7ই এপ্রিল শুক্রবার ইরাকের বাগদাদে একটি শিয়া মসজিদে ভয়াভয় হামলার পর 79জন শিয়া মুসলি্ল নিহত হন । এতে ইরাক জড়ে সুনি্নদের ওপর প্রতিশোধকমুলক হামলা ও গৃহযুদ্ধের আশংকা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ।উল্লেগ্য যে , গত 22 ফেব্রুয়ারি সামারায় এ ধরনের আরেকটি হামলার পর শিয়াদের পক্ষথেকেও প্রতিশোধকমূলক হামলার ঘটনা ঘটেছিলো।
11ই এপ্রিল মঙ্গলবার ঈদে মিলাদুন্নবী(সা.) উপলক্ষে পাকিস্তানের করাচি শহওে একটি পার্কে আয়োজিত জনসমাবেষে দুটি আত্নঘাতী বোমা হামলায় তেহরিক পার্টির প্রধান আব্বাস কাদিরসহ 57জন মুসলি্ল নিহত হন।সংবাদ মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে জানা যায় ,গত দুদশকের মধ্যে এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ও ভযাবহ বোমা হামলা । এ হামলার পরও শেয়া ও সুনি্নদেও মাঝে নতুন করে হামলা পাল্টা হামলার আশংকা করা হচ্ছে। এত বড় না হলেও পাকিস্তানে এ ধরনের জাতি ও বর্ণগত দাঙ্গার ঘটনা ইতিপূর্বেও বেশ কয়েকবার ঘটেছে।
গত 14ই এপ্রিল শুক্রবার ভারতের রাজধানী দিলি্লর ঐতিহাসিক জামে মসজিদ কমপ্লেঙ্ েজুমার নামাজের পর দুটি বোমা বিস্ফরনে অন্তত 13জন মুসলি্ল আহত হয়েছেন । এর মধ্যে একজনের অবস্তা আশক্নাজনক।ধারনা করা হচ্ছে, গত মাসে বারানসীতে হিন্দু ধমর্াবলম্বীদের তীর্থস্তানে সন্দেহভাজন জঙ্গীদের বোমা হামলায় 15জন হীন্দু তীর্থ যাত্রী নিহত হওয়ার পতিক্রিয়ায় এ ঘটণা ঘটেছে।দিলি্ল জামে মসজিদের ইমাম একে সন্ত্রাসী হামলা বলে সন্দেহ করেছেন।
(যাবতীয় তথ্য ও উপাত্তগুলো শরীফ মাহমুদের লেখা থেকে সংগ্রহীত)
এ হামলায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা পরিস্থিতির সন্দেহ জেগে উঠলেও আগের দুটি হামলা ছিলো মুসলমাণদের নিজেদেরই জাতিগত ও বর্ণগত দাঙ্গা ।
পাকিস্তান,ভারত,ইরাক কিংবা আফগানিস্তান যেখানে যাহাই ঘটুকনা কেন ,কিন্তু একথাই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে এসব জাতিগত ও বর্ণগত দাঙ্গার ফলে আমরা প্রতিনিয়ত একটি ধারাবাহিক সর্বনাশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।কিন্তু কেন এই দাঙ্গা ??এর কারণ বোধ বুদ্ধিহীন অন্ধ আবেগে তাড়িত কিছু প্রানী আর স্থানীয় রাজনৈতির অমানবিক হিসাব নিকাশের খেলা। কিন্তু এছাড়াও সাম্রাজ্যবাদী প্রভুত্বকামী শক্তির ইন্ধন ও কারসাজি যে রয়েছে , এ সূক্ষ সত্যটি অনেক সময় আমাদের চিন্তায় থাকে অনপুস্থিত। বিশেষকরে ত্যাল গ্যাস সমৃদ্ধ দেশগুলোতে এদের প্রভাব বেশী লক্ষ করা যায়।ইরাকে বর্তমান শিয়া সুনি্ন দাঙ্গার পেছনে মার্কিন সম্রাজ্যবাদের কারসাজির ভূমিকা প্রধান।যার ফলশ্রুতিতে সেখানে গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে সেখানে আধিপত্য বিস্তার করা প্রধান উদ্দেশ্য।
তাই মুসলিমপ্রধান দেশ হিসাবে উপরের ঘটনাগুলো আমাদের জন্য মারাত্নক অশনি সংকেত।আগাম সতর্কতা ও সংযম বজায় রাখা ছাড়া এ ক্ষেত্রে কোন বিকল্প নেই।
সবচেয়ে বড় কথা হলো মুসলমান জাতির মধ্যে বিভেদ/দাঙ্গা সৃষ্টিতে অন্যদের(ভিন্ন জাতি) সুযোগ না দেয়া।যে কাজটি মুসলমানরা বেশী করে থাকে। কিন্তু আক্রমনাত্বক অবস্থান যেখানে আমাদের নিজেদের দ্বারাই ঘটে থাকে সেখানে অন্যদের সুযেগি নেয়ার অবকাশ তো পুরোমাত্রায় বিদ্যমান।তাই আসুন সতর্ক থাকি।সামনের দিনগুলোতে ধর্ম ও ধারার বিভেদমূলক আবেগের জোয়ারে নিজেরা নিজেদের ধ্বংস করা থেকে বাঁচি।
আসুন সুযোঘ সন্ধাণী শক্তিমান লোভীদের মূখে ছাই ছিটিয়ে দেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



