somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গুজব বনাম সত্য আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ যখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, তখন একটি বিষয় ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, নির্বাচনী মাঠের বাইরেও একটি সমান্তরাল যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধ কোনো ভৌগোলিক সীমানায় বা ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি চলছে আমাদের হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোন, ফেসবুক টাইমলাইন, ইউটিউব ভিডিও এবং হোয়াটসঅ্যাপের গোপন গ্রুপগুলোতে। এই যুদ্ধের অস্ত্র কোনো বারুদ নয়, বরং এর অস্ত্র হলো গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা। নির্বাচন এলেই বাংলাদেশে গুজবের তৎপরতা বাড়ে, এটি নতুন কিছু নয়। তবে এবারের বাস্তবতা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি উদ্বেগজনক। কখনো বলা হচ্ছে নির্বাচন প্রক্রিয়াই অনিশ্চিত, কখনো আগাম ফলাফল নির্ধারণের কাল্পনিক গালগল্প প্রচার করা হচ্ছে, আবার কখনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কৃত্রিম আতঙ্ক সৃষ্টি করে সাধারণ ভোটারদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। এই পরিকল্পিত অপতৎপরতার লক্ষ্য একটাই ভোটারদের মনে অনিশ্চয়তা, ভয় এবং গভীর অবিশ্বাস তৈরি করা নির্বাচন কে বির্তক বা বানচাল করা । গুজবের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এটি মানুষের যুক্তির দরজা বন্ধ করে দেয়। একজন নাগরিক যখন প্রতিনিয়ত সত্য-মিথ্যার মিশ্রণে তৈরি বিভ্রান্তিকর তথ্যের গোলকধাঁধায় থাকেন, তখন তিনি আর সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিক অবস্থা থেকে অনেকটা পিছিয়ে পরে । এর ফলে একদল ভোটার কেন্দ্রবিমুখ হন, আর অন্য একটি দল আবেগের বশবর্তী হয়ে চরমপন্থি বা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন। উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের সাধারণ মানুষ।

​বিশেষভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এই গুজবগুলো অধিকাংশ সময় এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয় যে সুত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় ‘ভেতরের খবর’, ‘গোপন নথির তথ্য’ কিংবা ‘বিশেষ সূত্রের’ মত সুত্রে কথা বলে। যা আমাদের দেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষ বাছবিচার না করে নিজেদের মত করে শুধু বিশ্বাস করে নেয় ই না বরং অনেক সময় চারপাশে থাকা সমমনাদের বিশ্বাস করতে উৎসাহিত করে এমন কি অনেক সময় বিশ্বাস করতে বাধ্য ও করে। অথচ সময়ের ব্যবধানে দেখা যায় এসবের বিন্দুমাত্র কোনো ভিত্তি ছিল না। কিন্তু ততক্ষণে গুজব তার কাজ সেরে ফেলেছে আস্থার জায়গায় সন্দেহ এবং প্রত্যাশার জায়গায় হতাশা ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই নোংরা খেলার কুশীলব কারা, তা আজ বড় প্রশ্ন। নির্বাচনী রাজনীতিতে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার জন্য কিছু স্বার্থান্বেষী মহল যেমন পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ায়, তেমনি এক শ্রেণির মানুষ না বুঝেই নিছক কৌতূহলবশত ‘শেয়ার’ বাটনে চাপ দিয়ে এই সামাজিক অপকর্মের অংশীদার হয়ে যান। রাষ্ট্রের দায় এখানে অপরিসীম। নির্বাচন মানে শুধু বুথ বসানো নয়, বরং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গুজবকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রীয় কর্তব্যের অংশ। তবে রাষ্ট্রের চেয়েও বড় দায় একজন সচেতন নাগরিকের। গণতন্ত্র মানে কেবল ভোট দেওয়া নয়, গণতন্ত্র মানে সচেতন থাকা। যেকোনো তথ্য দেখলেই এর উৎস কী নিশ্চিত হওয়া একটি গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শেয়ার কারো প্রাণহানি বা সামাজিক অস্থিরতার কারণ হয়ে দাড়িয়ে রাষ্ট্রের বিরাট ক্ষতি করতে সক্ষম। তাই বর্তমান নির্বাচন কেন্দ্রিক গুজব ও অপতথ্য আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র তথা সমগ্র জাতির জন্য এক ভয়াবহ বির্পযয় ছাড়া আর কিছুই না কারন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকপথ নির্ধারণ করবে, আর তাকে গুজবের কুয়াশায় ঢেকে দেওয়া মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া।

