একটি রাশিয়ান লেখকের লেখা গল্প পড়েছিলাম প্রায় পনের বছর আগে। গল্পটি পড়ে বেশ হেসেছিলামও বটে!! তবে গল্পের সারমর্মটা চরম বাস্তবতা। ভাসা ভাসা যদ্দুর মনে পড়ছে লিখলাম।।
সাইবেরিয়ায় তখন প্রচন্ড শীত!! তাপমাত্রা হিমান্কের নীচে!! পাখিরা সব ঝাঁক বেধে উড়ে গেছে বিশ্বের যেসব উষ্ণতম স্হানে।
কেবল বুড়ো সারসটিই যেতে পারেনি বয়সের ভারে…তাই মাঠের এককোনে গর্ত করে বাসা তৈরী করে কিছু খাদ্য সংরক্ষন করে রেখেছিল শীতটা পাড়ি দিয়ে গ্রীষ্মের অপেক্ষায়।
শীতের শেষের দিকে এসে সারসটির খাদ্য সংকট েদেখা দেয়!! একদিকে কয়েকদিন ধরে অভূক্ততায় শরীরের শক্তি নিঃশেষ হওয়ার মত প্রায়। অবশেষে গর্ত থেকে বের হয়ে কোনরকমে হেটে খাবার জাতীয় কিছু খুজছিল। পার্শেই একটি গরু দাড়িয়ে ঘাস খাচ্ছিল। সারসটি ঠিক গরুটির পিছনে দাড়িয়ে ঠান্ডায় ঠক ঠক করে কাপছিল!! উড়বার কোন শক্তিই পাচ্ছিলনা!! হঠাৎ শরীরের উপর ভারী কোন বস্তুর আঘাত এসে পড়লো!! সারসটি গরুর গোবরের মধ্য শরীরের অর্ধাংশ ডুবে গেল!! সারসটি গরুটিকে গালি দিতে শুরু করে দিল। দুর্বল প্রাণীর উপরেই বুধি সবলদের র্নিমমতা!! তবে সারসটির শরীর কিছুটা উষ্ণ হয়ে গেল গোবরের কিন্ঞ্চিৎ উষ্ণতায়। পাখিটি কিছুটা শক্তি সন্ঞ্চয় করে নিয়ে গোবরের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা করছিল.. হঠাৎ আকাশে তখন উড়ছিল একটি বাজপাখী!! গোবরের মধ্য কোন প্রাণীর অস্তিত্ব টের পেয়ে সোজা ঘাই মেরে নিচে নেমে সারসটিকে ধরে ফেললো!! প্রথমে তাকে গোবর চাপা থেকে উদ্ধার করে দু পায়ের নখ দিয়ে ঘায়েল করে অর্ধমৃত সারসটিকে নিয়ে উড়ে গিয়ে বড় একটি গাছের মগডালে বসে ভক্ষণ শুরু করে দিল। সারসটির প্রাণ চলে গেল!!..
গল্পটি থেকে শিক্ষনীয় অংশ হচ্ছে “গায়ের উপর কেহ মলত্যগ করিলেই সে শত্রূ হয়না!! আর তা থেকে কেহ উদ্ধার করলেই সে বন্ধু হয়ে যায়না…”

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




