চাহিদা পূরণ না হলে আজেবাজে কাজ হবেই এর জন্য আজেবাজে কাজ যে করছে তাকে দোষারোপ না করে কেন করছে,তার এই কাজ করার কারণটা খুঁজে বের করাটা উচিত আমি মনে করি। এখন আমি কিছু কথা বলব সেটা অনেকের ভাল না ও লাগতে পারে,এর জন্য আমি আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমাদের দেশে এখন বিশাল একটা ব্যাপার ইভটিজিং নৈরাজ্য এবং যতদিন যাচ্ছে তত এটার পরিমাণ বাড়ছে। গতকিছুদিন আগে একটা ট্রল্ দেখলাম যেখানে একটি আকর্ষণীয় বিদেশী মেয়ে (আমরা যাকে বলি সেক্সি মেয়ে আমি আবার বলছি হ্যাঁ আমরা বলি
১। তাহলে কি তাদের অতিরিক্তি জৈবিক চাহিদা যেটা তারা মেটাতে পারছেনা?
২। বহির বিশ্বের অপসংস্কৃতি?
৩। পরিবার থেকে পাওয়া শিক্ষা?
৪। পড়ালেখার অভাব?
৪। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী?
৫। ধর্মীয় শিক্ষা?
না এসব কিছুই না। আমার মতে এটা পুরোটাই সমাজ বেবস্থাপনার সমস্যা। প্রত্যেক পুরুষ মানুষের জৈবিক চাহিদা আছে,এখন এটা আমার দেশ হোক আর বিদেশ হোক এবং খুব স্বাভাবিক ভাবেই নারী সঙ্গ লাগবেই তার স্পর্শ লাগবে। এখন ভাল করে চিন্তা করে যদি দেখি আমি আজ যদি বিয়ের আগেই ভালবাসার মানুষটির সাথে হাত ধরে রাস্তায় হেঁটে যাই আর ঠিক ওই মুহূর্তে আপনি আপনার বাবা কিংবা মা কে নিয়ে রিকশা করে যাওয়ার সময় আমাদের পাশ দিয়ে যান তখন আপনার বাবা অথবা মা আমাদের দেখে কি বলেন??? অনেকে বলতে পারেন আমার মা বাবা এতটা সস্তা মন মানসিকতার না,হ্যাঁ আমি মেনে নিছি শতকরা ১০ ভাগ মা বাবা ব্যাপারটাকে মেনে নিবেন কিন্তু বাকি যারা আছেন তারা কি বলেবেন? সামাজিক ভাবেই ব্যাপারটাকে আমরা নোংরা করে দেখি। এখন বলতে পারেন এটার সাথে ইভটিজিং এর কি সম্পর্ক, আমার মতে অবশ্যই আছে কারণ আমি নিজেই আমার পরিবার থেকে শিখে আসছি আমার মা বাবা থেকে বিয়ের আগে এভাবে ঘুরাফেরা করা ঠিক না। যার কারণে মনস্তাত্ত্বিক ভাবেই আমরা ধরেই নিচ্ছি ব্যাপারটা এটা অন্ধকারের কাজ। যার কারণে যখনি কোন নারী দেখছি তখন মনস্তাত্ত্বিক ভাবেই আমার ভিতর থেকেই একটা বাজে কথা আসছে। এখন বলা জেতে পারে কেন পুরুষ মানুষের ক্ষেত্রে তা হয় না। এক কথায় বললে পুরুষ শাসিত সমাজ। একটা পুরুষ মানুষ যেভাবে ইচ্ছে যা ইচ্ছে করতে পারবে কিন্তু নারীরা তা পারেনা এটাই আমাদের ছোট বেলা থেকেই শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে। একটা ছেলে শুধু একটা ছেলের সাথে ঘুরবে একটা মেয়ে শুধু একটা মেয়ের সাথে ঘুরবে, নারী এবং পুরুষ আলাদা করা হচ্ছে ছোট বেলা থেকেই এবং এটা আমরা আমাদের পরিবার থেকেই শিখে আসছি।ব্যাপারটায় নারীদের সব সময় একটা কৌতূহলী বস্তু হিসেবে রাখা হচ্ছে ছেলেদের কাছে। নারীরাও মানুষ পুরুষের মত নারীরাও রক্তে মাংসে গড়া একটি মানুষ দুজনই একি রকম কোন ভেদাবেদ নেই এটা আমদের ভিতরে গড়ে তুলতে হবে ছোট বেলা থেকেই তা না হলে আমার আপনার মা বোনেরা এভাবেই আজীবন ভুক্তভুগি হতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




