somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নেওয়াজ  আলি
ফয়জুল মহী I মোহাম্মদপুর । ঢাকা ।

(১ম পর্ব)---ধন্যবাদ মা--   

০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই টেষ্টার শুন শালা।জুতা পালিশ, জুতা পালিশ।ওই টেষ্টার রাখ তোর জুতা পালিশ,শিকারি পাইছি একটা।আইতাছি শলোমান ভাই।পরি আবে জলদি আয় না।সরকারি খাদ্য গুদামের পাশে নিরাধার ঘরের বাসিন্দা শলোমান,টেষ্টার,পরি ও ট্রাফিক।পনর বছর বয়সি রগ ছাড়া শলোমান দল নেতা হয়ে ইতি মধ্যে পটুতায় কর্মময় জীবনের অধিকারী।পরি অজানা গম্যের নারী।কিন্তু টেষ্টার,এ কেমন নাম!! আধি,আধি ওহ মাথাটা যেন নতিময়।চাচা দিন আপনার ব্যাগটা আমি বহন করি।না লাগবে না।আরে দিন না।বচসা চলতে থাকে বৃদ্ধের ব্যাগ বহন করার জন্য।টেষ্টার জানে পঙ্গু আতর মিয়া তার বাবা,কুলসুম বিবি মরে যাওয়ায় মা বিরহিত সে।রেল স্টেশনই তাদের রাজ্য আর তারা হল নরপতি।

এই নরপতিরাই আবার কখনো কখনো জঠরানলে কবলে পড়ে শিকার খোজে।আজও তাই তাদের ঘাতনহীন এই অনীক।তুমুল কলহে অনেক লোক জড়ো হয়ে যায় এর মাঝে টেষ্টার এক ভদ্র লোকের মানি ব্যাগ নিয়া নিলীন।ও আমার মানি ব্যাগ, চোর চোর ওহ চোর। সব মানুষ হতচেতন হয়ে চোরের দিকে তাকিয়ে থাকে।চাচা হাফ ছেড়ে বাঁচে।কয়েকজন লোক ও রেল পুলিশ টেষ্টারকে ধাওয়া করে পিছনে পিছনে শলোমান ও পরি।এই পুলিশী ধাওয়ার মাঝেও হরেকরকম আছে,আছে প্রকারভেদও।স্টেশন হতে কলেজের পিছন দিয়ে দিঘীর উত্তর পাড়ে।মানি ব্যাগটা কলেজের পিছনে কচু ক্ষেতে ফেলে দেয় যা অবধান করে শলোমান।
পরি,ট্রাফিক ও শলোমান আস্তে করে নাড়ান হয়ে যায়।দিঘীর পাড়ে গিয়ে টেষ্টার নিজে বসে পড়ে সাথে পুলিশ ও মানি ব্যাগের মালিক ভদ্রলোকও।ওই মাদার....হারামি দেয় দেয় মানি ব্যাগ দেয়(কষে দুই গালে থাপ্পড় মারে)।আপনারা একটু শান্ত হউন আমি জিজ্ঞাস করি।এই যে বাবা আমার ব্যাগটা দিয়ে দাও।ব্যাগের সব টাকা তোমার আমি শুধু ব্যাগটা ফেরত চাই।কি নাম তোমার,তোমার মত আমার দুইটা ছেলে মেয়ে আছে আর তাদের চবি এই ব্যাগে অফিস শেষে রাতে বিছানায় শুয়ে আমার সন্তানদের চবি দেখি কারন ছুটির অভাবে অনেক দিন দেখতে পারি না তাদের( টেষ্টারের চোখ হতে পানি পড়ে ফোটা ফোটা)।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৫২
১১টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×