somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চুপকথা : উপন্যাসের খসড়া (পর্ব ১৩)

১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


৯.১

পরের তিনটি দিন কাটে গুহাবাসী সন্ন্যাসীদের মতো নিজের কক্ষে আবদ্ধ থেকে। এই সময়টি আমার নিজের সঙ্গে থাকার দরকার ছিলো। মুণ্ডিত মাথা একটি কারণ বটে, এভাবে আমাকে দেখতে কেউ অভ্যস্ত নয়, এমনকি আমি নিজেও না। প্রকৃতপক্ষে এই অযাচিত অপমান আমার প্রাপ্য ছিলো না, নিষ্ফল ক্রোধ এবং তার প্রতিক্রিয়ায় হতাশার বোধও ইপ্সিত ছিলো না। এইসব অদৃশ্য ক্ষতের পরিচর্যা ও উপশমের জন্যে সময়ের প্রয়োজন হয়। আমার ইতিকর্তব্য স্থির করাও জরুরি তখন।

দুই সীটের কক্ষটিতে রুমমেটের অনুপস্থিতি আমাকে কিছু অস্বস্তি থেকে রক্ষা করে। আমার রুমমেট যশোরের গোলাম মোস্তফা ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতা। শেখ মুজিব নিহত হওয়ার খবর পেয়ে সে নিরাপদ আশ্রয়ে আত্মগোপন করা জরুরি বিবেচনা করে গ্রামের বাড়ি চলে গেছে। জানিয়ে গেছে, কোনোরকম প্রতিরোধ সংগঠিত হওয়ার সংবাদ পেলে সে ফিরে আসবে।

মোস্তফা এবং আমি দু’জনেই এখন আত্মগোপনকারী - দুটি সম্পূর্ণ পৃথক কারণে। সে রাজনীতিসংশ্লিষ্ট এবং তার সমর্থিত দলটি অতর্কিতে ও অপ্রত্যাশিত উপায়ে ক্ষমতা থেকে অপসারিত হয়েছে, তাদের প্রধান নেতা নিহত, অন্য নেতাদের কেউ সামরিক শাসকের মন্ত্রী অথবা পলাতক কিংবা কারাগারে এবং সংগঠনটি ছত্রখান। আপাতত নিরাপদ কোথাও আশ্রয় নেওয়া তার জন্যে যুক্তিসঙ্গত।

রাজনীতিতে আমার প্রকাশ্য ও সক্রিয় কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সাম্যবাদী একটি রাষ্ট্র আমাদের যুদ্ধের একটি লক্ষ্য ছিলো। শেখ মুজিব বা তাঁর দল তা অর্জন করতে সক্ষম হবে, এমন ভরসা কেউ হয়তো করেনি। তবু স্বীকার করতেই হবে, তিনি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নির্মাণ করে দিয়েছিলেন, সমাজতন্ত্র রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ঘোষিত হয়েছিলো, সংবিধানে তার স্বীকৃতি ছিলো। সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা বামপন্থী শক্তিগুলোর। অথচ উপযুক্তভাবে সংগঠিত বামশক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ অতি আপসকামী, বাকিরা অপ্রয়োজনে শক্তিক্ষয় করে - জনমানুষকে সংগঠিত না করেই বিপ্লবের স্বপ্ন দেখে এবং দুর্বোধ্য ও অনুবাদসাপেক্ষ বাংলা ভাষায় তত্ত্ব প্রচার করে। ফলে, রাজনীতিমনস্ক হয়েও আমার তাতে শরিক হওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

তবু আমাকে আক্রান্ত ও অপমানিত হতে হয় প্রকাশ্য দিবালোকে, উন্মুক্ত রাজপথে শত শত মানুষ তা চাক্ষুষ করেছে। জানি, প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ আমার নাম-পরিচয় জানে না, কোনোকালে তাদের কারো সঙ্গে আবার সাক্ষাৎ ঘটলে আমি তাদের চিনবো না, তারাও কেউ আমাকে হয়তো শনাক্ত করতে পারবে না। অথচ এই উপলব্ধিও আমার প্রকাশ্য অপমান ও অবনমনের উপশম বা সান্ত্বনার কারণ হয় না। আমি নিজে এই ক্ষত এবং তার যাবতীয় অনুষঙ্গ উপেক্ষা করি কী করে? আমার মস্তকমুণ্ডন পর্বটি বড়ো বেশি অপমানসূচক হয়েছিলো। মাথার ভেতরে সেই দৃশ্যটি পুনঃ পুনঃ অভিনীত হতে থাকে এবং একসময় আমার চরিত্রটিকে আর আমার নিজের বলে মানতে পারি না। মনে হয়, আমি নই, ওই যুবক অন্য কেউ! এই উপলব্ধিও আমার ঘটে যে রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ না থাকলেও রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পরিবর্তনের আঁচড় সবার গায়েই কমবেশি লাগে। তখন রাষ্ট্রের সীমানায় নিরাপদ কোনো দূরত্ব নেই।

