মানুষের জীবনে যখন বিভিন্ন দর্শন, ধর্ম, মতবাদ, রাজনৈতিক পথ ইত্যাদি এসেছে তখন এর প্রচারকরা ঘুরে ঘুরে মানুষের কাছে তা প্রচার করতেন । তারা প্রাণান্ত কষ্ট করতেন। তাদের খুন হওয়ার, লাঞ্চনার ইতিহাস ভুরি ভুরি । কিন্তু আজ ধর্ম প্রচারের নামে এক দল নিজেরা কষ্ট করার বদলে অন্যকে কষ্ট দিচ্ছে। আরেক দল গণ-মানুষের রাজনিতীর নামে নিজেদের বদলে অন্যকে কষ্ট দিচ্ছে । নিজেরা লাঞ্চিত হওয়ার বদলে অন্যকে অন্যকে অনায়েসে লাঞ্চিত করছে, বিভৎস কায়দায় খুন করছে ।
উদাহরণ স্বরূপ বর্তমানের আই.এস । উদাহরণ স্বরূপ বাংলাদেশের বিভিন্ন সর্বহারা, বিপ্লবী, বামদল । এরা পৃথিবীর সব বুঝে, মানুষ ছাড়া । এদের এক দল কথায় কথায় কল্লা চায়, কল্লা ফেলে । আরেক দল বিশ্বাস করে অস্ত্রই সকল ক্ষমতার উৎস, তাদের বইয়ের,নেতার বাইরে অন্য কোন সত্য নেই। দুই দলই বিশ্বাস করে তারাই শ্রেষ্ঠ । আবার এরা দুই দলই গণ মানুষের কথা বললেও মানুষের সাথে এদের সরল সম্পর্ক কম । এদের রাজনিতী ক্যাডার ভিত্তিক । গোপনে বা নিভৃতে এরা কম বয়স্ক মানুষ ধরে ধরে ব্রেণওয়াশ করে। জামাত-সিপিব-বাসদ সব একই । বিভিন্ন সময় দেখা গেছে যে তত্ব, বইয়ের জন্য এরা ডান এবং বাম সে বইকেও তারা অনায়েসে অস্বীকার করে । কোরান ভিত্তিক জীবনের কথা বলেও জামাত আন্দোলন, রাজনিতীর নামে সম্পূর্ণ কোরানের বিপরীত কাজ করে যাচ্ছে । গণ-মানুষের চীন ৭১ সালে রাজনিতীর নামে আমাদের দিকে অস্ত্র তাক করেছিল । পুরাটাই স্বার্থ । আবার বাংলাদেশের এক শ্রেণীর বামতো এখনও জামাত শিবির পোষে । তাদের কাছে মানুষ পোড়ার চেয়েও “গণতন্ত্র” শব্দটা গুরুত্বপূর্ণ।
এরা আসলে কারা? এদের পথ কোথায় বাংলাদেশের কাদা মাটি, ক্ষরা মাটি, পলি মাটি, ধুলো মাটিতে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


