গোয়াতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহরুখ তাঁর এই উপলব্ধির কথা জানান।তিনি নিজে মনে করেন,তাঁর অনেক সমস্যা আছে, কিন্তু সেই সমস্যা ঠিক কি তিনি নিজেও জানেন না।তাঁর সঙ্গে আছে এক সুন্দর পরিবার,অবশ্যই আছে কিছু বন্ধুও।এই বন্ধুদের সঙ্গে তিনি অনেক মূল্যবান সময়ও কাটিয়েছেন।বলিউডে দুদশকেরও বেশি কাটানোর পর বাদশার উপলব্ধি, তিনি সাফল্য চেয়েছিলেন, সফলতাকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন।তিনি তাঁর বাবার মতো একজন সাধারণ মানুষ হয়ে জীবন থেকে চিরবিদায় নিতে কখনও চান না।তাই হয়তো তাঁকে একলা হয়ে যেতে হয়েছে।
সম্প্রতি তিনি তাঁর ৪৭তন জন্মদিন পালন করলেন।আর তাঁর আত্মজীবনী এখন শেষের পথে।এই আত্মজীবনী লিখতে লিখতে, স্মৃতির সাগরে ডুবে তাঁর জীবন সম্পর্কে এই অদ্ভূত উপলব্ধি হয়েছে।পিছনে ফিরে তিনি দেখতে পেয়েছেন তাঁর শৈশবকে, তাঁর কৈশোরকে। সেখানে ছিল অর্থকষ্ট।জীবনে প্রতিদিন তাঁর পরিবারকে দারিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়েছে।কোনও একদিন কিং খানকে তাঁর বাবা একটি সিনেমা দেখাতে সঙ্গে করে নিয়ে যান। কিন্তু সঙ্গে যথেষ্ট পয়সা না থাকার কারণে,তাঁকে হলের বাইরে বসে গাড়ি দেখেই সময় কাটাতে হয়।তাঁর বাবা জীবনে অসফল ছিলেন, তবু শাহরুখ তাঁর বাবাকে নিয়ে গর্বিত। ১৯৯২ সালে পর্দায় দিওয়ানা মুক্তির পর তাঁকে আর সেভাবে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।সাফল্যের সিড়ি বেয়ে শাহরুখের ঘোড়া টগবগিয়ে ছুটেছে।তবু কোথাও যেন তিনি খুবই একলা। সফলতার অন্যদিকই বোধহয় নিঃসঙ্গতা,উপলব্ধি বলিউডের বাদশা শাহরুখের,যাঁর চারপাশে সর্বক্ষণ থাকে হাজার বাল্বের ঝলকানি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



