বাধীন ও সুখী হওয়ার বেদনা দান করবে। কারন না, আপনারা তার ঘৃণাও পাবেননা।

Antoine Leiris (ইনি গত ১৩ নভেম্বার শুক্রবার রাতে প্রিয়তমা স্ত্রীকে হারিয়েছেন সন্ত্রাসীদের বুলেটের আঘাতে, সন্ত্রাসীদের উদ্দ্যেশ্যে ছোট্ট ফেইসবুক বার্তা

“Vous n’aurez pas ma haine”

Vendredi soir vous avez volé la vie d’un être d’exception, l’amour de ma vie, la mère de mon fils mais vous n’aurez pas ma haine. Je ne sais pas qui vous êtes et je ne veux pas le savoir, vous êtes des âmes mortes. Si ce Dieu pour lequel vous tuez aveuglément nous a fait à son image, chaque balle dans le corps de ma femme aura été une blessure dans son coeur.

Alors non je ne vous ferai pas ce cadeau de vous haïr. Vous l’avez bien cherché pourtant mais répondre à la haine par la colère ce serait céder à la même ignorance qui a fait de vous ce que vous êtes. Vous voulez que j’ai peur, que je regarde mes concitoyens avec un oeil méfiant, que je sacrifie ma liberté pour la sécurité. Perdu. Même joueur joue encore.

Je l’ai vue ce matin. Enfin, après des nuits et des jours d’attente. Elle était aussi belle que lorsqu’elle est partie ce vendredi soir, aussi belle que lorsque j’en suis tombé éperdument amoureux il y a plus de 12 ans. Bien sûr je suis dévasté par le chagrin, je vous concède cette petite victoire, mais elle sera de courte durée. Je sais qu’elle nous accompagnera chaque jour et que nous nous retrouverons dans ce paradis des âmes libres auquel vous n’aurez jamais accès.

Nous sommes deux, mon fils et moi, mais nous sommes plus fort que toutes les armées du monde. Je n’ai d’ailleurs pas plus de temps à vous consacrer, je dois rejoindre Melvil qui se réveille de sa sieste. Il a 17 mois à peine, il va manger son goûter comme tous les jours, puis nous allons jouer comme tous les jours et toute sa vie ce petit garçon vous fera l’affront d’être heureux et libre. Car non, vous n’aurez pas sa haine non plus.
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×