তারিখঃ শনিবার, ২৮ জুলাই, ২০১২
একটু আগে একটা ফেসবুক প্রফাইল দেখলাম। একাউন্ট হোল্ডারের নামঃ চাটগাইয়া পোলা। এর টোটাল ৪৩৪ জন সাবস্ক্রাইবার। বাহ! স্ট্রাগলিং কমেডিয়ানের টোটাল সাবস্ক্রাইবার ১৬ জন, আর চাটগাইয়া পোলার সাবস্ক্রাইবার ৪৩৪ জন? তাহলে হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার থাকার কথা শিবলি মাহমুদের।
সকালে ওফিসের লিফ্ টে উঠলাম। পিছন পিছন বস উঠলেন লিফ্ টে। লিফ্ ট বন্ধ হওয়ার সময় দেখলাম একটা মোটা ছেলে দৌড়ে আসছে লিফ্ টের দিকে। “এই এই লিফ্ ট টা ধর।” বললেন আমার বস। আমি ওপেন বাটন চাপতে গিয়ে ভুলে ক্লোজ বাটন চেপে দিয়েছি। ফলে ছেলেটা আর লিফ্ ট ধরতে পারল না। বস বললেন “কি ব্যাপার, কি হল? লিফ্ ট ধরলা না কেন?” আমি অনেক চিন্তা করে দেখলাম যদি বলে যে আমি ভুল করে ক্লোজ বাটন চেপেছি, তাহলে আমার বস আমাকে গাধা ভাববে। তাই বুদ্ধি করে বললাম, “ স্যার! “মোটকু ছেলে সিঁড়ি দিয়ে উঠলে তার কিছু ওজন কমবে। আল্লাহই জানে তার বাপ মা তারে কি খাওয়ায়”। আমার কথা শুনে পাশে দাড়িয়ে থাকা রনি বলল, “ঐটা স্যারের ছেলে”
স্যারের ছেলেটা অবশ্য অনেক কিউট। মোটকুর গাল ধরে আদর করতে ভালই লাগে। সে দিন ফেসবুকে আমার বন্ধু মঞ্জুর খুব সুন্দর একটা বিষয় লিখেছে, “গরিবদের বাচ্চাদের গাল ধরে আদর করার সময় আমরা কি বলি? উত্তরঃ ওলে ওলে ওলে। বড় লোকদের বাচ্চাদের আদর করার সময় কি বলা উচিত? উত্তরঃ গুচি গুচি গুচি।“
মোটকুর বাবা যখন পাশের রুমে আমাদের ডিরেক্টরের সাথে মিটিংএ ছিলেন তখন তার সাথে অনেক্ষন কথা বললাম,
মোটকুঃ আঙ্কেল আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
আমিঃ করো আঙ্কেল।
মোটকুঃ আপনি এত কালো কেন?
আমিঃ আমার জন্মের সময় কারেন্ট চলে গেছিল। খুশি?
মোটকুঃ আপনি নাকি একটা গান্ডু?
আমিঃ কে বলছে?
মোটকুঃ আব্বু।
আমিঃ মিথ্যা কথা।
মোটকু চিৎকার করে বলে উঠলঃ “আব্বু তুমি না বলছো এই ইমতিয়াজ আঙ্কেল একটা গান্ডু?”
নোটঃ ইমতিয়াজ স্যার আমাদের ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



