কবি ও কবিতা ( প্রথম কিস্তি )
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
কবিতার সবচেয়ে বড় কথা এই যে-- তার শেষ কথা বলে কিছু নেই । সুতরাং কবিতার সংজ্ঞা নিরূপন করা এ-এক কঠিন কাজ। উপলব্ধি জ্ঞানের বিভিন্নতার কারণে এর সংজ্ঞা ও বিভিন্ন হতে পারে। কেউ একে কালো কাকের মতো দেখলেও যেমন কিছু বলার থাকে না,তেমনি ধবল বকের মতো দেখলেও। কারও কাছে কবিতা কুশ্রী কালো রমনীর মতো মনে হলেও যেমন কবিতা তার স্বকীয়তা হারায় না ,ঠিক তেমনি তাকে রূপসী রমনী মনে হলেও। তবে,কবিতাকে সত্যিকার অর্থে কবিতা হতে হবে। তাই,সংজ্ঞার পথে যাওয়াটা কিছুটা অপরিহার্য ও বটে। তবে সংজ্ঞা নিরূপনে দ্বন্ধ আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে সে-দ্বন্ধে না যাওয়াটা শ্রেয় মনে করি। কিন্তু একটা কথা সত্য যে--কবির সংজ্ঞা না-দিয়ে কবিতার সংজ্ঞা দেওয়া সত্যিই এক কঠিন কাজ। কবিতার সংজ্ঞা দিতে গেলে কবির কথা আসবে আগে। বিষয়টা আর ও সহজ হত যদি না কবির সংজ্ঞা ও সহজে দেওয়া যেত। তাও যে এক কঠিন কাজ তা পাঠক মাত্রই ভালো করে জানেন। কবিকে কী শুধু পাগল-বাউল বলে একরত্তি গালি দিয়ে ছেড়ে দিব। না-কি তাদের সংজ্ঞাতেও আর ও কিছু বলার আছে। প্রথমত--কবিকে আমি শিল্পী (artist) বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সে হিসেবে কবিতা শিল্প ( art )। শুধু শিল্প না-বলে একটু বাড়িয়ে বলতে পারি পরম-শিল্প (absolute art)। পরম মানে চিহ্নবিহীন। বিষয়টি ঠিক এ-রকম --অনেক কথা যাও যে বলি ,কোন কথা না-বলি । এটাকে কী কবিতার দোষ বলব না গুন বলব?--দু'টিই বলা যায়। কেননা সে একটি মাত্র কারণে কবিতা সাধারণের (common) বলয় ভেঙে নির্দিষ্ট (specific) হয়েছে। তাই কবিতার পাঠক ও নির্দিষ্ট। সকলেই কবিতা পড়ে না কিংবা বুঝে না। এটি কবিতার এক ধরণের ত্রুটি নয় কী?--পাঠকই তা ভালো জানেন। দ্বিতীয়ত-- সাহিত্যের আদি শাখা কবিতা তার স্বকীয়তা বজায় রেখেছে, তাও সে-একই কারণে।
(চলবে ...)
রচনাকাল : 13-04-2007
জিল
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে...
...বাকিটুকু পড়ুন
গোকুলে বাড়িছে সেপরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ক্ষমতার অন্দরমহলে অস্বস্তি বাড়ছে। একের পর এক বক্তব্য, ভিডিওবার্তা, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেখে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে- এত অস্থিরতার কারণ...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫

ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪২
একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন