somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

করোনায় একজন প্রবাসী ।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




অনেক লম্বা সামনাসামনি দুইটা দালান । মাঝখানে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ফাঁকা গলি । একটা দালান গুদাম ঘরের মত আরেকটা শ্রমিক শ্রেণী লোকদের আবাস স্থল । একটু দুরে রাস্তার উপর সোড়িয়াম বাতির ঝলমল আলো। তবে গলিটা আবছা আবছা অন্ধকার । আবাসস্থলের দরজার বাহিরে বাতিগুলি নষ্ট হওয়ার পর আর লাগানো হয়নি। শীতকালে যখন বৃষ্টি হয় দুই দালানের পানি এই গলিতে হাটু সমান হয়। বৃষ্টির পানি এবং বার্থরুমের পানি মিলেমিশে একাকার হয়ে থাকার ঘরে ঢুকে হাটু ডুবে। যেমন বাংলাদেশে বর্ষার সময় পিছ করা কালো রাস্তায় নৌকা চলে। আবুল কালাম তখন বিছানাপত্র ভাজ করে পা তুলে বসে থাকে । আর ভাবে কেমন আছে পরিবার ।

কয়েক মাসের প্রবাস জীবন আমি আবুল কালামের। নিজ গ্রামের মোস্তাক মিয়া ভিসার কারবারী । তার হতে ভিসা নিয়ে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে সৌদি প্রবাসী আমি । দেশে আগে ঢাকায় বাদামতলিতে সবজির আড়তে চাকরী করতাম । মোস্তাক মিয়া আগে কাতার থেকে গিয়েছে , আরবী ভাষায় যেমন পারদর্শী তেমন মিথ্যা বলার শিল্পী । সৌদি আরব মোস্তাক মিয়ার ছেলে থাকে । সে ভিসা পাঠায় আর মোস্তাক মিয়া কথার রংয়ে সাজিয়ে তা বিক্রি করে। তবে মোস্তাক মিয়ার ছেলে ভিসার কারবারে ক্ষুদ্র কণা। এমপি পাপুলের মত শত শত দালাল আছে সৌদি আরবে ভিসার ব্যবসা সাইনবোর্ড লাগিয়ে মানব পাচারকারী। যাদের এক হাত আছে বাংলাদেশ দুতাবাসে আরেক হাত আছে এরাবিক দুর্নীতিগ্রস্ত বড় বড় লোকদের সাথে। আবুল কালাম দুই বছরে আরবী শিখেছে দশ / বার টা। কথায় কথায় এরাবিয়ানদের সাথে বাংলা বলে । তারা কিছু না বুঝে হাসে আর তখন আবুল কালাম বলে “দুর শালার ঘরের শালারা”। বাংলা শিখো, বাংলা ।

রিয়াদ বিমানবন্দরে আলোর ঝলকানিতে আবুল কালাম ভাবে ফরমালিনযুক্ত পচা সবজির গন্ধ আজ অনেক দুরে। ইস ! এত সুন্দর দেশের খেজুরে আমরা তেল মবিল ফরমালিন ঢেলেও মাছি মারি। আপেল বাগান নাই বলে আইনস্টন জন্ম হয়নি ঠিকই প্রচুর সরিষা-গাছ হয় বলে তেলবাজের জন্ম ঠিকই আমার দেশের গলিতে গলিতে । এত বাতি জ্বলে যেন দিনের মত আলো। আবুল কালাম ভাবে এই আলোতে জীবন জীবিকা সফে দিতে হবে। প্রথম মাসেই কিছু টাকা পাঠিয়ে চাচা হতে বসতবাড়ির দলিল নিতে হবে । না হয় চাচা আমার মা বাপকে গালি দিবে , বলবে টাকা দাও নাহয় জায়গা ছেড়ে দাও। তারপর কুমোদ বাবুর সুদের টাকা তারপর আঁশা হতে নেওয়া কিস্তি । মা বাপ আর বউ বাচ্চা , তাদের জন্য কিছু কিছু দিবো খরচের টাকা । এতে জমা হবে টাকা আর তাতে ঘরটা দালান করা যাবে।


