মিছেমিছি কিছু রাত্রির জন্য দিনগুলো হলো মৃত,
সেই শেষ চাঁদের পর আর দেখা মেলেনি- এই একাংশে ।
তারা আসে নিজের মত-
আলো ফুটিয়ে চলে যায় আপনালয়ে ।
তবে কেন তুমি বল-
সকল আঁধারেরই মৃত্যু আলোতে !
ইচ্ছের মৃত্যুগুলো নেচে গেয়ে সাজায় তাদের বসত,
আমি সেখানে গৃহ সাজে দাঁড়িয়ে হই কটাক্ষ-
তারা বলে আমিই এর উপযুক্ত ।
এই আমার নেই কোন দরজা, নেই কোন বাতায়ন ।
ওরা বলে এ গৃহের আমরাই সকল আসবাব কিংবা শোভা,
তুমি শুধুই দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা, এর চেয়ে আর বেশি কিছু চেওনা;
তবে হয়ে যাবে সংকোচিত, তুমি কী তা চাও !
তাদের জীবিকা শুধুই আঁধার, ওরা নিজেদের বলে-
আমরা আঁধার খেয়েই বাঁচি, সুতরাং আঁধারই হাসিল করো ।
আলোকে করো না স্মরণ তাহলে যে হয়ে যাবে সর্বনাশ,
আমরা হবো জ্বলে পুড়ে ছাই, হারাবো নিশুতি ।
আমি শুধু কান পেতে শুনি, এটুকুই আমার সাধ্যি ।
তাই গৃহ আমি অপহৃত হয়েছি আঁধার গোপনে,
তবে তুমিই বলো সূক্ষ্ম চালে কী আমি নিরপরাধ ?
নিরপরাধ নয় তো আমি- নিঃষ্পাপ ধারণ করেছি বলে !
সকল শূণ্যতার প্রথম কদমে আমি ছিলাম দু;সাহসী,
আমাকে মানায়নি তা, সবাইকে মানায় না তো !
তাই তো বেঁচে আছি অজানায় নিজস্ব নিশাচর হয়ে ।
এও তো বেঁচে থাকা-
শূণ্যহীন গৃহ, যেখানে বাস করে অজস্র নিশীথশ্রমী ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



