
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই কান্নার আওয়াজ কিংবা গাড়ির হর্নে মেজাজটা পিত্তি জ্বলে যায়। মনে হয়, এই শহরে কি শান্তিতে একটু পা ফেলার জায়গা নেই? ৫৮ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট একটা জায়গা, অথচ মানুষ গাদাগাদি করে বাস করছে প্রায় আট লাখ। রাস্তাঘাট যা আছে, তা তো ব্রিটিশ আমলের মতো সরু। তার ওপর যোগ হয়েছে হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা আর হলুদ অটোরিকশার রাজত্ব।
রাস্তায় নামলেই মনে হয় জীবনটা হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘুরছি। চালকদের কোনো ট্রেনিং নেই, ব্রেক ঠিকমতো কাজ করে কি না কে জানে! বিআরটিএ-র কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, শহরে নাকি প্রায় ২৮ হাজার অবৈধ থ্রি-হুইলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ভাবা যায়? একটা সিটির প্রায় অর্ধেক বাহনই অবৈধ! প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, মানুষ আহত হচ্ছে, কেউ কেউ প্রাণও হারাচ্ছে।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, প্রশাসন যখনই একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে যায়, তখনই নাকি কোনো এক রাজনৈতিক দলের অদৃশ্য হাত এসে সব ওলটপালট করে দেয়। রাজনৈতিক নেতারাই যদি এই অনিয়মের পক্ষে দাঁড়ান, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমরা কি একটু মুক্ত বাতাসে বাঁচতে পারব না? নাকি এই যানজট আর বিশৃঙ্খলাই আমাদের ভাগ্যে লেখা হয়ে গেছে? প্রশ্নটা আজ সবার কাছেই রইল।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