চার / পাঁচ জনের থাকার ঘরে আমরা পনর জন গাদাগাদি করে ঢালাও বিছানায় ঘুমাই। কয়েকজন আছে ছয় মাস ধরে এখানে পড়ে আছে । থাকার কষ্টে , খাওয়ার কষ্টে নেই কোন চাকরীর খবর। এমনি কি নিদিষ্ট তিন মাস পার হওয়ার পরও দেয়নি ইকামা (পরিচয় পত্র )। আমাকে মোস্তাক মিয়া তাহলে কি মিথ্যা বলেছে। বলেছে তার ছেলে কাজ নিয়ে দিবে, এক সপ্তাহ এর ভিতর সৌদি মালিক ইকামা বানিয়ে দিবে। তবে তার জন্য সরকারী ফ্রী বাবত সব টাকা পয়সা মোস্তাক মিয়ার ছেলে বহন করবে। আর সেই টাকা মোস্তাক মিয়া দেশে আমার হতে নিয়ে নিয়েছে। এবং আমি যে কোন কাজ করতে পারবো । যেটাকে আমরা বলি ফ্রী ভিসা। তবে সৌদিতে এসে বুঝলাম এই ফ্রী ভিসার আইনগত কোন বৈধতা নাই। যে এরাবিয়ানের নামে যে এলাকায় এবং যে কাজের জন্য ভিসা ইস্যু হয়েছে ঠিক সেই এরাবিয়ানের সেই এলাকায় যথাযথভাবে সেই কাজই করতে হবে । এইটাই আইন এখানের । এর ব্যতিক্রম হলে জেল জরিমানা এবং দেশে ফেরত পাঠায়। মোস্তাক মিয়ারা ভিসা বিক্রির জন্য এবং লাভ বেশী করার জন্য ফ্রী নামক শব্দের ব্যবহার করে। তবে সবচেয়ে প্রতারক হলো সৌদি নাগরিক। সে ভুয়া লাইসেন্স দিয়ে ঘুষ দিয়ে প্রয়োজনের অধিক ভিসার জন্য আবেদন করে। আর এতে টাকা পয়সা ও বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে এমপি পাপুলের মত শত শত ভিসার দালাল। যাদের ক্ষমতা এবং টাকা পাথরের পাহাড় এর মত। একটা ভিসা বাবত সরকারি ফিস মাত্র দুই হাজার রিয়েল ( প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ) । তাহলে বাংলাদেশী একজন শ্রমিক সৌদি যেতে পাঁচ হতে সাত লাখ টাকা কেন খরচ লাগে । একটা ভিসায় এরাবিয়ান লাভ করে , এরপর সৌদিস্ত বাংলাদশী দালাল লাভ করে , রিকুটিং এজেন্ট এবং তাদের গ্রাম্য দালাল লাভ করে। এমনও হয় একটা ভিসা সৌদিতেই ছয় সাত বার বিক্রি হওয়ার পর বাংলাদেশ আসে। এই বিক্রির প্রক্রিয়া এমনও হয় সৌদি মালিকই জানে না তার ভিসা কতবার বিক্রি হলো। কয়েক মাস পরে বাংলাদেশের সৌদি দুতাবাস যোগাযোগ করলে মালিক জানতে পারে তার ভিসা প্রসেস হচ্ছে । এরাবিয়ানদের কাজ না থাকলেও লোভে পড়ে ভিসা বাহির করে তাই খরিদদারের সাথে মুখের একটা চুক্তি করে যে লোক আসলে টাকা দিলে ইকামা বানিয়ে দিবো এবং সে অন্যের কাজ করবে তবে মাসিক একটা লভ্যাংশ আমাকে দিতে হবে। এই হলো ফ্রী ভিসা যার কোন সরকারি বৈধতা নেই। এবং সরকার অন্যত্র কাজ করা লোকের ব্যাপারে খুবই কঠোর । আরো ভয়ংকর হলো এক রাজ্যের ভিসা অন্য রাজ্যে বিক্রি করে দেশীয় দালালেরা। অনেক সময় সমস্যা হলে মালিক কোন সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে না। কারণ তারা অবৈধ পন্থায় ভিসা বাহির করে লোক অন্যত্র ছেড়ে দিয়েছে বলে জেল জরিমানার ভয়ে থাকে। এবং যারা ভিসা বাহির করে তারা সরকারি সুবিধা পায় না। তাই অনেক সময় এই সুবিধার জন্যও শ্রমিক যাওয়ার কিছুদিন পর শ্রমিককে এক্সজিটও করে দেয়।


