বার বার বিভিন ধর্মাবলী মানুষের উপর আঘাত হানার জন্য মূলত সরকারই দায়ী। কারণ যেহেতু এতো বার এই সব ঘটনা ঘটার পরেও সরকার তাঁদের নুন্যতম নিরাপত্তা দিতে পারছে না। সরকার ও তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি বিভিন্ন ধর্মাবলীদের ঠিকমত নিরাপত্তা দিতে না পারে তবে সন্ত্রাসীদের তো আর দমিয়ে রাখা সম্ভব না। আর শুধু ভোট পাওয়ানোর জন্য গণহারে জড়িত অজড়িতদের গ্রেফতার করলেই কি এইসব সহিংসতা বন্ধ হয়ে যাবে? যাবে না। বরং এর জন্য সরকারকে সমস্যা সমূলে উৎপাটন করতে হবে। শুধু অসাম্প্রদায়িকতার ধোঁয়া তুলে আর কয় দিন অন্যান্য ধর্মাবলীদের সুনজর পাওয়া যাবে, জানি না। তাঁরাও আপানদের এই সব লোক দেখানো ভালবাসার উপর বিরক্ত। আরে বুঝেন না কেন! আগে ভাগে নিরাপত্তা নিয়ে ফেললে তো পরে ইস্যুটা নিয়ে রাজনীতি করা যাবে না আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার নেতাদের। মাঝখান থেকে নিরীহ ও সাধারণ মানুষরা ধর্মের পরিচয়ে আগুনে পুরে মরে কিন্তু তাঁদের নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়না। সর্বশেষ অভয়নগরে হিন্দু ধর্মাবলীদের ওপর হামলার ঘটনায় ধূম্রজাল সৃষ্টি করে সুবিধাবাদীরা। অথচ জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন তাঁদের jজান মালের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি শুরু করে দিলেন। পত্রিকা মারফত জানা যায়, অভয়নগরের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের থেকে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আবদুল ওহাব এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। মনোনয়ন পেয়েছেন বাঘারপাড়ার অধিবাসী রণজিত রায় এমপি। এ নিয়ে এক মাস ধরে ওই দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে চলছে প্রকাশ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা। তাই আসল ঘটনা কি হতে পারে তা আর বুঝার বাকী থাকে না। আর নন্দ ঘোষ তো আছেই, তাই ক্ষমতাসীন দলের উপর কোন দায় বর্তায় না। তাই প্রকৃত সমস্যা সমাধান না করে নন্দ ঘোষকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকা মানে ভবিষ্যৎ ধর্মীয় উম্মাদনায় আরও উস্কানি দেওয়া নয় কি? আবার যারা এই সব করল এরা কোন দলেরই হতে পারে না। আর ইসলামের নামে যারা এসব করে এরা তো ধর্মই বুঝে না। আমরা মায়ানমার কিংবা ভারত না যে তাদের পথ অনুসরণ করব। অনেকে ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা ও সাহায্য নিয়ে চিন্তা না করে বরং এটা নিয়ে এবার বিজনেস শুরু করে দিয়েছে। আর এসব করছে মুসলিম নামধারী কিছু ক্যারিয়ারিস্ট। জাহিদ হোসেন, চবি
তাঁদের নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়না কিন্তু তাঁরা ঠিকই পুড়ে
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
বার বার বিভিন ধর্মাবলী মানুষের উপর আঘাত হানার জন্য মূলত সরকারই দায়ী। কারণ যেহেতু এতো বার এই সব ঘটনা ঘটার পরেও সরকার তাঁদের নুন্যতম নিরাপত্তা দিতে পারছে না। সরকার ও তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি বিভিন্ন ধর্মাবলীদের ঠিকমত নিরাপত্তা দিতে না পারে তবে সন্ত্রাসীদের তো আর দমিয়ে রাখা সম্ভব না। আর শুধু ভোট পাওয়ানোর জন্য গণহারে জড়িত অজড়িতদের গ্রেফতার করলেই কি এইসব সহিংসতা বন্ধ হয়ে যাবে? যাবে না। বরং এর জন্য সরকারকে সমস্যা সমূলে উৎপাটন করতে হবে। শুধু অসাম্প্রদায়িকতার ধোঁয়া তুলে আর কয় দিন অন্যান্য ধর্মাবলীদের সুনজর পাওয়া যাবে, জানি না। তাঁরাও আপানদের এই সব লোক দেখানো ভালবাসার উপর বিরক্ত। আরে বুঝেন না কেন! আগে ভাগে নিরাপত্তা নিয়ে ফেললে তো পরে ইস্যুটা নিয়ে রাজনীতি করা যাবে না আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার নেতাদের। মাঝখান থেকে নিরীহ ও সাধারণ মানুষরা ধর্মের পরিচয়ে আগুনে পুরে মরে কিন্তু তাঁদের নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হয়না। সর্বশেষ অভয়নগরে হিন্দু ধর্মাবলীদের ওপর হামলার ঘটনায় ধূম্রজাল সৃষ্টি করে সুবিধাবাদীরা। অথচ জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন তাঁদের jজান মালের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি শুরু করে দিলেন। পত্রিকা মারফত জানা যায়, অভয়নগরের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের থেকে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আবদুল ওহাব এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। মনোনয়ন পেয়েছেন বাঘারপাড়ার অধিবাসী রণজিত রায় এমপি। এ নিয়ে এক মাস ধরে ওই দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে চলছে প্রকাশ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা। তাই আসল ঘটনা কি হতে পারে তা আর বুঝার বাকী থাকে না। আর নন্দ ঘোষ তো আছেই, তাই ক্ষমতাসীন দলের উপর কোন দায় বর্তায় না। তাই প্রকৃত সমস্যা সমাধান না করে নন্দ ঘোষকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকা মানে ভবিষ্যৎ ধর্মীয় উম্মাদনায় আরও উস্কানি দেওয়া নয় কি? আবার যারা এই সব করল এরা কোন দলেরই হতে পারে না। আর ইসলামের নামে যারা এসব করে এরা তো ধর্মই বুঝে না। আমরা মায়ানমার কিংবা ভারত না যে তাদের পথ অনুসরণ করব। অনেকে ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা ও সাহায্য নিয়ে চিন্তা না করে বরং এটা নিয়ে এবার বিজনেস শুরু করে দিয়েছে। আর এসব করছে মুসলিম নামধারী কিছু ক্যারিয়ারিস্ট। জাহিদ হোসেন, চবি
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
Extra Long - Dual Coverage!
আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।
সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।
গত... ...বাকিটুকু পড়ুন
জল-জলন্ত

সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন
৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?
গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16

১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।