বাংলাদেশ সরকারের তিব্র প্রতিবাদ লিপি পাঠানো উচিত ।যখন কোন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকর করার পর তাদেরকে ধর্মিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়।এই প্রোপাগান্ডার কারন কি..?জাজমেন্টের মেরিট নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলতে পারেনি কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা।অথচ কুটকৌশলে তাদের প্রতি সহানিভুতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।বিচারের বিষয়ে ৭১-এর কথা একবারও উচ্চারণ করেনা কোন আন্তর্জাতিক নিউজ সংস্থা।ইসলামিক নেতা হিসেবে এদেরকে উপস্থাপিত করার অর্থ ইসলামকে হেয় করা।শুধু তাই নয় এরা ইসলামের অপব্যাবহার করা ছাড়া আর কিছুই করে নাই ইসলামের জন্য।অথচ এদেরকেই বলা হোচ্ছে ইসলামিক দলের নেতা।তাও আবার বাংলাদেশের প্রধান ইসলামিক দল হিসেবে।
৭১-এ কোথায় ছিলো এসকল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও আন্তর্জাতিক নিউজ সংস্থা গুলো!২০১৫সালেও তারা সেই আদিম যুগের নিতী অনুসরনের কারন কি।যেখানে বাটন টিপলেই জানা যায় সত্য ও আসল কাহিনি ও ইতিহাস।আমাদেরকে দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দেওয়া উচিত ৪৪ বছর পরে হোলেও আমরা যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে সক্ষম।আমরা কোন দেশের উপর নির্ভরশিল নই।বিশ্বটা এখন সকলের জন্যই উন্মুক্ত।আশা করি সরকার তার এম্বেসির মাধ্যমে সংস্লিষ্ট দেশের সংস্থা গুলোকে জানিয়ে দেওয়া দরকার আমরা কোন ইসলামিক কিংবা রাজনৈতিক নেতার বিচার করছিনা।আমরা সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার করছি এবং তাদের প্রাপ্য সাস্তী নিশ্চিত করছি।এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সত্যিকারের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা হোচ্ছে।আল-জাজিরা সহ সকল আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার মিথ্যা প্রোপাগান্ডার সঠিক জবাব দিয়ে চপেটাঘাত করার সময় চলে এসেছে।বিগত ৪০ বছরে এই যুদ্ধাপরাধীরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালি দৈত্যে পরিনত হয়েছে।তাই তারা লক্ষকোটি ডলারের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সহানুভুতি কিনে নিচ্ছে।
সাদ্দাম,গাদ্দাফি কিংবা লাদেনকে হত্যা করার সময় মানবাধিকার লংগিত হয়না ।অথচ স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাদের মোল্লা বা কামারুজ্জামানের ফাঁসিতে মানবিধিকার ধূলায় লুটিয়ে পড়ে।এতেই প্রতিয়মান হয় টাকার কাছে বিক্রয় হয় পশ্চিমের মানবতা।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




