বাংলাদেশের রাজিনিতীতে এবং বিভিন্ন আন্দোলনে এখন প্রচুর পরিমান পারফরমার। এদের ভিতর কেউ কেউ পিতৃপরিচয়ে হঠাৎ এসে স্টার ফারপরমার হয়ে গেছে। কেউ সেলফিতে বাথরুম ছাড়া সকল ধরনের ছবি দেওয়াতে ব্যাস্ততার কারণে আদার বাজারে ইটা পাঠায়, পদ্মা সেতুর বদলে টোকিও ব্রীজ আপলোড করে। আবার কেউ বা বর্তমানের সর্বচ্চ স্থিত অবস্থায় কনুইয়ের জোরে নামকরা ফারফরমার। বিভিন্ন আন্দোলনে,ইস্যুতে ক্যামেরা দেখলেই পাশের বন্ধুর উপর এ পারফরমাররা কনুই এট্যাক চালায়। টিভি ক্যামেরা, মিছিল নাইতো এরা নাই।
খুবই আশংকার বিষয় এই পারফরমাররা বিভিন্ন গুরূত্বপূর্ণ জায়গায় বসছে, বসার চেষ্টা করছে। মঞ্চ আর যুদ্ধক্ষেত্র এক না। ক্যামেরার সামনে সব সময়ই আলোকিত কিন্তু পিছে অন্ধকার।
নির্মানের অল্প দিনের মধ্যেই ব্রীজ/ফ্লাই ওভার ভাঙ্গা, শিক্ষা, আনন প্রভৃতি দৈনন্দিন স্পর্শকাতর খাতে অল্পদূরেই অশনি সংকেতের ভয় হয়। রাষ্ট্রকে খুজতে হবে ফাইটার, পারফরমার নয়। ফাইটারের পারফর্ম করার সময় থাকে না । শুধূমাত্র পারফরমের জোরে যুদ্ধক্ষেত্রে গুরত্বপূর্ণ জায়গায় বসে এরা ভজগট লাগাবে। ঘুষ, দুর্নিতী, অন্যায্য ব্যাবসা-বানিজ্য ইত্যাদি করার সাথে সাথে সবচেয়ে বড় কথা এরা যোদ্ধা নষ্ট করবে, পথ ভ্রষ্ট করবে, বিভ্রান্ত করবে।
সব দেশেই সব সময় “যোদ্ধা” লাগে। যে দেশে স্ট্যান্ডবাই যোদ্ধা যত বেশি যে কোন অবস্থায়ই সেই দেশের সমৃদ্ধি তত বেশি।
আমাদের সমাজে, শিক্ষায়, ভাবনায়, বক্তৃতায় কিছু নিয়মিত, এক ঘেয়ে বাণী আছে। যোদ্ধা তৈরির জন্য সত্যিকার অর্থেই কিছু নেই। বরং এ পারফরমারদের কারণে প্রাকৃতিক ভাবে আসা যোদ্ধারাও বিলীন হচ্ছে, হবে।
সাধু সাবধান..........................
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