সেদিন সেই দুপুরে প্রবল বিবমিষা, নিষ্ফল ক্রোধ ও হতাশায় বিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম রাস্তার পাশে। প্রৌঢ় রিকশাওয়ালা পায়ে পায়ে এগিয়ে আসে আমার কাছে। ফিস ফিস করে অস্পষ্ট গলায় বলে, অগো লগে বিবাদ কইরা কী করবেন? শ্যাখ সাবের মতন মানুষরে মারছে, অরা মানুষের পয়দা না।

সন্বিত ফেরে। সামান্য কথায় বৃদ্ধ ভয়াবহ একটি সত্যের মুখোমুখি করে দেয় আমাকে। এই বাংলাদেশে শেখ মুজিবকে গুলি করে খুন করা সম্ভব হলে আর কেউ কি নিরাপদ?

ভাড়া দিয়ে বিদায় করতে উদ্যত হলে রিকশাওয়ালা বলে, আপনে চুল কাইটা আসেন, আমি আপনেরে জায়গামতো নামাইয়া দিয়া যামু।

চুল কেমন কাটা হয়েছিলো, দেখিনি। যন্ত্রচালিতের মতো গিয়ে টুলে গিয়ে বসি, একটিও কথা না বলে নিজের মাথাটি জমা দিই, একবারের জন্যেও মুখ তুলি না। আমার অবনত মুখ অপমানের অশ্রুতে ভিজে যাচ্ছিলো। বাধ্যতামূলক চুল কাটানো শেষ হলে নিজের আপাত-অক্ষত অথচ প্রবলভাবে ক্ষতবিক্ষত মস্তকটি ফেরত পেয়ে রিকশায় উঠি। রিকশাওয়ালাকে সূর্যসেনের বদলে জহুরুল হক হলে যেতে বলি। সারা পথ সে অনেক কথা বলে যায়, আমি তার কিছুই শুনি না। নিউ মার্কেটে পরিচিত সেলুনে যাই না, সূর্যসেন হলের চেনা ক্ষৌরকারকে এখনকার চেহারা দেখানোর বাসনা নেই, হলে ঢুকতেও চেনা মুখের সাক্ষাৎ মিলে যাওয়ার আশংকা।

জহুরুল হক হল থেকে মুণ্ডিত মস্তকে বেরিয়ে আসি। বোধবুদ্ধি হওয়ার পর এই প্রথম আমি ন্যাড়া হলাম। আসলে রাষ্ট্রশক্তি আমাকে বাধ্য করে। হায়, আমাদের শাসকদের বুঝি করার মতো আর কোনো কাজ অবশিষ্ট নেই, কার মাথায় কতো বড়ো চুল তা নিয়ে তাদের এখন বেশি মাথা ঘামাতে হয়! এই মাথাগুলিকে বশে আনতে না পারলে যে সর্বনাশ হয়ে যাবে! মনে পড়ে যায়, ৭৪ সালে সর্বশক্তিধারী রক্ষীবাহিনী আবির্ভূত হলে আমাদের ছোটো শহরে তাদের লক্ষ্য করে বিদ্রুপের স্বরে বলা হতো, মাথা রে! কে এবং কেন এই শব্দ দুটি চয়ন করেছিলো জানা যায় না, কিন্তু উদ্দেশ্যটি সিদ্ধ হয়েছিলো - মাথা রে! শুনলেই জলপাই রঙের পোশাকধারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাড়া করে আসতো, তাদের হাতে পড়ে দু’চারজন কিছু মারও খেয়েছিলো মনে আছে।

