somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেন ইসলামী রাষ্ট্র আইন দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম আইন - পর্ব- ১

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ১২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

মহান আল্লাহ পাকের নামে শুরু করছি যিনি পরম করুণাময় ও পরম দয়ালু।

১ম অংশ- সমাজে নারীদের মর্যাদা রক্ষা







আমাদের অনেকেই আশা করি নিশ্চই এ বিষয় একমত হব যে বর্তমান বিশ্বে জীবন পরিচালনা করতে গিয়ে আমাদের শ্রদ্ধেয় মা জাতি অর্থাৎ নারীরা বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখিন হন। এরকম কিছু সমস্যা ও তার প্রতিকার ইসলাম কিভাবে দিয়েছে এবং আমাদের তথাকথিত আইনে এর প্রতিকার নিয়ে আজ প্রথম পর্ব


১। যৌতূক সমস্যাঃ

এই সমস্যার আজ পর্যন্ত না আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত না পাকিস্তান না আমরা কোন সমাধানে আসতে পেরেছি। আজও আমাদের দেশে হোক তিনি একজন স্বল্পবিত্ত অথবা মধ্যবিত্ত মানুষ, মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে তাকে বিপাকে ও অর্থ সঙ্কটে পড়তে হয়ই। এ যেন এক প্রকার নিয়মে পরিণত হয়ে পড়েছে।

অনেকেই বলতে পারেন যে শিক্ষার অগ্রগতির ফলে বাংলাদেশ এই সমস্যা কাটিয়ে উঠছে/উঠেছে। তাদের জন্য বলছি খুব সম্ভবত আপানাদের বিচরণ সমাজের অল্প কিছু মানুষদের মধ্যেই সিমাবদ্ধ। তাই আপনারা বোদহয় জানেন না যে গ্রাম ও মফস্বল অঞ্চলে এবং এমনকি আমাদের শহরের অনেক বিয়েতেও যৌতূক নেওয়ার প্রথা খুব জোরে সোরে চালু রয়েছে। আপনারা যারা পুরানো ঢাকায় বসবাস করেন তারা বোদহয় এরকম ঘটনা প্রায়ই দেখে থাকেন। সভ্যতার বেশ ধরে ও সামাজিকতাকে হাতিয়ার বানিয়ে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে এই কুনীতি। আমাদের দেশের প্রচলিত আইনে যৌতূক এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন থাকা সত্তেও তার প্রয়োগ প্রায় হয় না বললেই চলে।

অথছ দেখুন ইসলাম আমাদের বলছে বরং উলটোটা। মুসলিম বিয়ের সময় যৌতুক নেওয়া তো দূরের কথা বরং বিয়ের সময় বরের কনেকে উলটো মোহরের টাকা উপহার হিসেবে প্রদান করতে হয়। পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক বলেনঃ

" নারীদের তাদের মোহরানার অংক একান্ত খুশি মনে তাদের (মালিকানায়) দিয়ে দাও অতঃপর তারা যদি নিজেদের মনের খুশিতে এর কিছু অংশ তোমাদের (ছেড়ে) দেয়, তাহলে তোমরা তা খুশি মনে ভোগ কর। "
-- সুরা আন-নিসা, আয়াত- ৪

আমাদের দেশে ইসলামী আঈন প্রতিষ্ঠিত নেই বলে যৌতূক প্রথা এখনো বিদ্যমান। ইসলামী শাষণ ব্যবস্থার অভাবে মোহর পরিপূর্ণ ভাবে দেওয়াটাকেও আমাদের অনেক মুসলমান ভাইয়েরাই তেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে করেন না।

ইসলামী আইনে যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া সম্পূর্ণ হারাম এবং একটি কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ কারণ এখানে আমাদের সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা; যিনি আমাদের সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন; সেই মহান আল্লাহ পাকের দেওয়া বিধান উলঙ্ঘনের সাথে সাথে তার ঠিক সম্পূর্ণ উলটো কাজটি করা হচ্ছে। এ এমন এক পাপ যার শুরু হয় আল্লাহ পাকের দেওয়া আঈনের বিরুদ্ধাচরণে ও শেষ হয় মেয়েদের বিয়ের সময়কার ও বিয়ের পরের বিড়ম্বনা ও লাঞ্ছনা দিয়ে যা অনেক সময় তাদের আত্মহত্যা করতেও বাধ্য করে।

ইসলামী আঈন মানা হলে যে শুধু মুসলমানরাই উপক্রিত হবেন তা নয়, এমনকি আমাদের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বি বোনেরাও এই আইন দ্বারা উপকৃত হবেন। এতে করে আমাদের সমাজে হিন্দু বিয়েতেও যৌতূক প্রথা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব।

আমাদের সবার উচিত ইসলামের দিকে ফিরে আশা। আমাদের উচিত মহান আল্লাহ্‌পাকের আদেশগুলোকে মেনে চলা। এতে কল্যাণ রয়েছে আমাদের, সমগ্র মানবজাতির।

ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের মধ্যে সাদৃশ্য জানতে ভিজিট করুন এই লিঙ্ক এঃ http://goo.gl/BZnUj


অারো অন্যান্য ইসলামি ভিডিও, অডিও, বই এবং এন্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশান- এর জন্য ভিজিট করুন এই লিঙ্ক-এঃ goo.gl/iABxY

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×