somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের সংবাদের তিব্র প্রতিবাদ জানানো আবশ্যক,কোন রাজনৈতিক দলের নেতা কিংবা ইসলামিক স্কলার নয় খাটি কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধিদের বিচার করছে বর্তমান সরকার.।।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ সরকারের তিব্র প্রতিবাদ লিপি পাঠানো উচিত ।যখন কোন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকর করার পর তাদেরকে ধর্মিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়।এই প্রোপাগান্ডার কারন কি..?জাজমেন্টের মেরিট নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলতে পারেনি কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা।অথচ কুটকৌশলে তাদের প্রতি সহানিভুতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।বিচারের বিষয়ে ৭১-এর কথা একবারও উচ্চারণ করেনা কোন আন্তর্জাতিক নিউজ সংস্থা।ইসলামিক নেতা হিসেবে এদেরকে উপস্থাপিত করার অর্থ ইসলামকে হেয় করা।শুধু তাই নয় এরা ইসলামের অপব্যাবহার করা ছাড়া আর কিছুই করে নাই ইসলামের জন্য।অথচ এদেরকেই বলা হোচ্ছে ইসলামিক দলের নেতা।তাও আবার বাংলাদেশের প্রধান ইসলামিক দল হিসেবে।
৭১-এ কোথায় ছিলো এসকল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও আন্তর্জাতিক নিউজ সংস্থা গুলো!২০১৫সালেও তারা সেই আদিম যুগের নিতী অনুসরনের কারন কি।যেখানে বাটন টিপলেই জানা যায় সত্য ও আসল কাহিনি ও ইতিহাস।আমাদেরকে দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দেওয়া উচিত ৪৪ বছর পরে হোলেও আমরা যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে সক্ষম।আমরা কোন দেশের উপর নির্ভরশিল নই।বিশ্বটা এখন সকলের জন্যই উন্মুক্ত।আশা করি সরকার তার এম্বেসির মাধ্যমে সংস্লিষ্ট দেশের সংস্থা গুলোকে জানিয়ে দেওয়া দরকার আমরা কোন ইসলামিক কিংবা রাজনৈতিক নেতার বিচার করছিনা।আমরা সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার করছি এবং তাদের প্রাপ্য সাস্তী নিশ্চিত করছি।এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সত্যিকারের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা হোচ্ছে।আল-জাজিরা সহ সকল আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার মিথ্যা প্রোপাগান্ডার সঠিক জবাব দিয়ে চপেটাঘাত করার সময় চলে এসেছে।বিগত ৪০ বছরে এই যুদ্ধাপরাধীরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালি দৈত্যে পরিনত হয়েছে।তাই তারা লক্ষকোটি ডলারের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সহানুভুতি কিনে নিচ্ছে।
সাদ্দাম,গাদ্দাফি কিংবা লাদেনকে হত্যা করার সময় মানবাধিকার লংগিত হয়না ।অথচ স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাদের মোল্লা বা কামারুজ্জামানের ফাঁসিতে মানবিধিকার ধূলায় লুটিয়ে পড়ে।এতেই প্রতিয়মান হয় টাকার কাছে বিক্রয় হয় পশ্চিমের মানবতা।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:০০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×