somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

৩০ লক্ষের হিসেব চাওয়া কারো জন্য আমাদের শহীদ দিবস নয়।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পাকঅন্তপ্রান বেগম জিয়ার উচিত হয়নি জামাত/শিবিরের ভাই-ব্রাদারদের নিয়ে শহীদ মিনারে গমন।এই শহীদেরা কিন্তু সেই ৩০ লক্ষের হিসেবের বাইরে নয় মোহতারেমা খা.জিয়া।জেনারেল জানজুয়ার মৃত্যুতে যে শোকবার্তা প্রেরন করেন সেই একই অনুভুতি আমরা আমাদের শহীদদের জন্য কামনা করিনা।একের পর এক অবমাননা অব্যাহত রেখে শ্রদ্ধা জানানোর নাটকটা না করলেই পারতেন ।শহীদ বেদিতে জুতা পায়ে দিয়ে উঠতে পারে একমাত্র পাকসার জমিন সাদবাদ পায়েন্দাবাদের সৈনিকরা।

যাদের রক্তের বিনিময়ে আপনি ও আপনার স্বামি এই দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন বার বার তাদেরকে অপমান না করলেও পারতেন।২০১৫সালে আপনার না যাওয়াটা সঠিক ছিলো সেটার প্রমাণ আপনি দিয়েছেন ২০১৪ সালে।সেই না যাওয়াটা অব্যাহত রাখলেই ভালো করতেন।আমরা জানি শহীদ ও তার পরিবারের সদস্যদের অপমান করে আপনি বিকৃত আনন্দ লাভ করেন।যদি সম্ভব হতো হয়ত পৈশাচিক নৃত্যও আমরা দেখতে পেতাম আপনার অনুসারিদের মিছিলে।কিন্তু আবারো ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সাতেই এটুকু সংবরন করে রেখেছেন।ক্ষমতা লিপ্সু হয়েছেন আপনি উত্তরাধিকার সুত্রেই।সেনাবাহিনির একজন ডেপুটির কখনই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার কথা ছিলোনা।তেমনি একজন অষ্টম শ্রেনির শিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশের ১৫কোটি মানুষকে নেতৃত্ব দিবে আমরা স্বপ্নেও ভাবি নাই।অথচ কি অবলিলায় তা ঘটে গেছে শহীদের রক্তে রন্জিত এই বাংলার মাটিতে।৭৫-এর পর থেকে এই দেশটাকে ৯৬ পর্যন্ত পুরো পাকিস্তান বানানোর অনেক চেষ্টা আপনারা করছেন।কারন আপনারা জানেন সেটা করতে পারলেই আপনাদের ক্ষমতার ভিত পাকাপোক্ত হবে।কিন্তু ভুলে গিয়েছিলেন যে এই দেশে ৩০লক্ষেরও অধিক শহীদের রক্ত মুছে যায়নি।বাংলা মায়ের বুকের গভীরে লাল রক্তের বিনিময়ে গ্রোথিত হয়ে আছে শহীদদের শেকড়।সেই শেকড় উপড়ে ফেলে এমন সাধ্য আছে কার!২১ নয় আরো ৪২ বছরও যদি জগদ্দল পাথরের মত আমাদের বুকের উপর চেপে বসে থাকতেন তবুও মুছে ফেলতে পারতেননা আমদের মত উত্তরাধিকারিদের দাবি।আমরা এই মশাল দিয়ে যাবো আমাদের পরবর্তি প্রজন্মের কাছে ।যাতে আপনাদের কোন চেষ্টাই ফলপ্রসু না হয় বাংলার মাটিতে।বাংলাদেশের মাটির সাথে আমদের যে সম্পর্ক তা আপনি উপলব্দিও করতে পারবেননা আর ইহ-জনমে।যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে আমাদের একান্ত আপনজন সেই মাটির অবমাননা কিভাবে সইবো বলেন।আবারো যদি কখনও মাতৃভুমির প্রয়োজনে বুকের রক্ত ঢেলে দিতে হয় আমাদেরকেই দেখবেন ।

শহীদদের আত্মদান শুধু সংখ্যায় নিহিত নেই এখন।এটা মিশে আছে প্রজন্মের রক্ত কনিকায়।আপনার মত যারাই আমাদের বেদনা ও শোক নিয়ে উপহাস বা খেলা করতে চাইবেন তারা নিজেরাই নিক্ষিপ্ত হবেন আবর্জনার স্তুপে।রক্ত যখন দিতে শিখেছি আরো রক্ত দিবো এই জন্মভুমির তরে কিন্তু কোন অপমান আর সইবোনা।শরিরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপনাদের প্রতিরোধ করবো আমরা ।অশ্রু নয় চোখের অগ্নি দিয়ে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিবো আপনাদের সকল ভবন ও মহল।কাজেই আমাদের অনুভুতি নিয়ে না খেলাটাই হবে আপনাদের জন্য মঙ্গলজনক।যত তিব্র হবে আপনাদের আঘাত তার চাইতে শতগুন বেশি প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে আপনাদের।এই দেশের প্রতিটি গাছ গাছালি, পাহাড়, নদী, সাগরের প্রতি যতটুকু অধিকার আমাদের তা থেকে কেউ বন্চিত করতে পারবেনা ।৭১ -এ হায়েনারা পারে নাই ৭৫-এর পরের জারজরা পারে নাই এখনও পারেন নাই ভবিষ্যতেও কেউ পারবেনা......না,না, না।

বারো ভাষায় ২১শের সেই বিখ্যাত গান-


সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×