তারিখঃ শনিবার, জুলাই ১৪, ২০১২।
অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম ডাইরি লিখা শুরু করব কিন্ত কাজের চাপে শুরু করব করব করে আর করা হল না। আমি সারাদিন বিভিন্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকি যেমনঃ গান শুনা, গেম খেলা, মুভি দেখা ইত্যাদি।
আজ সকালটা শুরু হল কিছু অদ্ভুত ঘটনা দিয়ে। অফিস যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে গিয়ে দেখি আমার গেঞ্জি অনেক বেঁটে হয়ে গেছে। রিতিমত নাভী দেখা যাচ্ছে আমার। এই গেঞ্জি বোধহয় ক্যাটরিনা কায়েফ এর জন্য তৈরি হয়েছিল। উপায় না দেখে গেঞ্জি টেনেটুনে তার উপর আমার অত্তন্ত প্রিয় সাদা শার্টটি পড়ে নিলাম, একটা গুরুত্তপূর্ণ মিটিং আছে আজ। ভাবলাম অফিস যাওয়ার আগে ভাল করে পেট পুজো করে নেই। আমাদের বুয়া খুব ভাল রান্না করে। আজ সে রান্না করতে আসে নাই।
খালি পেটে অফিস গেলাম। অফিসের পাশেই কস্তূরী। রুটি আর খাশির মাংস অর্ডার দিলাম। পেট পুরে খেয়ে ঢেকুর দিয়ে ভাবছিলাম কিভাবে মিটিং এ সবাই কে তাক লাগিয়ে দেয়া যায়। খেয়াল করলাম শার্ট এর এক চতুর্থাংশ ঝোল মাখা। (কোন সন্দেহ নেই, এই ঝোল মাখা সাদা সার্ট দেখে সবাই তাক খেয়ে যাবে)। চাকরি টা বুঝি গেল।
আল্লাহর অশেষ রহমতে মিটিং ক্যন্সেল হল। বস ছুটি নিয়েছেন। বস এর বাচ্চার ডাইরিয়া। আই লাভ ডাইরিয়া। অফিস শেষে কাওরান বাজার গেলাম কিছু কেনাকাটা করতে। অনেক কিছুর মধ্যে একটা লুঙ্গীও ছিল। সবচেয়ে কম দামি লুঙ্গি হল ১৮০ টাকা। কিন্তু দোকানদার আমাকে ৮০ টাকায় একইরকম একটা লুঙ্গি অফার করলেন। অদ্ভুত, সেই লুঙ্গির সব কিছু ঠিকঠাক শুধু লুঙ্গি তে রক্তের গন্ধ। আমি সন্দেহের চোখে দোকানদার কে জিজ্ঞেস করলাম, “রক্তের গন্ধ কেন? এইটা কি সেকেন্ড হ্যন্ড লুঙ্গি? নিশ্চই আপনার ছেলের মসল্মানীর পর আপনি এইটা বিক্রি করে দিচ্ছেন।”
“না, আঙ্কেল এর কোন ছেলে নাই” হাসতে হাসতে উত্তর দিল দোকানদারের ভাতিজা। তার বয়স প্রায় ১০-১২। লুঙ্গিটা বোধহয় তার ছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