​গুজব ও অপতথ্য কেবল একটি রাজনৈতিক সমস্যা ই নয় বরং এটি একটি সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ব্যাধি ও বটে। ধর্মীয় পরিমণ্ডলে এর অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। ইসলামের দৃষ্টিতে গুজব ছড়ানো কেবল নৈতিক অপরাধ নয়, বরং এটি একটি " গুনাহে জারিয়া " বা প্রবহমান পাপ। পবিত্র কোরআনের সূরা হুজুরাতের ষষ্ঠ আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা আজকের এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে সবচেয়ে বড় রক্ষা কবচ। মহান আল্লাহ বলেছেন, কোনো পাপাচারী সংবাদ নিয়ে এলে তা পরীক্ষা করতে, যাতে অজ্ঞতাবশত কারো ক্ষতি করে পরে অনুতপ্ত হতে না হয়। ইসলামের ইতিহাসে গুজবের করুণ পরিণতির উদাহরণ হিসেবে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) এর ওপর অপবাদ এবং খলিফা উসমান (রা.) এর শাহাদাতের ঘটনা আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, একটি মিথ্যা সংবাদ কীভাবে পুরো উম্মাহর ঐক্য ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট বলে গিয়েছেন, কোনো ব্যক্তি যা শোনে তা যাচাই ছাড়া বলে বেড়ানো তার মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। এই ধর্মীয় নির্দেশ মানলে আজকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী প্রতিটি মানুষই এই পাপে লিপ্ত হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যেতেন। ইসলাম শিখিয়েছে "জবান হেফাজত " করা এবং অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা। আধুনিক যুগে একটি ভুয়া নিউজ বা এডিট করা ছবি কোনো নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারে, যা মূলত ইসলামের " হিফজুন নাফস " বা জীবন রক্ষার মূলনীতির সম্পুর্ন পরিপন্থী।

​সনাতন বা হিন্দুধর্মের দর্শনেও গুজবের কোনো স্থান নেই। বৈদিক সভ্যতা থেকে শুরু করে মহাকাব্যিক যুগ পর্যন্ত সর্বত্রই ‘সত্য’কে ধর্মের ভিত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ‘সত্যমেব জয়তে’ এই মন্ত্রটিই আমাদের শিখিয়ে দেয় যে মিথ্যার কোনো স্থায়ী ভিত্তি নেই। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ " বাক-তপস্যা " এর কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, এমন বাক্য বলা উচিত যা অন্যের মনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে না, যা সত্য এবং হিতকর। গুজব যেহেতু মানুষের মনে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করে, তাই এটি সনাতন শাস্ত্র মতে একটি " তামসিক " কর্ম যা মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মহাভারতের কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সেই " অশ্বত্থামা হতো ইতি গজঃ " অর্থাৎ আংশিক সত্যের যে কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল, তার ফলে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরের রথ মাটিতে নেমে এসেছিল। এটি আমাদের শেখায় যে উদ্দেশ্য যাই হোক, তথ্যের অপব্যাখ্যা বা গুজব ছড়ানো মানুষের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক পতন ঘটায়। মনুস্মৃতি ও ঋগ্বেদের শিক্ষা অনুযায়ী, যারা ভিত্তিহীন কথা ছড়িয়ে সমাজের সংহতি নষ্ট করে, তারা কঠোর কর্মফলের সম্মুখীন হয়। অহিংসাকে যারা পরম ধর্ম হিসেবে জ্ঞান করেন, তাদের জন্য গুজব ছড়ানো এক প্রকার ‘মানসিক হিংসা’।

​বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের দর্শনে " সম্যক বাক " বা সঠিক কথা বলা হলো নির্বাণ লাভের অন্যতম শর্ত। বৌদ্ধ আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গের এই স্তম্ভটি আমাদের শেখায় যে মিথ্যা বলা, চোগলখুরি করা বা বৃথালাপ করা থেকে বিরত থাকা একজন মানুষের আত্মশুদ্ধির পথ। বুদ্ধের " কালাম সুত্ত " এ একটি বিপ্লবী দর্শন দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, কেবল লোকমুখে শোনা কথা বা ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে কিছু বিশ্বাস না করে নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে তা যাচাই করতে। এটি মূলত আধুনিক " ফ্যাক্ট চেকিং " বা তথ্য যাচাইয়ের প্রাচীন রূপ। অন্যদিকে খ্রিস্টধর্মে গুজবকে " মিথ্যা সাক্ষ্য " হিসেবে দেখা হয়েছে। বাইবেলের দশ আজ্ঞার অন্যতম হলো প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়া। বাইবেলে জিহ্বাকে আগুনের স্ফুলিঙ্গের সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা একটি ছোট মিথ্যার মাধ্যমে পুরো সমাজকে ভস্মীভূত করতে পারে। যিশু খ্রিস্টের পরম শিক্ষা ছিল " সত্য তোমাদের স্বাধীন করবে " । সুতরাং গুজবের এই পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রতিটি খ্রিস্টানকে তার প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসার খাতিরেই অসত্য বর্জন করতে হবে।

