আজ বিশ্ব নারী দিবস। বিশ্বের বহু দেশের সাথে আজ এ দেশেও পালিত হবে। আজ বিশ্ব পুরুষদের এবং পুরুষবাদীদের খুশি হওয়ার দিন। কারণ আজকের দিনটিই শুধূ নারীদের আর ৩৬৪ দিন পুরুষদের- এ দিনে পুরুষরা বার্ষিক প্রমান পায়।
নারীকে পুরুষ থেকে পৃথক করা কেন?? দরকার উভয়ের আত্নিক উন্নয়ন। পহেলা বৈশাখে ২০/২৫ জন পুরুষ নারীকে হেনস্থা করেছে তেমনি আমার যত পরিচিত পুরুষ আছে প্রায় প্রত্যেকে এ ঘটনায় ঘৃণায়, রাগে রি রি করেছে। আবার কয়েক বছর আগের যৌতুকের জন্য গৃহবধূ হত্যার সাথে অনেকাংশে শ্বাশুড়ী, ননদ জড়িত থাকতো।
সমস্যাটা নারী বা পুরুষের না। কিন্তু কর্পেোরেট CSRS, চতুর আন্তর্জাতিক বেনিয়া সভ্যতা ধ্বংসকারী এনজিও গ্রুপ নারী ও পুরুষকে পরষ্পরের শত্রু বানিয়ে দিচ্ছে নারী স্বাধীনতার নামে। এক জন পুরুষও একজন নারীর নাড়ির কাটা ফসল। আমাদের সমাজ ব্যাবস্থায় সন্তান জীবনের বেশির ভাগ বা বেড়ে উঠার সময়টা মায়ের সাথে থাকে। এত দীর্ঘ সময়ে মা-ই বা কেন ছেলে সন্তানকে নারী প্রতি সম্মান দিতে শেখাতে পারেন না??
সত্যিকারের নারীর নিরাপত্তা, সম্মান, স্বাভাবিক অবস্থা সৃষ্টি করতে হলে অবশ্যই একাডেমিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ধর্মীয় শিক্ষার অবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। না হলে ক্রমাগত নারী-পুরুষের শত্রু হবে। বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে আমাদের সমাজ ব্যাবস্থা ধ্বংস হবে, শান্তি, সহনশীলতা নষ্ট হবে। যা এখন দৃশ্যমান।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




