
পাকঅন্তপ্রান বেগম জিয়ার উচিত হয়নি জামাত/শিবিরের ভাই-ব্রাদারদের নিয়ে শহীদ মিনারে গমন।এই শহীদেরা কিন্তু সেই ৩০ লক্ষের হিসেবের বাইরে নয় মোহতারেমা খা.জিয়া।জেনারেল জানজুয়ার মৃত্যুতে যে শোকবার্তা প্রেরন করেন সেই একই অনুভুতি আমরা আমাদের শহীদদের জন্য কামনা করিনা।একের পর এক অবমাননা অব্যাহত রেখে শ্রদ্ধা জানানোর নাটকটা না করলেই পারতেন ।শহীদ বেদিতে জুতা পায়ে দিয়ে উঠতে পারে একমাত্র পাকসার জমিন সাদবাদ পায়েন্দাবাদের সৈনিকরা।
যাদের রক্তের বিনিময়ে আপনি ও আপনার স্বামি এই দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন বার বার তাদেরকে অপমান না করলেও পারতেন।২০১৫সালে আপনার না যাওয়াটা সঠিক ছিলো সেটার প্রমাণ আপনি দিয়েছেন ২০১৪ সালে।সেই না যাওয়াটা অব্যাহত রাখলেই ভালো করতেন।আমরা জানি শহীদ ও তার পরিবারের সদস্যদের অপমান করে আপনি বিকৃত আনন্দ লাভ করেন।যদি সম্ভব হতো হয়ত পৈশাচিক নৃত্যও আমরা দেখতে পেতাম আপনার অনুসারিদের মিছিলে।কিন্তু আবারো ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সাতেই এটুকু সংবরন করে রেখেছেন।ক্ষমতা লিপ্সু হয়েছেন আপনি উত্তরাধিকার সুত্রেই।সেনাবাহিনির একজন ডেপুটির কখনই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার কথা ছিলোনা।তেমনি একজন অষ্টম শ্রেনির শিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশের ১৫কোটি মানুষকে নেতৃত্ব দিবে আমরা স্বপ্নেও ভাবি নাই।অথচ কি অবলিলায় তা ঘটে গেছে শহীদের রক্তে রন্জিত এই বাংলার মাটিতে।৭৫-এর পর থেকে এই দেশটাকে ৯৬ পর্যন্ত পুরো পাকিস্তান বানানোর অনেক চেষ্টা আপনারা করছেন।কারন আপনারা জানেন সেটা করতে পারলেই আপনাদের ক্ষমতার ভিত পাকাপোক্ত হবে।কিন্তু ভুলে গিয়েছিলেন যে এই দেশে ৩০লক্ষেরও অধিক শহীদের রক্ত মুছে যায়নি।বাংলা মায়ের বুকের গভীরে লাল রক্তের বিনিময়ে গ্রোথিত হয়ে আছে শহীদদের শেকড়।সেই শেকড় উপড়ে ফেলে এমন সাধ্য আছে কার!২১ নয় আরো ৪২ বছরও যদি জগদ্দল পাথরের মত আমাদের বুকের উপর চেপে বসে থাকতেন তবুও মুছে ফেলতে পারতেননা আমদের মত উত্তরাধিকারিদের দাবি।আমরা এই মশাল দিয়ে যাবো আমাদের পরবর্তি প্রজন্মের কাছে ।যাতে আপনাদের কোন চেষ্টাই ফলপ্রসু না হয় বাংলার মাটিতে।বাংলাদেশের মাটির সাথে আমদের যে সম্পর্ক তা আপনি উপলব্দিও করতে পারবেননা আর ইহ-জনমে।যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে আমাদের একান্ত আপনজন সেই মাটির অবমাননা কিভাবে সইবো বলেন।আবারো যদি কখনও মাতৃভুমির প্রয়োজনে বুকের রক্ত ঢেলে দিতে হয় আমাদেরকেই দেখবেন ।
শহীদদের আত্মদান শুধু সংখ্যায় নিহিত নেই এখন।এটা মিশে আছে প্রজন্মের রক্ত কনিকায়।আপনার মত যারাই আমাদের বেদনা ও শোক নিয়ে উপহাস বা খেলা করতে চাইবেন তারা নিজেরাই নিক্ষিপ্ত হবেন আবর্জনার স্তুপে।রক্ত যখন দিতে শিখেছি আরো রক্ত দিবো এই জন্মভুমির তরে কিন্তু কোন অপমান আর সইবোনা।শরিরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপনাদের প্রতিরোধ করবো আমরা ।অশ্রু নয় চোখের অগ্নি দিয়ে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিবো আপনাদের সকল ভবন ও মহল।কাজেই আমাদের অনুভুতি নিয়ে না খেলাটাই হবে আপনাদের জন্য মঙ্গলজনক।যত তিব্র হবে আপনাদের আঘাত তার চাইতে শতগুন বেশি প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে আপনাদের।এই দেশের প্রতিটি গাছ গাছালি, পাহাড়, নদী, সাগরের প্রতি যতটুকু অধিকার আমাদের তা থেকে কেউ বন্চিত করতে পারবেনা ।৭১ -এ হায়েনারা পারে নাই ৭৫-এর পরের জারজরা পারে নাই এখনও পারেন নাই ভবিষ্যতেও কেউ পারবেনা......না,না, না।
বারো ভাষায় ২১শের সেই বিখ্যাত গান-
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