​গুজব শুধু ধর্মীয় অনুশাসনই লঙ্ঘন করে না, এটি আমাদের দার্শনিক ও যুক্তিবাদী সত্তার ওপর এক বিরাট চপেটাঘাত। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সক্রেটিস থেকে শুরু করে আধুনিক দার্শনিকরা সবাই এই গুজবের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সক্রেটিসের সেই " তিন চালুনি " পরীক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার আগে তা কি সত্য? তা কি ভালো? তা কি প্রয়োজনীয়? এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর যদি " না " হয়, তবে তা বলা বা শেয়ার করা উচিত নয়। প্লেটো ও অ্যারিস্টটলও মনে করতেন, গুজব মানুষের আবেগকে অযৌক্তিকভাবে উসকে দিয়ে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। আধুনিক দার্শনিকদের মধ্যে ইমানুয়েল কান্ট গুজব ছড়ানোর বিষয়টিকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে দেখেছেন, কারণ এটি সর্বজনীন সত্যের ধারণাকে ধ্বংস করে দেয়। হান্না আরেন্ট বা কার্ল পপারের মতো চিন্তাবিদরা দেখিয়েছেন কীভাবে গুজব ও মিথ্যা প্রচার করে স্বৈরতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করা হয়। গুজব যখন সমাজের সাধারণ মানুষের বিচারবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, তখন সেখানে আর প্রগতি বা ন্যায়ের জায়গা থাকে না।

​আজকের বাংলাদেশে রাজনৈতিক মেরুকরণের এই সন্ধিক্ষণে গুজব যেন একটি সংক্রামক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিজিটাল লিটারেসি বা তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান আমাদের অনেক বেড়েছে, কিন্তু সেই সাথে বেড়েছে তথ্যের অপব্যবহার। আমরা একটি এডিট করা ছবি বা খণ্ডিত ভিডিও দেখেই উত্তেজিত হয়ে পড়ি, কিন্তু তার পেছনের সত্যটুকু জানার ধৈর্য আমাদের নেই। এই ধৈর্যহীনতা আমাদের জাতীয় ঐক্যের মূলে কুঠারাঘাত করছে। মনে রাখা প্রয়োজন, নির্বাচনের দিন কেবল ব্যালট বাক্সে ভোট দেওয়াটাই বড় কথা নয়, তার আগেই লড়াই শুরু হয়ে যায় মানুষের মনে। সেই মনের লড়াইয়ে যদি গুজব জয়ী হয়, তবে গণতন্ত্রেরই পরাজয় ঘটবে। গুজব একটি নীরব ঘাতক, যা শব্দের আড়ালে রক্ত ঝরায়। এটি মানুষের সম্মান হত্যা করে, সমাজের ভ্রাতৃত্ব ভেঙে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকে এক অন্ধকার গহ্বরে ঠেলে দেয়। ​আসলে গুজব প্রতিরোধ কোনো একক ব্যক্তির বা রাষ্ট্রের কাজ নয়, এটি একটি সম্মিলিত দায়। সত্যের কোনো পক্ষ হয় না, সত্য নিজেই একটি পক্ষ। আমরা যে ধর্মে বিশ্বাসী ও যে রাজনৈতিক আদর্শেরই বিশ্বাসী হই না কেন সবার আগে আমাদের হতে হবে মানুষ। ঋগ্বেদের সেই কালজয়ী আহ্বান " সকলে মিলে এক সত্য কথা বলো " কিংবা কোরআনের সেই কঠোর হুঁশিয়ারি " যাচাই না করে কিছু প্রচার করো না " এগুলো যদি আমরা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে চর্চা করতে পারি, তবেই সমাজ থেকে গুজবের অভিশাপ দূর করা সম্ভব। আসুন, আমরা কোন তথ্য শেয়ার করার আগে ভাবি, ক্লিক করার আগে নিশ্চিত হই এবং সর্বদা বিবেককে কাজে লাগাই । ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় ঘটায় এবং আমরা যেন গুজবমুক্ত একটি সুস্থ নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তুলে আগামীর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন কে বাস্তবে পরিনত করি। সত্যের অনুসন্ধান এবং প্রচারই হোক আমাদের নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব । কারণ সত্য যদি আজ পরাজিত হয় তবে আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা কেবল এক বিভ্রান্তির সমাজ রেখে যাব। তাই এখনই সময় গুজব নয়, সত্যের মুখোমুখি নিজেকে দাড় করিয়ে বিবেককে করি আমাদের পথপ্রদর্শক।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মন বাগানে ফুটে আছে রঙবাহারী ফুল=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৫



তুমি তো আর করলে না যাচাই, মন আমার মন্দ কী ভালো,
প্রেম কথনে ভরালে না মন, ভালোবেসে করলে না মনঘর আলো;
মনের শাখে শাখে ঝুলে আছে মধু মঞ্জুরী ফুল,
কী মুগ্ধতা ছড়িয়ে পাপড়ির... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

“Epstein “ বুঝতে পারেন ! কিন্তু রাজাকার,আলবদর,আলশামস আর আজকের Extension লালবদর বুঝতে পারেন না ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০৮

মূলত এটি একটি ছবি ব্লগ। এক একটি ছবি একটি করে ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কস্টের অধ্যায়।

এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০১

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

ছবি, সংগৃহিত।

সারসংক্ষেপ

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। সাধারণ মুসলিম সমাজে রোজা ভঙ্গের ধারণা প্রধানত পানাহার ও যৌন সংসর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অথচ কুরআন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×