আমেরিকা জানাচ্ছে অভিজিতকে আল কায়দা মেরেছে! তার মানে তারা দাবি করছে বাংলাদেশে আল কায়দা আছে।
অন্যদিকে আনসারুল্লাহ বাংলাদেশ নামক জংগী গোষ্ঠি দাবি করেছে যে তারা অভিজিতকে মেরেছে।
ওয়াশিক বাবুকে ও হত্যার দায় নাকি আনসারুল্লাহ দাবি করেছে।
এখন নতুন অনন্ত বিজয় হত্যাকাণ্ড সাধিত হয়েছে, সেখানেও নাকি আনসারুল্লাহ হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
আমার মনে প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশের আইন শৃংখলা বাহিনীর থেকে কি এই কথিত আনসারুল্লাহরা শক্তিশালী?
তারা একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে, আর তাদের ঠিকিটির নাগাল সরকার পাচ্ছেনা?
না। এই গুলো সাজানো কোন নাটকের ট্রেলার পর্ব? ওয়ার্মাপ?
মুল নাটকের ভিত্তিমূল তৈরি করতে এই গুলো কথিত আনসারুল্লাহ নাম দিয়ে রটানো হচ্ছে?
মুলত এই সব ঘটনার শিকার হচ্ছে ইসলাম। এই সব ঘটনা দিয়ে ইসলামের ক্ষতি করা হচ্ছে। তরুণ সমাজকে ইসলামের প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে কিছু অর্বাচিন মুসলিম তরুণের মনে ঘৃতাগ্নি ঢালতে ফেসবুক জুড়ে এন্টি ইসলামিস্ট চক্র জগন্য ভাবে ইসলাম ধর্ম রাসুল সা: গালাগালি করে যাচ্ছে, যাতে করে এই সব অর্বাচিন তরুণগণ ফেসবুকে এই সব হত্যার পক্ষ নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়, যা প্রমাণ স্বরূপ আমেরিকা ইউরোপের এন্টি ইসলামিস্ট তোলে ধরতে পারে, দেখ সরকারের উদাসীনতায় বাংলাদেশ আজ মৌলবাদী জংগীদের আখড়া আর মুক্তমনাদের জন্য বধ্যভূমি পরিণত হয়ে পড়েছে!
মানবতার স্বার্থে মুক্তমনাদের রক্ষার স্বার্থে এখন বাংলাদেশে চিরুনী অভিযান চালাতে বাধ্য করতে পাকিস্তান সরকারের মত বাংলাদেশ সরকারকেও বাধ্য করতে হবে।
এর ফলে বাংলাদেশকে আবার হানাহানির দিকে ঠেলে দেয়া হবে!
জাতি সংঘ এবং আমাদের সংসদের অনুমতি ক্রমে জাতি সংঘ বাহিনীর ব্যানার লাগিয়ে ভিন দেশী বাহিনী আমাদের দেশে জংগী নির্মুলে নিয়োজিত হবে।
আমাদের ৪৫ বছরের অর্জন ধ্বংস হবে ২০৩০ মধ্যম ধনির দেশে পরিণত হবার স্বপন স্বপন থেকে যাবে!


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