আমি কাউকে উত্যক্ত করে কিছু বলিনি, রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন বিষয়ে আমার মতামত কিছু নিশ্চয়ই আছে, তা আমি নিজের কাছে গচ্ছিত রেখেছি। কারণ নিকট ইতিহাস জানাচ্ছে, সামরিক শাসন কোনো বিরুদ্ধমত সহ্য করে না, তাই বিস্ময়ে ও ঘটনাবলির আকস্মিকতায় ভয়ানক অনিশ্চিত বোধ করলেও মুখ বন্ধ রাখতে শিখে গিয়েছি। ক্রমাগত সামরিক শাসনের জগদ্দল থেকে উদ্ধার পাওয়ার আকুতি আমাদের ছিলো, প্রাণ ভরে শ্বাস নেওয়ার মতো একটি মুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রাণপণ বাসনা আমাদের যুদ্ধের একটি শর্ত ছিলো। কী ফল হলো? আমার নিরীহ-নির্বিরোধ চুল পর্যন্ত এখন রাষ্ট্রের এখতিয়ারে এবং তা-ও বলপূর্বক আমাকে গলাধঃকরণ করানো হচ্ছে, আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছা সেখানে অবান্তর। মুক্তিযুদ্ধ করে ফেরা একুশ বছরের যুবকের কাছে তা শ্বাসরোধের শামিল।

অফিসার শ্রেণীর সৈনিকপুরুষের উচ্চারিত সেই বাঞ্চোৎ শব্দটি আমার মাথায় বিপুল অগ্নিকাণ্ডের উত্তাপ ছড়ায়। অন্ধ ক্রোধে চারপাশের সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে ফেলতে ইচ্ছে করে। ঘরবন্দী ওই সময়ে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটি উপন্যাস হাতের কাছে পেয়ে পড়ে ফেলি - ঘুণপোকা। উপন্যাসের নায়ক শ্যাম একটি ভালো চাকরি অনায়াসে ছেড়ে দিয়ে অনিশ্চিত জীবনের দিকে যায়, উর্দ্ধতন একজন শ্যামকে বাস্টার্ড বলেছিলো বলে। বাস্টার্ড ও বাঞ্চোৎ - দুটি শব্দই প্রবল অসঙ্গত ও অনৈতিক যৌনতার ইঙ্গিতবাহী। শ্যামের ক্ষেত্রে শব্দটি খানিকটা পরোক্ষ এবং তাকে সেই ক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে সম্বোধন করা হচ্ছে, সেখানে তার কোনো অংশগ্রহণ নেই। কিন্তু আমার বেলায় তা অতি প্রত্যক্ষ, অসহনীয়ভাবে অপমানসূচক ও কৃতকর্মের অভিযোগসম্বলিত।

বইটি আমাকে অপ্রত্যাশিত ও আশ্চর্য এক প্রশান্তি দেয়, সন্ন্যাসীর উদাসীনতায় চারপাশকে দেখতে সাহায্য করে। বস্তুত, আমার কর্তব্যকর্ম নির্ধারিত করে দিয়েছিলো এই ক্ষীণকায় বইটি - আমি দেশত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। বড়ো বেদনায় আমাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই দেশটির জন্যে আমি যুদ্ধ করেছি, জীবন দিতেও প্রস্তুত ছিলাম, যুদ্ধশেষে দেশের মঙ্গল ছাড়া আর কিছু চাইনি। তবু এ দেশে আমার জায়গা হবে না!

আমার গুহাবাসী হয়ে থাকার কালে মুনিয়া নিয়মিত জায়গাগুলোতে সন্ধান না পেয়ে হলে আসে। ওয়েটিং রুম থেকে চিরকুট পাঠায়। চিরকুটের বাহককে বলে দিই জানিয়ে দিতে যে, আমার রুমে তালা দেওয়া। এই সময়ে আমি সিগারেটে আসক্ত হই। আগে দু’একবার টান দিয়েছি, ভালো লাগেনি। বৃদ্ধ সুরুজ মিয়া তখন আমার অভিভাবকের মতো। সুরুজ মিয়া হলের চতুর্থ শ্রেণীভুক্ত কর্মচারী, নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ছাত্রদের ফাই-ফরমাশ খেটে কিছু বাড়তি উপার্জন করে। আমার ময়লা কাপড়-চোপড়, বিছানার চাদর নিজের উদ্যোগে নিয়ে যায় লন্ড্রি করতে, সময়মতো নিয়েও আসে, দরকারমতো ডাইনিং রুম থেকে বা বাইরের কোথাও থেকে টিফিন ক্যারিয়ারে খাবার নিয়ে আসে। আমার ন্যাড়া মাথা দেখে বলে, আপনেরে এই চুল ফালানোর ভূতে পাইলো ক্যান? ভালো দ্যাহায় না মোডে।