মোস্তাক মিয়ার ছেলে এই ধরনের ভিসা কিনেই দেশে পাঠায় । আর এইটা অমুক কোম্পানির ,ভালো বেতন , থাকা খাওয়া কোম্পানির এইসব বলে মোস্তাক মিয়া ভিসা বিক্রি করে । আসলে সবই এক বিশাল মিথ্যার জমিন। চাষ করবেন আপনি ফল খাবে মোস্তাক মিয়ারা। মানুষও মিথ্যার কাননে মালি হয় পরিবারের সুখের জন্য। এই রকম ভিসায় আমি আবুল কালাম সৌদি প্রবাসী । কয়েক মাস ধরে যারা পড়ে আছে তাদের দেশে টাকা পয়সা বাকি বকেয়া আছে । এবং কিছু লোককে কাজ না দিয়ে শাস্তিমূলকও ফেলে রেখেছে কারণ দেশে মোস্তাক মিয়াকে গালি দিয়ে ছিল। এবং এখনো তাদের পরিবার হতে চাপ অব্যাহত রেখেছে কাজের জন্য । অথচ মোস্তাক মিয়ার ছেলে এইসব কেয়ার করে না। এক সপ্তাহ পরে আমরা পাঁচ জনকে বিক্রি করে দেয় মদিনায় যা রিয়াদ হতে হাজার মাইল দুরে। এক খাওয়ার হোটেলের পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসাবে । বলে রাখা দরকার , নতুন অবস্থায় তিন মাসের ভিতর কাজ ফেলে মালিক পরিবর্তন করার সরকারি আইন আছে। সেই কাজের মালিক সরকারি ফিস এবং সমস্ত অফিসিয়াল আনুষ্ঠানিকা বজায় রেখে মালিক পরিবর্তন করে এবং ইকামা বানায় । যার ভিসায় আসা হয় তা পরিবর্তন হয়ে নতুন মালিকের অধিনে ইকামা হয় আর নতুন মালিক ক্ষেত্র বিশেষ সমস্ত খরচও বহন করে। এতে দালাল যে দেশে ইকামার টাকা বাড়তি নেয় সেটাও তার লাভ থাকে। এই জন্য লোক আসে জমা হয় এবং কাজ খুজতে থাকে।


মসজিদে নবীর নিকটে আমার হোটেল । বার ঘন্টা ডিউটি দুঃখ নাই , কাজ পেয়েছি । থাকা খাওয়া ফ্রী , এবার যা বেতন দেয়। সৌদি আরবের অর্থনৈতিক যে হাহাকার চলছে তাতে আমার স্বপ্ন মরুদ্বীপের সুর্য কিরণে ভেসে উঠা জলপ্রপাত । এই জল পান করতে গেলে অতিদুরে আবার সেই রকম জল দেখা যায়। তবুও মন্দের ভালো কাজ করতে পারি। মা বাপ এবং বউ বাচ্চার সাথে ফোন করে সান্তনা দিতে পারছি । সকাল সাতটা হতে কাজ শুরু হয় চলে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত । থালা -বাসন, পাতিল ধৌতকরণে দিন যায় আসে রাত। মাঝারি সাইজের পাতিল ধুয়ে ঝকঝক করতে হয় । কারণ এইসব পাতিলে ভাত রান্না করে । হোটেলটাও চব্বিশ ঘন্টা কাস্টোমারে ভরপুর থাকে। হোটেল মালিক ভালো লোক । মদিনা ছাড়াও মক্কা , তায়েব এবং আল কাছিম আরো হোটেল আছে । কখনো কখনো মালিক আসে শ্রমিকদের সাথে কৌশল বিনিময় করে। খাওয়া থাকায় কোন সমস্যা আছে কিনা জানতে চায়। এতে সবাই খুশি মনে কাজ করে। বিশ বাইশ দিন কাজে হয়ে যায়। পুরাতন বাঙ্গালী শ্রমিকদের কেউ কেউ সহযোগীতা করে কেউ কেউ নিজের কাজ করাতে চায়। ভাষা না জানার দুর্বলতার সুযোগে ফোর ম্যানের কাছে নালিশ করে।



