
সেইতো নথ খসালি , তবে কেনো পেট্ট্রল বোমায় এত মানুষ খুন করলি?
গুলশান ২-এর ৭৯ নম্বর রোডে কি কোন মাফিয়া নেত্রির বসবাস আছে নাকি!আজকে সেই বাড়িটিতে প্রবেশ করলেন পেট্ট্রোল বোমার জননী খালেদা জিয়া।ইতিহাসে তার নামটি পেট্ট্রল বোমার কারনে স্বরনিয় হয়ে থাকবে।কথিত আছে এই নেত্রীর সুযোগ্য পুত্র মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সাথে নাকি ভালো সখ্যতা আছে।সেই সুত্রেই হয়তো নিশ্চয়তা পেয়েছে বাংলাদেশের ভবিষ্যত মাফিয়া ডন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার।
গত ৬ই জানুয়ারি থেকে পেট্ট্রোল বোমার যে মহোৎসব শুরু হয়েছিলো ।আজকে কি তথাকথিত দেশনেত্রীর বাসভবনে প্রবেশের মাধ্যমে তার আপাতঃ অবসান ঘটলো ।নাকি আরো কোন গভির চক্রান্ত দানা বাধছে এর অন্তরালে।
আজকে খবরে একটি খুব ভয়াবহ সংবাদ অবগত হয়ে আমি খুব ভীতির মধ্যে আছি।বর্তমান সরকারের উন্নয়নকে ম্লান করে দেওয়ার জন্য নাকি জামাত শিবির ও ছাত্রদল সহ তথাকথিত ২০ দলের নেতা কর্মিরা নতুন মিশন হাতে নিয়েছে।দেশের গুরুত্বপুর্ণ বিদ্যুত স্থাপনা গুলোতে নাকি তারা হামলা করবে।এই কাজে স্যাবোটাজ করার জন্য বিএনপি/জামাতের প্রতি অনুগত কর্মকর্তা কর্মচারিদের সহযোগিতা নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।এই ডিপার্টমেন্টেই সব চাইতে বেশি লোক নিয়োগ রয়েছে বি,এন,পি /জামাতের।এই কারনেই আমি খুব বেশি সংকিত।
আশা করি সরকার এই দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখবে।আমরা মানুষ হত্যার মত জঘণ্য কাজকে যেমন ঘৃণা করি।ঠিক তেমনি দেশের ধ্বংস করার কাজকেও অনুরুপ ঘৃণা করি।কাজেই এখানে যেনো পেট্ট্রোল বোমার ব্যাবহার না দেখতে হয়।সরকারের কাছে বিশেষ অনুরোধ থাকবে অযথা কাউকে হয়রানি না করে অপরাধীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স যেনো সত্যিকার অর্থেই প্রয়োগ করা হয়।বিন্দুমাত্র শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়।সাধারণ মানুষের টাকায় চলে সরকার কাজেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অবশ্য কর্তব্য সরকারের।সরকারের ব্যার্থতায় অনেক নিরিহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এই পর্যন্ত।আর কোন জান মালের ক্ষতি আমরা চাইনা।তাই ক্ষমতার নিশ্চয়তা নয় মানুষের জিবনের নিশ্চয়তা দিন।তারাই তাদের প্রয়োজনে আপনাদেরকে বার বার দেশের দায়িত্ব তুলে দিবে আপনাদের হাতে।
বি,এন,পি নামক দলটির কাছে আমাদের কোন প্রত্যাশা নেই।কারন এই দলটি এখন জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যাস্ত।জামাত যেভাবে পরিচালিত করছে আন্দোলনকে তারা সেই পথেই হাটছে।তাদের অস্তিত্য বিলিন হয়ে গেছে যুদ্ধাপরাধী দলটির মাঝে।খালেদা জিয়া এখন জামাতের বি,এন,পি নামক শাখার মহিলা আমির ছাড়া কিছুই নয়।কাজেই তার কাছে আমাদের কোন চাওয়া নেই।আমরা চাইবো তার ঐ জেলখানা সমতুল্য বাড়িতে তিনি তার মত নিরাপদ থাকুন।জনগণের নেত্রীর কোন বাড়ি কাঁটা তার দিয়ে ঘেরাও করা থাকতে পারেনা।সেটা থাকতে পারে জঙ্গীনেত্রী অথবা মাফিয়া ডনের জননীর বাড়িতেই।
আশা করি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সাধারণ মানুষ খালেদা জিয়ার আন্দোলনের সঠিক জবাব দিবে।বাংলার মানুষ ভুল করলে তা আবার সংশোধনও করতে জানে।প্রত্যাশা রইলো সত্য ও সুন্দরের পক্ষেই থাকবে সাধারন জনগণ।কারন দিন শেষে দেশটা আমাদেরই।২য় কোন হোম কান্ট্রি নেই আমাদের।মরি আর বাচি এই দেশটা আমাদের, আমাদেরকে এখানেই থাকতে হবে।লড়াই সংগ্রাম করে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৮:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