সুরুজ মিয়াকে দুপুরের ভাত আনার সময় পাঁচটি ক্যাপস্টান সিগারেট কিনে আনতে বললে সে চোখ কপালে তুলে বলে, ওইসব আপনে খান না, আর খাইতে হইবো না। ঘর থিকাও দেহি বাইর হন না। কী হইছে আপনের?

খুব ঠাণ্ডা গলায় বলি, কিছু হয় নাই, সুরুজ মিয়া। যা কই, তাই শোনেন। সিগারেট আইনেন।

সুরুজ মিয়া কী বোঝে সে-ই জানে, হয়তো অসন্তোষ জানানোর জন্যেই, পাঁচটা নয়, দেশলাইসহ পুরো এক প্যাকেট ক্যাপস্টান এনে রাখে আমার টেবিলে।

তিনদিন পরে ঘর থেকে বেরোলেও বাইরে কোথাও যাই না, হলের চত্বরে একা একা বসে থাকি। কতো কী যে সব উল্টোপাল্টা ভাবনা ভাবি। রাত বেশি হলে রেজিস্ট্রার বিল্ডিং-এর সামনের জনহীন কংক্রিটের রাস্তার ওপরে বসে থাকি, সিগারেট জ্বলে আঙুলের ফাঁকে।

মুনিয়াকে দেখা দিই প্রায় মাসখানেক পরে, ততোদিনে মাথায় চুল কিছু হয়েছে। এখনো চিরুনি না হলেও চলে অবস্থা। মুনিয়া হয়তো তা লক্ষ্য করে না, করলেও উল্লেখ করে না। তার উদ্বেগের জায়গা আলাদা, কী হয়েছিলো তোমার, কোথায় ছিলে?

প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলি, আমি বিদেশে চলে যাচ্ছি।

দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেও তখনো জানি না কোথায় কবে এবং কীভাবে যাচ্ছি। দেশের বাইরে বসবাস করতে যাবো, কোনোদিন ভাবিইনি। তার সুলুক-সন্ধান কিছু জানা নেই। জানতে হবে।

মুনিয়া জিজ্ঞেস করে, হঠাৎ কী হলো?

এমনি, কারণ ছাড়াই। ভালো লাগে না কিছু। থাকলাম তো এই দেশে অনেকদিন, এখন একটু বাইরের পৃথিবী দেখি।

মুনিয়া কী বোঝে কে জানে, চুপ করে যায় সে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছোট গল্পঃ ভ্রম

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩



চোখ বন্ধ করলেই আমি ধোঁয়া দেখি। ঘন, ধূসর ধোঁয়া। যেন কেউ ভেজা কাঠ জ্বালিয়েছে। তার সঙ্গে মিশে থাকে পোড়া কাপড়ের গন্ধ। কখনও মনে হয় প্লাস্টিক, কখনও মনে হয় পুরোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

"তোমরা আমাদের মানুষদের কেন খুন করলে?"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:০১

জাপানের মানুষেরা আজও বুঝতে পারে নাই, কেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এভাবে হত্যা করা হলো। সেই দেশের মুরুব্বীরা এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। আক্ষেপ করেন। আমার বোনের জামাই জাপানে পোস্ট ডক... ...বাকিটুকু পড়ুন

শত্রুর শত্রু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:১৪

উগ্রবাদী আর উদারবাদী, দুটি ইসলামই একই রাজনীতি করে। তাবলীগ জামাতের লোকটি মাঠে এসে বলে মেয়েদের ফুটবল হারাম। তারপর বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে সমর্থন করে রাস্তায় নামে। এই দুটি আচরণ পরস্পরবিরোধী নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×