somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

খারাপ টুপিতে নয়, খারাপ দাড়িতে নয়; খারাপ হৃদয়ে থাকে

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বইমেলা থেকে তুলে নেয়া ইসলাম
বিতর্ক নামক যে বইটিকে অশ্লীল বলায়
মুক্তমনাদের গায়ে চুলকানি শুরু হয়েছে
,সেই মহান সাহিত্য কর্ম ইসলাম বিতর্ক
বইয়ের দুইটা লাইন আসেন পড়ি
.
" এছাড়া আমরা নবীর চরম যৌন বিকৃতি
সম্পর্কে জানি। তার অনিয়ন্ত্রিত
বহুগামিতা ,ছোট বালিকা
আয়েশাকে পাওয়ার জন্য লালসা .."
বাকিটা আর বললাম না। এই বইয়ের
লেখাগুলো বিদেশী লেখকদের লিখা
অনুবাদ করা হয়েছে বাংলায়। কেন?
.
এই ভাষায় লেখা বই কে অশ্লিল বলার
কারণে নাস্তিকেরা জাফর ইকবাল
স্যার কে ছাগু বলার বাকি রাখছে।
.
এম এ খান থেকে শুরু করে আরো
কয়েকজনের লেখা অনুবাদ করে এই
তৃতীয় শ্রেণীর সস্তা ভাষায় লেখা বই
যদি অশ্লীল না হয় ,তাহলে আগামী বই
মেলায় রসময় গুপ্তের জন্য আলাদা একটা
স্টল রাখলে ক্ষতি কি? ?
.
কিছুদিন আগে জনৈকা নাস্তিক পোস্ট
দিলেন
" যে দেশের বেশিরভাগ মানুষ
মুহাম্মদের অনুসারী সে দেশের
বেশিরভাগ মানুষ চোর বাটপার ধর্ষক
হবে " ইত্যাদি
আমি সেই অতিজ্ঞ্যানী সরি
মহাজ্ঞ্যানী নাস্তিকের পোস্টে
কমেন্ট করেছিলাম
" ৭১ সালেও এ দেশে বেশিরভাগ মানুষ
মুহাম্মদ (সা:) অনুসারী ছিল কই দেশ
স্বাধীন হওয়া তো ঠেইকা যায় নাই।
বাকি হিন্দু যারা ছিল তারাও তো
কোন একটা ধর্মের অনুসারী ছিল। কই ধর্ম
তো সেদিন তাদের যুদ্ধ করাকে আটকায়
দেয় নাই। মুহাম্মদের অনুসারী হওয়া
মানেই যদি চোর বাটপার হওয়া হয়
তারমানে একজন মুক্তিযোদ্ধা ,একজন
ক্রিকেটার একজন শ্রমিক দেশের জন্য
সবকিছু করেও চোর বাটপার কারণ সে
মুহাম্মদের অনুসারী? "
আমার কমেন্টের উত্তর জনৈকা
মহাজ্ঞ্যানী দেন নাই।
.
নাস্তিকেরা এভাবেই
বাংলাদেশের সাথে ,স্বাধীনতার
চেতনার সাথে ইসলাম কে সাংঘর্ষিক
প্রমাণ করতে ডেইলি চার বেলা কলম
চালান। এই নিয়ে কিছুদিন আগে এক
পোস্টে লিখেছিলাম
" মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অনেকে
মুসলিম ছিল কই ইসলাম তো দেশের জন্য
যুদ্ধ করায় তাদের কে বাধা দেয় নাই"
তখন জনৈক মুক্তমনা আমারে ছাগু ট্যাগ
দিয়া বলে। আমি নাকি ধর্ম কে
মুক্তিযুদ্ধের সাথে মেশাইছি
.
বলি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে
পরোক্ষ প্রত্যক্ষ ভাবে ইসলাম কে দাড়
করাইয়া ধর্ম রে মুক্তিযুদ্ধের সাথে
মেলায় কে? উত্তর দেন।
মজার ব্যাপার হইল একাত্তরে
রাজাকারেরাও মুক্তিযুদ্ধ কে ইসলাম
বিরোধী ট্যাগ দিয়া যাবতীয় আকাম
কুকাম করছিল। কেমনে যেন মুক্তমনাদের
সাথে মিলে যায়। কেমনে জনাব
কেমনে?
.
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪
মূলনিতীর একটা হইল ধর্ম নিরপেক্ষতা।
যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে
এখানে রাস্ট্র এর কোন ওজর আপত্তি
থাকতে পারবে না।
.
বলি যার যার ধর্ম সে সে পালন করাই
যদি ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশের
