somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শেকড় খুঁজতে বাংলাদেশে

১৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাত্র ছয় সপ্তাহ বয়স এ বাংলাদেশ থেকে হল্যান্ডের এক দম্পতির কোলে করে সদ্য জন্ম নেয়া শিশুটির এ দেশ ত্যাগ। বাবা মার পরিবার ছেড়ে এতো ছোটতেই দেশান্তরিত হবার পরেও দেশের প্রতি নিজ পরিবারের প্রতি ভালো বাসার কমতি ছিলো না কখনোই। তাইতো ছুটে এসেছেন নিজ পরিবার কে খুজতে। আপন শিকড়েরর সন্ধান পেতে। ক্রিস্শিয়ান হ্যুরম্যান ইমাম। ১৯৭৭ সালে নবজাতক এ বাংলাদেশিকে দত্তক নেন নেদারল্যান্ডের নিঃসন্তান দম্পতি ক্যাথরিনা ভন জেমেরান এবং উইলিয়াম হ্যুরমান। বাবা গরিব নৌকার মাঝি নাসির মিয়া । দুর্ঘটনায় এক পা হারিয়ে তিনি
স্ত্রী ও তিন ছেলে-মেয়েকে নিয়ে দুর্বিষহ জীবন পার করছিলেন। অভাবের সংসাওে তিন সন্তানের খরচ বহন করতে পারছিলেন না তখন ছোট ছেলে ইমাম মিয়াকে মাত্র ছয় সপ্তাহ বয়সে দত্তক প্রতিষ্ঠান ‘নেদারল্যান্ড ইন্টারকান্ট্রি চাইল্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ঢাকার (এনআইসিডি) জিম্মায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এনআইসিডি তাকে প্রথমে ধানমন্ডির একটি অনাথালয় ‘বেবী হোমে’ রেখেছিল।পরে তাকে ক্যাথারিনা ভন জেমেরান ও উইলিয়াম হ্যুরমান দম্পতির কাছে দত্তক দেয়া হয়। সে সময়ের ইস্যু করা পাসর্পোট থেকে দেখা যায় ক্রিস্য়িান হ্যুরম্যান জন্মেছেন ১৯৭৭ এর ১০ মে ঢাকায়। ১৯৭৭ সালের ২২ জুন ইমাম কে নিয়ে নেদারল্যান্ডে যান তার দত্তক বাবা মা।
নেদারল্যান্ডে গেলেও যখন থেকে বুঝতে শুরু করেন তখন থেকেই বাংলাদেশের প্রতি টান অনুভব করতেন। পড়াশোনা করেছেন রটেরডেমের ইরাসমুস ইউনিভার্সিটি থেকে বিজেনস এডমিনিস্ট্রেশনে
এমএসসি ও অর্থনীতিতে পিএইচডি। এ বিশ্ববিদ্যায়ে অধ্যাপনাও করেন কিছুদিন। বর্তমানে লন্ডনের বহুজাতিক এনার্জি ফিন্যান্স প্রতিষ্ঠান মর্গান স্ট্যানলির
উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। বাংলাদেশে এসেছিলেন প্রথমে গত নভেম্বর মাসে ঢাকার অলিগলি খুজেছেন। বুড়িগঙ্গা নদীরতীওে গিয়ে মাঝিদেও জিজ্ঞেস করেছেন কেই নাসির মিয়াকে চেনে কিনা। ইমামাওে সে সময়ে ইস্য করা পাসপোর্টে নাসির মিয়ার ঠিকানা দো ছিল মোহাম্মাদপুরের মনেশ্বও রোড। সেখানেও গিয়েছিলেন। কিšুÍ আপনওে শিকড়েরর দেখা পেলেন না। এ এলাকার রলোকজন জানায় বছর দশেক আগে তারা নাসির মিয়া কে এ এলাকায় দেখেছেণ। তবে সে এখন কই আছে তারা তা জানেন না।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×