একমাস পরেই আমাকে নিয়ে যায় আল কাছিম। আমার কোন আপত্তি ছিল না কারণ কাজ চাই ,টাকা চাই। এখানে আমাদের দেশের মত বাসি পচা খাবার নেই । প্রত্যেকটি কর্মী পোষাক আষাকে পরিপাটি । হাতের নখ ছোট থাকে মাথায় টুপি পরতে হয় যেন চুল না পড়ে খাবারে। সরকারি কঠোর তদারকি নিত্য দিনের কাজ। মাছি তেলাপোকা দেখিনি কখনো। সাদা ধবধবে টাইলস সাবানের পানি দিয়ে জীবাণু মুক্ত করতে হয় সবসময়। আমি খুশি মনে নেচে গেয়ে কাজ করি মন প্রাণ উজাড় করে। মালিক এসে মাঝে মাঝে বলে আবুল কালাম মিয়া মিয়া ( একশতে একশত) । আমি মাথা নেড়ে বলি কোয়েছ (ভালো)।এইভাবে চলতে চলতে একদিন দুপুরে মালিক এসে বলে আবুল কালাম মুশকিল । আমি বুঝলাম কোন সমস্যা হয়েছে। একজন ভাষা জানা লোক জিজ্ঞাসা করলো কি সমস্যা হয়ছে। মালিক বললো আমি সরকারি অফিস গিয়েছি আবুল কালামকে রিলিজ করে ইকামা করার জন্য পরামর্শ করতে । তখন জানতে পারি তার কপিল (মালিক) তাকে হুরুপ (প্রাথমিক এক্সজিট ) দিয়ে রাখছে । এখন তাকে রিলিজ করা এবং তার ইকামা করা যাবে না । তাকে দেশে ফেরত যেতে হবে। সে এখন সৌদিতে অবৈধ । তাকে সৌদি থাকা কঠিন হবে। যে তাকে ভিসা দিয়েছে সে হয়তো আবুল কালামের কপিলের সাথে কোন যোগাযোগই করেনি। ইকামা করতে না পারলে , রিলিজ করতে না পারলে তাকে কাজে রাখা সম্ভব না । অবৈধ লোক রাখলে হোটেলের সমস্যা হবে। দোভাষি বাঙ্গালী আমাকে সব বুঝিয়ে বলার পর আমি হাউমাউ করতে থাকি। ফোন করি মোস্তাক মিয়ার ছেলেকে । নাম্বার বন্ধ পাই , অর্থাৎ পুরাতন নাম্বার ফেলে দিয়েছে। সেই দিনই সুস্থ স্বাভাবিক আবুল কালামের মরণ হয়। তারপরই জিন্দা লাশ আবুল কালাম দেহ নিয়ে ছুটে কাজ পেতে।

হোটেল মালিক আমার অসহায়ত্বের কথা শুনে তার বন্ধুর খামারে পাঠায় কাজে। সুনশান নিরব মরুভূমিতে ভেড়া পালকের রাখাল হিসাবে।

( ছবিঃ ফেসবুক হতে সংগ্রহ) !
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:২৮
১৯টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অম্লবচন-২

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:১৭

মানবভূষণ

লজ্জাই মানুষের শ্রেষ্ঠ ভূষণ। একজন লজ্জাশীল মানুষ
অন্যায় করেন না, যেহেতু কৃত কুকর্মের জন্য তাকে
চোখ খুলে অন্যের চোখে তাকাতে হবে, যে-চোখ
সমস্ত লজ্জার আখড়া।


সম্পদশালী

একজন নির্লোভ বা নির্মোহ মানুষই প্রকৃত সম্পদশালী,
কেননা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলজিক গল্প ৫০৯৭

লিখেছেন নগরবালক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৩৬


দুই বগলে দুইটা কচি জালি লাউ নিয়ে অর্পন যাচ্ছিল বাজারে বিক্রি করতে। নিজের গাছের লাউ। নিজে রান্না করে খেলেও পারত। কিন্তু এই লাউ বিক্রি করেই তার আজকে চাল কিনতে হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি কর্তৃপক্ষের অন্যায় খাহেশ এবং মহামান্য(!) ট্রাম্পের অনৈতিক আস্ফালনঃ

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২৫

ছবিঃ অন্তর্জাল।

সৌদি কর্তৃপক্ষের অন্যায় খাহেশ এবং মহামান্য(!) ট্রাম্পের অনৈতিক আস্ফালনঃ

সৌদি কর্তৃপক্ষের অন্যায় খাহেশঃ

সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের হিসেবে তাদের দেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা তথা মিয়ানমারের আরাকানের নাগরিকদের সংখ্যা ৫৪০০০ জন। এই বিপুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাগরী (উপন্যাস: পর্ব- পাঁচ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৪

পাঁচ

অপরাহ্নে রাজকুমারী শান্তা যখন শুনলো যে রাজ্যের খরা নিবারণের নিমিত্তে ইন্দ্রদেবকে সন্তুষ্ট করে বৃষ্টি কামনায় শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী রাজপুরোহিতের পরামর্শে একদল গণিকাকে পাঠানো হচ্ছে এক বনবাসী মুনিকুমারকে হরণ করে নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের মানসিক ভাবে নিজদের বদলাতে হবে

লিখেছেন সেলিনা জাহান প্রিয়া, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৯



ভারতের তামিলনাড়ু ছিলাম। সেখানে ১০০/২০০ গ্রাম মাছ- মাংস কেনা যায়। প্রতিবেলা টাটকা কিনে এনে নিজের রুমে রান্না করে খাইতাম। খুব ভাল সুবিধা মনে হয়েছে।

বেঙ্গালুরুতে সন্ধ্যার পর বারগুলোর সামনে ৩০ রুপি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×