এতে কোন মুক্তি ছিল না
তেতাল্লিশ বছর ধরে লুকিয়ে থাকা যন্ত্রণা আজও কাতর ।
‘খোকা যাসনে ঘরের বাহিরে- এতো যুদ্ধ যুদ্ধ করে কী হবে ?
তোর রক্তের দাম এই মাটি দিলেও ওরা দিবে না, পেরিয়ে যাবে বছরের পর বছর’।
কিন্তু না, ঐ মা এতো দূরদর্শী ছিল না, ছিল না কোন বিজ্ঞানী;
ছিল শুধু একটি নিষ্পাপ মনের অধিকারীণী-
যেখানে গোপনে খেলা করতো একটি স্বাধীন বাংলা,
যেখানে নাড়ি ছেঁড়া ধনের বিসর্জন ছিল একটি সূর্যের বিনিময় ।
গণতন্ত্রের দুর্জ্ঞেয় ব্যবচ্ছেদ আজ বড্ড কাঁদায়
গণতন্ত্র কী স্বাধীনের পরিপূরক ?
তবে কেন সেই মা আঁচলে ধারণ করে দীর্ঘশ্বাসের উষ্ণতা
যার গর্ভ ধারণ করেছিল অবিসংবাদিত নেতা ?
তবে কেন শত বাবা লাঞ্চিত হয়, শত ভাই গুম হয় ?
তবে কেন শত বোন সম্ভ্রমহানির দায়ে পুরুষদের ধিক্কার দেয়
যে জাতি একসময় তা রক্ষার্তে দিয়েছিল রক্ত ঢেলে ?
আজও সেই অধরা স্বাধীনতা অজানা শঙ্কায় ডুকরে কেঁদে ওঠে
অমীমাংসিত গণতন্ত্রের দাবাগ্নিতে-
সেই নিঃশ্বাস পোড়া গন্ধ হয়ে বের হয়- নির্লিপ্ত আকাশের পানে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


