
আমার নিশীথরাতের বাদলধারা, এসো হে গোপনে, আমার স্বপনলোকে দিশাহারা

স্পর্শ করে যাই...
১৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫২
মাঝ দুপুরে হঠাত সেদিন
আচমকা সব পড়লো মনে...
অতঃপর তার ফিসফিস করে বলে যাওয়া কথার মানে আমি বুঝতে পারি। একটা বছর পেরিয়ে গেলো তাহলে সত্যি!
পুরনো সব বন্ধুদের কথা মনে হয়। অথবা বন্ধুতা কি পুরনো হয় আদৌ?
তাহলে কি পুরনো হয়? সময়টা?...
- ২২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৩৮বার পঠিত
স্মৃতির নৌকা বেয়ে
৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১
বিকেলবেলাটায় বেশ ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায় বারান্দায় বসলে। গ্রীলের ওপাশে চোখ পেতে দোদুলকে দেখি আমি মুগ্ধ হয়ে। মাঠ নেই খেলার, তবু ভাগ্যিস আবাসিক এলাকা বলে বাসার সামনে এইটুকুনি রাস্তাটা পেয়েছে, যেখানে বড় যান চলে না। সেই সেইটুকুনি রাস্তাতেই কয়েকটা ইট একটার ওপর একটা সাজিয়ে উইকেট বানিয়ে ব্যাটসম্যান সেজে দাঁড়িয়ে গেছে...
- ১৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৮০বার পঠিত
রাহেলা(চতুর্থ এবং শেষ পর্ব)
২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ২:১৪
আবার সংসারে প্রবেশ করলো রাহেলা। বহুদিন পর কর্তৃত্ব হাতে পেলো। তার ছয় বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে নতুন স্বামী অনাদর করলো না মোটেই। নিজের ওই বয়েসী নাতি আছে, সমস্যা কি! নতুন চার ছেলেমেয়ের সাথে পরিচিত হলো রাহেলা। ছোট মেয়েটা ছাড়া বাকি প্রত্যেকেই তার চেয়ে বয়েসে অন্তত পাঁচ-ছ বছরের বড়। ছোটটা তার সমবয়েসী।...
- ১৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৩০বার পঠিত
রাহেলা-(তৃতীয় পর্ব)
২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১:৫৬
রাহেলা এক নিমিষে বুঝে ফেলে কি ঘটেছে। মাথায় রক্ত উঠে যায় তার। ভেবে পায় না একটা মানুষ কোন পর্যায়ে গেলে নিজের বউ আর বাচ্চাকে না খাইয়ে নিজের ফুর্তির টাকা যোগায়। আজ একটা কিছু রফা করবেই স্বামীর সঙ্গে। গোঁজ হয়ে বসে থাকে আরমানের ফেরার অপেক্ষায়। রাত বাড়ে। এক সময় আরমানের খটখটি...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২০১বার পঠিত
রাহেলা (দ্বিতীয় পর্ব)
২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১:৩৮
রাহেলা প্রবেশ করলো তার নিজের নতুন সংসারে। তার স্বামী আরমান অনাথ। এক সময় অবস্থাসম্পন্ন পরিবার ছিলো যার চিহ্ন রূপে রয়ে গিয়েছে বিশাল বাড়িটা। একমাত্র বোনটার বিয়ে হয়ে গিয়েছে গত বছর। খালি বাড়িতে রাহেলা একেবারে নিজের মত করে শুরু করলো তার সাধের সংসার। বিয়ের ঠিক পরের কটা দিন কেটে গেলো স্বর্গের...
- ৫টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২২৭বার পঠিত
রাহেলা
২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১:০৪
--রাহেলা,অজুর পানিটা দিয়ে যাও তো।
হঠাত ডাকে সচকিত হন রাহেলা বেগম। জমে যাওয়া পায়ে ধীর গতিতে হেঁটে যান স্বামীর কাছে। অপলক তাকিয়ে থাকেন। ভুলে যান স্বামীর আদেশ। ফের ডাক পড়ে।
-- কি দেখো তাকিয়ে, কথা কানে যায় না? সারা দিন কোন ধ্যানে যে থাকো? আমার প্রথম বউ তো এরকম বেয়াদবী...
- ৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৩৮বার পঠিত
ছলাত ছল
২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:১২
রাতের বেলা এসব কি হয় ইদানিং ব্লগে? অসুস্থ একটা পরিবেশ।
রাতে আমার ব্লগে বসা হয়, ভালো লাগে সময়টা। অনেক ভালো লেখা আসে। ইদানিং আর লাগছে না। মনটা খারাপ হয়, খুব খারাপ।
গান শুনছি সুমন চট্টোপাধ্যায়ের,( আমার সব সময়ের সহজ উপায়, আরো মন খারাপ দিয়ে মন ভালো করার চেষ্টা)
"ছলাত ছল ছলাত ছল ছলাত...
- ১৭টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৮২বার পঠিত
নিঃশব্দে
২৪ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:০৩
সংগীর অভাব আমার হয় নি কোনদিনই -
এই যে দেখো
বইয়ের তাকে আর একটুখানি জায়গাও নেই অবশিষ্ট।
গানের জলসায় যাওয়া হয় না আজকাল ঠিকই,
তাই বলে গান শুনি না ভাবো না নিশ্চয়ই!
গানের বাজারজাতকরণ ব্যাপারটা মন্দ নয় কি বল?
যদিও ইদানিং আগের মত
খবরের কাগজে খুঁজি না...
- ২৯টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৭৬বার পঠিত
জ্বরের ঘোরে
২১ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:০৪
আমি তোমাকে এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে তুমি
তোমার বাস্তবতা হারিয়ে ফেলেছো
এখনো কি সময় আছে তোমার জীবন্ত শরীর স্পর্শ করার
এবং যে ওষ্ঠ থেকে আমার অতি প্রিয় স্বর জন্ম নেয়
সেখানে চুম্বন দেবার?......
আমি তোমাকে এত বেশি সপ্ন দেখেছি যে হয়তো
আমার পক্ষে আর জাগাই সম্ভব হবে না
আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘুমাই,আমার শরীর সব...
- ১৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৪৫বার পঠিত
প্রলাপ (?)
২১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৫২
একটা সময় মরতে তাকে হতই হয়ত। ক্ষিদের জ্বালায়, নয়ত বখাটেদের অত্যাচারে আত্মহত্যায়। নয়ত নিজের পেটের ক্ষিদে নেভাতে আরেকজনের শরীরের ক্ষুধা মেটানোর পয়সায়, প্রতিনিয়ত ধুকে ধুকে।
অথবা বাঁচার ছোট্ট একটা স্বপ্ন হয়ত বাকি ছিলো তার। সেলাই মেশিনের সাথে সাথে মেশিন হয়ে যাওয়া হাত দু'টোর দিকে কখনও তাকানোর অবকাশ কি পেতো সে? যদি...
- ১০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৬৭বার পঠিত




