
বি,এন,পি নেত্রী খালেদা জিয়া কি ইনডেমিনিটি চাচ্ছেন ? যদি তা না হয় তাহোলে তার দলের নেতা-কর্মিরা লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে কেনো আক্রমন চালালেন?নাকি তারা যে একটি জঙ্গী দলে পরিনত হয়েছে সেটুকু প্রমান করার জন্য আজকের এই হামলা।কানাডার কোর্টে তারা একবার সন্ত্রাসী দল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে,এখন যদি লন্ডনেও তার পুনরাবৃতি ঘটে তাহোলে তাদের দলের ২য় নেতা তারেক জিয়ার কি পরিণতি হোতে পারে তা-কি ভেবে দেখেছেন?বাংলাদেশের অপমাণ যে তাদের কাছে কিছুই নয় সেটা বার বার প্রমাণ করে দিয়েছেন।দেশ ও জাতি নয় তাদের রাজনিতিটা হোচ্ছে জিয়া পরিবার ও কতিপয় দূর্ণিতীবাজকে রক্ষা করার অপরাজনিতী।
লন্ডনে বাংলাদেশ দুতাবাস আক্রমণের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশে সরকার সঠিক কাজটিই করেছেন ।অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে।
১৯৯২ সালে সৌদি থেকে পাওয়া এতিম তহবিলের টাকা তছরুপ করার দূর্ণিতীর যে মামলার রায় আজকে হোতে চলেছে তা দীর্ঘ ১০ বছর চলার পর আজকে কেনো এত অস্থিরতা।মামলার প্রতিটি ধাপের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছেন খালেদা জিয়া।সাধারণ ১জন নাগরিক যে সকল সুবিধা পেতোনা সেরকম সুযোগও তাকে দেওয়া হয়েছে আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য।একান্তই যদি তিনি বাংলাদেশের আইন কানুন মেনে চলতে না চান তাহোলে আদালতে গেলেন কেনো!বিশৃংখলা সৃষ্টি করেই যদি তিনি অব্যাহতি পেতে চান এই মামলা থেকে তাহোলে কেনো তিনি আদালতের এতটা মূল্যবান সময় নষ্ট করলেন?এই সময়কে কাজে লাগিয়ে অন্য অনেক মামলার পরিসমাপ্তী ঘটতো।
তার পক্ষে বাংলাদেশের প্রতিথযষা অনেক আইনজিবি লড়াই করেছেন,তার দলের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ি এই মামলাটি নাকি মিথ্যা মামলা ।এটা প্রমাণ করার কোন যুক্তিই নাকি নাই।যদি তাই হয় তাহোলেতো তার খুশি হওয়ার কথা ১টি মিথ্যা মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সাস্তী দেওয়া যাবে এটা কোন মূর্খও বিশ্বাস করবে কি! তাদের ভাষ্য অনুযায়ি ৩বারের নির্বাচিত ১জন প্রধানমন্ত্রিকে যদি মিথ্যা মামলা দিয়ে সাস্তী দেওয়া যায় তাহোলেতো পরবর্তিতে বি,এন,পি ক্ষমতায় আরোহণ করলে এই নজির দিয়েতো প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধেও কাজে লাগানো যাবে।পক্ষান্তরে তাদেরই লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পারিতেছি আমি।শধু তাই নয় এটা দেখিয়ে ভোটের ময়দানেও ফায়দা লুটতে পারবে বি,এন,পি।যা আমরা দেখেছি এরশাদের বেলায়।মানুষ সহানুভুতিশীল হয়ে গণজোয়ারও উঠতে পারে তাদের পক্ষে।আর জনগণের শক্তিকে উপেক্ষা করার সাধ্য পৃথিবিতে কারো নেই বলেই আমার বিশ্বাস।
আমারতো মনে হয় বি,এন,পি ভালো করেই জানে এই মামলায় তাদের নিশ্চিত পরাজয় ঘটবে।আর সেই আতংকেই এরকম উদভ্রান্তের মত আচরণ করছে দলের প্রতিটি নেতা কর্মিরা।বিশেষ করে তার আইনজিবিরা সহ দলের সকল আইনজিবিই উল্টা-পাল্টা বক্তব্য দিয়ে চলেছেন?সকলের কাছে প্রশ্ন করে এটুকুই জানা গেলোনা জিয়ার নামে এতিমখানাটির অবস্থান কোথায়! যা হওয়ার কথা ছিলো ১৯৯৩ সালে তার অস্তিত্য খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা অদ্যাবদি-শুভংকরের ফাঁকিটা এখানেই এসে হোচট খাচ্ছে।যুক্তি না দেখিয়ে কুযুক্তিতে বুঝাতে চাচ্ছে টাকাটা লোপাট না হয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।আমি যদি বলি এর চাইতে বেশি লাভ হোতো যে কাজে টাকাগুলো এসেছিলো সেই কাজে ব্যায় হোলে।সেটাকে কি মিথ্যা প্রমাণ করতে পারবেন?
বি,এন,পির সমর্থকদের কাছে আমার প্রশ্ন -১/সলিমূল হক ২/সাইদ আহম্মেদ/৩/সরফুদ্দিন আহম্মেদ ৪/রিয়াজ আহম্মেদ এরা করা ?এরাতো জিয়া ট্রষ্টি বোর্ডের কোন সদস্য না তাহোলে এদের একাউন্টে গেলো কি করে টাকাগুলো?আর টাকাগুলো কোন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে আসলো তার সদুত্তর পেলেই চলবে।নিশ্চই টাকাগুলো হেটে চলে আসেনি বা যায়নি কারো একাউন্টে?
লন্ডনে -কাওসার আহম্মেদ ও এম,এ মালেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাস আক্রমন করা হয়েছে।লন্ডন পুলিশ শাহিন নামের একজন সহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে।বি,এন,পি কি তাহোলে জঙ্গীদের দলে পরিনত হোতে চলেছে।আদৌ কি বি,এন,পি নামক দলটি কখনও রাজনিতী করেছে নাকি চক্রান্তের বাঁকা পথটাই তাদের আসল পথ?
সমস্ত পৃথিবির মানুষ দেখছে পৃথিবীর কোথায় কি ঘটছে ।এক মূহুর্তেই বিশ্বের এক প্রান্তের সংবাদ আরেক প্রান্তে পৌছে যাচ্ছে।যেনো-তেনো প্রকারে বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে কাউকেই সাস্তী দেওয়া সম্ভব নয় এই শতাব্দিতে।কাজেই ধানাই পানাই করে পার পাওয়ার যুগেরও অবসান ঘটেছে বর্তমান বিশ্বে।বাংলাদেশ বিচারহিনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তা সফল হবেই।দুই দিন আগে অথবা ২দিন পরে।আমিও অপেক্ষায় আছি বাংলাদেশের আরো একধাপ এগিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপের আশায়।
অপেক্ষা খালেদা জিয়ার মাসমলার রায়ের..........।বাকি কথা পরে হবে।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৬:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




