
একটি জাতির গৌরব-ভাষা । এটি জাতির অহংকার। জাতির শিল্প। এটি সবারই চাওয়া। সবাই চায় আমি-ভালো বলতে চাই; ভালো বুঝতে চাই; আমি পড়তে চাই; লিখতে চাই। কিন্ত সবাই পারে না। কেউ শেখতে শুরু করে লিখে লিখে? কেউ শুরু করে পড়ে পড়ে? আবার কেউ কোন বিশেষ কোর্সে। কেউ শিখে প্রতিষ্ঠানে আর দ্বারে দ্বারে।
আসলে ভাষাশিক্ষা বইপোকাদের জন্য নয়; বইপোকাদের জন্য আরো বড়কিছু। শুধু কিতাবী ইলমে ভাষা শিক্ষা হয়না। হাফিজ সাহেবদের তেলাওয়াত দায়িমী আমাল। তাতে কি মনেহয় তারা আরবী বুঝেন? কারী সাহেবেরা স্বরে ক্বলব ক্ষেপে উঠে -তাতে তাদের তাফসিরের ইলম বুঝা যায়? মুফতি, মুহাদ্দিস, মুফাস্সির আর মাওলানাদের কিতাব বুঝানো মনমুগ্ধ করে- তাতে কী বলা যায় তিনি আরবী বলতে পারবেন? আর্টিসের লেখাতে চোখ মুগ্ন হয়-তাতে কী তার ভাষাজ্ঞান প্রমাণ হয়? উত্তর- না, না এবং না। সবাই তার স্ব-স্ব কাজে পটু। কিতাব আর কুরআন থেকে ভাষা শিক্ষা যেমন শতভাগ হয়না; তেমন ভাষা শিক্ষার বই থেকে দ্বীনি ইলমও..
অতএব, শিক্ষার্থীকে আগে জানতে হবে তার মাকসুদ কী? জানতে হবে তার করণীয়-বর্জনীয়। তার মাকসুদ যখন ভাষা শিক্ষা তখন তাকে কিছু কৌশল জানতে হবে। কৌশল কাউকে তার মাকামে মানজিলে পৌছাতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



