তারিখঃ সোমবার, জুলাই ১৬, ২০১২
খুব ক্লান্ত। ঢাকায় বাস ভ্রমণ আর হাল চাষ একই। ল্যাপটপ নিয়ে বসলাম আজকের গল্প লিখতে। আজ অনেক দিন পর অফিসে সময়মত পৌছলাম। অফিস গিয়ে দেখি মেইন গেটের সামনে বিশাল ভিড়। আমার বস ও কলিগ সবাই তিক্ত মেজাজে দাঁড়িয়ে আছে অফিস গেইটের সামনে। অফিসের পিওন মনির, যে সাকালে অফিসের গেইট খোলার দায়িত্ত পালন করে, আজ আসে নাই। “ইররেস্পন্সিবল বাস্টার্ড” প্রচন্ড গরমে ঘামতে ঘামতে মনিরের উদ্দেশ্যে বললেন আমার বস। বসের সামনে আমরা সাধারানত কথা বলি না, তাই মনে মনে মনিরের উদ্দেশ্যে বললাম “RESPECT BROTHER, THIS IS WICKED!!!..
অগত্তা আরেক কলিগের পাসে বসে গল্প শুরু করলাম। ও গান শুনছে। কাছে গিয়ে বললাম
আমিঃ আমার এমন একটা হেডফোন থাকলে ভাল হত।
রনিঃ কিনে ফেলেন।
আমিঃ কিরকম দাম?
রনিঃ এইটার দাম ১৩০০ টাকা।
আমিঃ কমের মধ্যে নাই? এই যেমন ১০০-১৫০।
রনিঃ তাহলে আপনি এক কাজ করেন, বসুন্ধরা মার্কেটের সামনে ফুতপাথের সামনে গিয়ে বাদাম খান। হাহাহাহা।
আমি কথা আর না বাড়িয়ে মোবাইল ফোনে ফেসবুক ব্রাউজ করা শুরু করলাম। ফেসবুকে দেখি একটা মেসজ এসেছে। এক ভক্ত লিখেছে আমাকে “I’ve been reading your jokes. Keep up the bad work bro. lol”। মেজাজটা বিগড়ে গেল। সামনা সামনি কেউ বললে হয়ত আমি তাকে বিশ্বাস করিয়ে দিতাম যে কৌতুক লিখা একটা কঠিন কাজ।
“হ্যালো মনির!!!” বলে উঠলেন আমাদের বস। ১ ঘণ্টা পর ব্যাটাকে ফোনে পাওয়া গেছে। কথা শেষ করে বস আমার দিকে হেটে এল। এমতাবস্থায় আমার উচিত বসের মেজাজ ঠান্ডা রাখার জন্য তাকে সান্তনা দেওয়া। তাই চট করে কিছু ডাইলগ রেডী করে ফেললাম।
আমিঃ স্যার, ওফিসের গেইটের ১ টা চাবি সবসময় আপনার কাছে থাকলে ভাল হত। মনির কি বলল?
বসঃ মনির বলল চাবি নাকি কালকে বিকালে সে তোমাকে দিয়ে গেছে?
আমার মনে পড়ল ওহ তাই তো, চাবি তো আমার ব্যাগে। অফিসের সবাই কেন জানি আমাকে প্রতিবন্ধী মনে করে। কিন্তু তাদের সবার উদ্দেশ্যে আমি একটা কথা বলতে চাইঃ I am not a retard. It’s just I don’t take quick decisions quickly.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



