somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

The Omen - অশুভ সংকেত। এক বিষাক্ত ফুলের ফুটে ওঠার সংকেত।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


"ডেমিয়েনের আরেকটা অস্বাভাবিক দিক হচ্ছে কথা সে খুব কম বলে। ধরতে গেলে কণ্ঠস্বর সে ব্যাবহারই করেনা। খুশি হলে নিঃশব্দে গালে টোল ফেলে হাসে আর দুঃখ পেলে নিরবেই ফোঁটা ফোঁটা চোখের জল ফেলে।"
অশুভ সংকেত (The Omen) ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৪।
আমার পড়া সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হরর বই The Omen.
বাংলায় অনুবাদ পড়েছিলাম। "অশুভ সংকেত"।
অ্যান্টি খ্রিস্ট।
শয়তানের পুত্র। শয়তানের প্রতিনিধি। যাকে দিয়ে পুরো পৃথিবী থেকে খ্রিস্ট মুছে শয়তানের রাজত্বকে প্রতিষ্ঠা করার এক অশুভ প্ল্যান। সঙ্কেত ৬৬৬।
মুভিও আছে। The Omen ১৯৭৬ সালের। অসাধারন মেকিং। বইয়ের মত আবহ, ভয় পরিবেশ।
এক প্রভাবশালী পরিবারে জন্ম। তারপর ধীরে ধীরে আসল পরিচয়ে ফুটতে থাকা একটি বিষাক্ত ফুলের কাহিনী। তারপর ধীরে ধীরে এক জন এক জন করে মৃত্যুর কলে ঢলে পড়া। সেই সব প্রতিটা মৃত্যু- ক্লুলেস, রহস্যজনক।
ডেমিয়েন। এই নামটাই আমার কাছে আতঙ্কের হয়ে যায় যখন বইটা পড়ছিলাম। ডেমিয়েন। মা বাবার ভীষণ ভীষণ প্রিয় নাম। নিজের জীবনের চেয়েও প্রিয় মানুষটির। জন্ম জুন ৬, ভোর ৬ টায়। কপালের উপর চুলের মাঝে সেই চিহ্নটা।
অশুভ সংকেত।
তিনটি খণ্ড।
তিনজন লেখক- ১ম ডেভিড সেলজার, ২য় জোসেফ হাওয়ার্ড, ৩য় গরডন ম্যাকগিল।
সেবা প্রকাশনী অনুবাদ- কাজী মাহবুব হোসেন।
এক নিঃশ্বাসে পড়তে পারিনি। এক বসায় পড়ে ফেলেছি প্রথম খণ্ড। ক্লাস সেভেন পড়তাম তখন। তারপর বাকি দুইটা খণ্ড খুঁজতে গিয়ে পেয়ে গেলাম এক সাথে তিনটা খণ্ড। কিনে ফেললাম। কখন বাসায় যাব। কখন পড়ব। সইছিলনা। অনেক রাত হয়ে গেছিলো পুরোটা শেষ করতে করতে। মনে হচ্ছিল, ডেমিয়েন বুঝি পৃথিবীতেই আছে। হয়ত একদিন সিংহাসনে বসে পুরো পৃথিবী ধ্বংস করে ফেলবে। ভাবতাম আর ঘুম হতো না।
আমার একটা অভ্যাস ছিল, (এখনও আছে) বইয়ে যা পড়তাম, যে ঘটনা যেভাবে লেখা থাকতো, সেভাবে নিজের কল্পনায় ভিডিও দেখতে পেতাম। কীভাবে পাদ্রিটা ঝড়ের মধ্যে ** (spoiler)__ কীভাবে ফটোগ্রাফার ছবিগুলো দেখে আঁতকে উঠছে__ সে এক অদ্ভুত অনুভূতি।
Horror at its best.

The Omen এ আপনাকে স্বাগতম।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:০৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চাকরির বন্যা আসার আগেই চাকরির বাজারে খরা!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬



জুলাইয়ের পর বলা হয়েছিল দেশে নাকি চাকরির বন্যা বয়ে যাবে। অর্থনীতি ঘুরে দাড়াবে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা অর্থনীতিতে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবো। ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিও হবে।

দেশে এমনিতেই কর্মসংস্থানের অবস্থা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি তাহলে গুহা যুগে ফেরত যাচ্ছি?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০



বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×