তারিখঃ বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১২
আজ এক বন্ধুর বাসায় ইফতার করলাম। ফ্রী খাবার আমার খুব পছন্দ। ছোট বেলা থেকেই আমার এরকম ফ্রীতে বন্ধুদের বাসায় খাওয়ার অভ্যাস। এই পদ্ধতীটা খুবই সহজ। বন্ধুর বাবা মার কাছে বলতে হবে যে আপনি আপনার জীবনে ক্যারিয়ার নিয়ে কতটা সিরিয়াস এবং আপনার বন্ধুকে তার জীবনে উন্নতি করানোর পিছে আপনার কত বড় সৎ ইচ্ছা আছে। এরকম গোটা বিষেক বন্ধু থাকলে আপনি প্রতি দুপরে আরাম করে বিভিন্ন বাড়িতে খেতে পারবেন।
এই ধরনের একটা গল্প আজ আপনাদের বলব। কয়েক বছর আগে আমি আমার ভাল বন্ধু স্বজীবের বাসায় গেলাম। সময় ১ টা ৫৫ মিনিট। তার রুমে যাওয়ার আগে আন্টির কাছে কিছুক্ষন স্বজীবের অগোচরে তার নামে কুৎসা রটনা করলাম। এরপর তার রুমে গেলাম। গল্প করছি স্বজীবের সাথে। আন্টি ঠিক ২.৩০ টার সময় ভাত খেতে ডাকলেন। খাওয়ার টেবিলে যাওয়ার আগে বাথরুমে গেলাম। হাত মুখ ধোওয়ার পর কিছুটা প্রক্রিতির ডাক অনুভব করলাম। আমার পরনে টাইট জিন্স প্যান্ট থাকায় এবং তার বাথরুমে লো কমোড থাকায় আমার জন্য প্রক্রিতির এই ডাকে সাড়া দেওয়া একটু কষ্টসাধ্য হয়ে গেল। কিন্তু এরপর আমার চোখ পড়ল বাথরুমের বেসিনে।
বেসিনটা বেশি উচু না হওয়ায় খুব আরামেই আমার কাজটা সেরে নিলাম। ব্যাপারটা আমি চোখ বুজে খুব এনজয় করছিলাম। কাজ যখন প্রায় শেষের দিকে, খেয়াল করলাম বাথরুমের দরজা ঠিকমত বন্ধ করতে ভুলে গিয়েছিলাম। ঠিক এমন সময় কে যেন দরজার কাছে দাড়াল। সর্বনাশ!!! এখন কেউ দেখে ফেলে যদি!!!
স্বজীবঃ কিরে দরজা বন্ধু করস নাই কেন? ভিতরে ঢুকমু?
আমিঃ হুর ব্যাটা।
স্বজীবঃ আচ্ছা ঢুকলাম না। কিন্তু শোন, বেসিনটা USE করিস না, ঐটার পাইপ ব্লক হইয়া গেছে।
সর্বনাশ!!! এখন কেউ দেখে ফেলে যদি!!! সত্যই সব তরল বর্জ্য বেসিনে রয়ে গেছে।
চিন্তা করতে লাগলাম এখন এগুলো কিভাবে সরানো যায়। বাথরুমে কোন মগ নাই। অনেক খুজে একটা ছোট স্পঞ্জ-ফোম জাতিয় কিছু একটা পেলাম। সেটা দিয়ে অনেক সময় খরচ করে বেসিনটা শূন্য করলাম।
বেরিয়ে খেতে বসলাম স্বজীব আর তার বড়বোন আনিকা আপুর সাথে। খেতে খেতে জিজ্ঞেস করলাম স্বজীবকে,
আমিঃ বাথরুমে স্পঞ্জ-ফোম টাইপের ঐ জিনিস টা কি?
আনিকা আপুঃ উমমম, খাওয়ার সময় এসব কথা বলোস ক্যান???
স্বজীবঃ ঐটা লুফা।
আমিঃ ঐটা দিয়া কি করে?
আনিকা আপুঃ স্বজীব, STOP IT!!!!!!!!!
স্বজীবঃ ঐটা দিয়া গোসল করার সময় গা মাইজ্জা পরিস্কার করে আনিকা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



