
যে রাষ্ট্রপতি কামারুজ্জামানের মত কুখ্যাত আল-বদর সর্দারকে ক্ষমা করতে পারে সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারেনা।শুধু পাকিস্তান নামক জাহান্নামের কোন রাষ্ট্রপতি হাসতে হাসতে এই কাজটি করতে পারে। অবাক হয়ে ভাবছি ,এই অপশনটা কিভাবে পেতে পারে ৭১-এর কুখ্যাত খুনিরা !তাহোলে সাধারণ খুনিদের দোষ দিয়ে আর লাভ কি ?আমরা সেই আদিম যুগে ফিরে গেলেইতো পারি।বাংলাদেশে সবাইকে অস্র ক্যারি করার অনুমতি দিয়ে দেওয়া হোক ।যার যার নিরাপত্তার ব্যাবস্থা সে নিজেই করবে।অস্রের জোড়েই কায়েম হয়ে যাবে জামাত/বি,এন,পি-র গণতন্ত্র।মানবতার খুন করেছে যারা তাদের জন্য মানবাধিকার দাবি করার চাইতে বড় প্রহসন আর কি হতে পারে এই পৃথিবীতে!
যে কামারুজ্জামান একটি পল্লি গ্রামের নাম পাল্টে দিয়েছে ,তার প্রতি কোন সে মানব দরদী আছে যে ক্ষমা করে দিবে? তাহলে কি বিধবা পল্লীর ইতিহাস ভুলে যাবো আমরা!নাকি আমরা সবাই মিথ্যা কথা বলছি।একমাত্র কামারু আর তার কুপুত্র ওয়ামি সত্যি কথা বলছে?
৭১-এর এই কুখ্যাত জল্লাদরা নিরপরাধ নিরস্র মানুষকে হত্যা করেছে।এরা যুদ্ধের ময়দানে যাওয়ার সাহসটুকু পর্যন্ত দেখাতে পারেনি ।এতটাই কাপুরুষ ছিলো এই নরকের জঘন্য কিটগুলো।এরা এতদিন বিচার হিনতার সুযোগ নিয়ে বাংলার আকাঁশে বাতাসে বিষবাস্প ছড়িয়েছে।আর জন্ম দিয়েছে নব প্রজন্মের বরাহ শাবক।যারা এদের হয়ে বর্তমান আধুনি প্রযুক্তি ব্যাবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে অনবরত।আরো একটি মুহুর্ত এদেরকে বাচিয়ে রাখার অর্থ হোচ্ছে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ সৃস্টি করা।কাজেই আর সময় ক্ষেপন করার কোন অর্থ হয়না।ফাঁসি কার্যকর করে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেওয়া হোক নর-পিশাচদের।(ফিনারে জাহান্নামা খালেদিন)অগ্রিম জাহান্নাম কামনা করে রাখলাম এই ঘাতকদের জন্য।
এই বিষধর কিটগুলোর সাথে আর একদিনও যাতে বসবাস করতে না হয় ।বাঘের সাথেও বসবাস করা যায় কিন্তু এই নরকের কিটগুলোর কোন বিশ্বাস নেই।সুযোগ পেলেই ছোবল মারার জন্য শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে।আর আমাদের সুন্দর দেশটাকে অসুন্দর করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে।ভন্ডামি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করায় শতভাগ পারদর্শি এই কুলাঙ্গারেরা।বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে এই আবর্জনা পরিস্কার করতেই হবে।এদেরকে নিয়ে পথ চলার অর্থ হোচ্ছে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া।ভুলে গেলে চলবেনা জেলখানায় বসেও এরা চক্রান্ত করেই যাচ্ছে।এই সেই কামারু জেলে বসেও জামাতের জন্য কাজ করে যায়।চিঠি লিখে দল পরিচালনা্য অবদান রাখতে খুবই পটু।সাংবাদিক,খেলোয়ার তৈরির পরিকল্পনা এই কুখ্যাত খুনির এদেরকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঢুকিয়ে জামাতের আদর্শ প্রতিষ্ঠাই ছিলো মুল লক্ষ।সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে জামাতের ভুত ঢুকিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে এই কুলাঙ্গাররা।এই মূহুর্তে এর যবনিকা টানতে হবে।
জয় হোক মেহনতি জনতার।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ১২:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