চেতনা হয় ,তাহলে প্রতিমুহুর্তে ইসলাম
কে গালি দিয়ে নাস্তিকেরা কি
মুসলমান দের স্বাধীনভাবে ধর্ম
পালনের অধিকার ক্ষুন্ন করছেন না?
উত্তর দেন মিয়ারা। উত্তর চাই
.
মজার ব্যাপার হইল এদিকে জঙ্গীরা
হিন্দুদের প্রতিমা ভাংচুর করে
হিন্দুদের ধর্ম পালনের অধিকার ক্ষুন্ন
করে। একদল হিন্দুদের অধিকার কেড়ে
নিতে চায় আরেকদল ইসলাম নিয়ে
মুসলমানদের আঘাত দিতে চায়
আহা কেমনে যেন জঙ্গীদের সাথে
এইভাবেও মিলে যায়
.
দুই চাইর লাইন লিখা নিজেরে
মহাজ্ঞ্যানী মনে কইরা ইসলামরে
গালি দিয়া এইসব নাস্তিকেরা
ভাবে আহা আমিত হিরো হইয়া গেছি।
প্রজন্মের সৈনিক।
.
আজকে সত্যটা চোখে আঙ্গুল দিয়া
দেখাইয়া দেই
সত্যিকারের হিরো হচ্ছে বাংলার
সেই কৃষকরা যারা কাস্তে দিয়ে
কিসিঞ্জারের তলাবিহীন ঝুড়িকে
আজকে বিলিয়ন ডলারের সেন্ট্রাল
রিজার্ভে ভরিয়েছে
.
সত্যিকারের হিরো হচ্ছে দেড় কোটি
প্রবাসী বাঙ্গালী যাদের
রেমিটেন্সে বানান ফ্লাইওভার
দিয়া যাইতে যাইতে আপনে দুই বেলা
ধর্মরে গালি দেন
সত্যিকারের হিরো হচ্ছে
গার্মেন্টসের সেই মেয়েরা যারা
দেশপ্রেমটাকে সেলাই মেশিনে
ঢুকিয়ে সুতোর অক্ষরে মেড ইন
বাংলাদেশ লিখে দেয়
সত্যিকারের হিরো হচ্ছে সেই
মেয়েটা যে এস এ গেমসে স্বর্ণ
জেতার পরে চোখের পানিতে
দেশের প্রতিভালোবাসা ঝড়ায়
.
এরা বিভেদ আনেনা এরা আপনাদের
মত জ্ঞ্যানীনা এরা নিরবে দেশের
জন্য করে যায়। অন্যদিকে জঙ্গীরা আর
আপনারা উগ্রবাদী নাস্তিকেরা যখন
কেউ ইসলামকে ব্যাবহার করে আর কেউ
ইসলাম কে গালি দিয়ে দেশটাকে
রাত দিন তেরোভাগ করেন। গরম গরম
ইফতার চাবাইয়া ইসলামরে গালি
দেন। টুপি দাড়িতে আপনাগো চুল্কায়।
মোহাম্মদ নাম শুনলে আপনাগো পাইলস
,একশিরা ,সিফিলিস হইয়া যায়
.
খারাপ টুপিতে নয় খারাপ দাড়িতে নয়
খারাপ হৃদয়ে থাকে।

‪#‎সংগৃহীত_পোস্টঃওয়ারিশ‬ আজাদ নাফি ভাই হতে নেওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:০৩
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ট্রাম্প চাচা ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫


সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ভোট দিয়ে এসে অনেকক্ষণ ধরেই অপক্ষো করছিলাম কখন সন্ধ্যা হবে সে প্রত্যাশায়। সন্ধ্যার পর মোটামুটি বসে গিয়েছিলাম ফলাফলের উপর টেলিভিশনে বিশেষ আলোচনা দেখার জন্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্ধ দুয়ার"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪


"বন্ধ দুয়ার"

ক্লান্ত এ সপ্তাহে শুনি, আজ কারো কাজ নাই,
বন্ধ কারখানায় তালা, কোথা যাব তবে ভাই?
ছুটা বুয়া হয়ে খাটা, সে সুযোগও মেলা ভার,
তরুণী দেখিয়া মোরে, কেহ খোলে না যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

"আমেরিকাকে আবার মহান করব" বলে এসে যিনি দুনিয়ার সবাইকে বিরক্ত করলেন, ভোটাররা তাঁকে জানিয়ে দিলেন: হুমকি ধমকি আর উম্মাতাল আঁতলামির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×