“ শেরে খোদা আলী সাবে, নিজেরে খুব সুন্দর ভাবে
নিজের পৌরষের রুপ দেখিয়া আয়নায়
পুত্র হোসেন তখন বলে গর্ব আপনার যাবে চলে
মায়ের গোপন সুরত যদি দেখেন আপনায় ।
আলী বলে বিবির কাছে, দেখাও তোমার কি রূপ আছে
স্বামী হইয়া কেন আমি জানতে পারি নাই?
অপরূপ সে রূপ খালি চোখে, পায়না দেখা কোন লোকে
তোমায় দেখাই কেমন স্বামী, বলেন ফাতেমা।
লানত দিলেন আলীর আওরাত, যে দেখেছে বাতেন সুরত
ভ্রাতৃঘাতি যুদ্ধে যেন মরন তাহার হয়।
আলী কহে অভিশাপ কারে দিলে, সে তো তোমার নিজের ছেলে
বাতুনী মসজিদে গিয়া তোমারই রুপ দেখতে পায় !
মা ফাতেমার ক্রন্দনে হায়, এক শর্তে সব খোদা ফেরায়-
রদ হবে না বদ দোয়া, আর এ দুনিয়া-
কেন্দে কহেন জগতের মা, চাইনা ছেলে ও রাব্বানা
আর কোন মায়ের বদ দোয়া যেন লাগেনা সন্তানরেই গায়!
নবী কণ্যার অন্তরের রুপ, আলোয় ভরে আধারের কূপ
কোটি নারীর ব্যাথা ভরে ফাতেমার ব্যাথায়! ”
মুসলাম মাত্রই জানেন কারবালার কাহিনী । ফাতেমার প্রিয় সন্তান ফোরাতের পাড়ে নির্দয় ভাবে নিহত হন । মা ফাতেমা নিজের সন্তানের মৃত্যুর বদলে আল্লাহ তালার কাছ থেকে চেয়ে নেন কোটি কোটি সন্তানের প্রাণ । তার অভিশাপ লাগবে তার প্রিয় সন্তানের জীবণে কিন্তু তার বদলে পৃথিবীর কোন মায়েরই অভিশাপ লাগবে না নিজ সন্তানের গায়ে ।
এটাই ইসলাম, এটাই মানবতা, এটাই ত্যাগ, এটাই ইসলামের শিক্ষা । সেই ইসলামের নামে মানুষ পড়িয়ে মারা, শিশু পড়িয়ে মারা, বৃদ্ধা পুড়িয়ে মারা? জামাত-শিবির যারা ইসলামের কারণে সমর্থণ করেন তারা একটু ভাবুনতো ফাতেমার কথা । নিজ সন্তানের মৃত্যু মেনে নিয়েছিলেন কোটি কোটি সন্তানকে নিরাপদ রাখার জন্য । আর জামাত শিবির ধর্মের নামে নিরপরাধ মানুষ পুড়িয়ে মারছে । ইসলামের এমন একটা উদাহরণ দেনতো যারা ইসলামের কারণে মানুষ পুড়িয়ে মারছে, পুড়িয়ে মারাতে সমর্থণ করছেন । নাহ কোন উদাহরণ নেই । তাহলে আপনারা কোন ইসলামের কারণে জামাত-শিবিরকে সমর্থণ করেন?
জামাত-শিবির পবিত্র রমজানের এ জুমার দিনে নিজেকে প্রশ্ন করুন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





