
আপনার সাক্ষাৎকার দেখেছি । অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে আত্ন বিশ্বাস নিয়ে কথা বলেছেন। পুরা দুনিয়া পারলে আমরা কেন পারবো না। তবে বাংলাদেশে নোংরা পলিট্রিক্স আছে যা অন্য কোথাও নাই।
ঢাকা ইউনিভার্সিটির আবাসিক হলে দীর্ঘ ছয় বছর ছিলেন তিনি। সুতরাং, কেমন খাবার খেয়েছেন, কিভাবে থেকেছেন তা সহজেই অনুমেয়। নটরডেম কলেজে এইচএসসি, আইডিয়াল স্কুল থেকে এসএসসি তে সারা বাংলাদেশে ৭তম স্ট্যান্ড । ঢাকা ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট, এর পর জাপানের গিফু ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি। তাঁকে তাঁর এই কৃতিত্বের জন্য আমি অভিনন্দন জানাবো না। যাকে তাকে অভিনন্দন জানানোটা আমাদের একটা রোগে পরিণত হয়েছে। আপনার সাথে দেশের আমজনতা আছে। এবং অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আপনার কর্মের ফলের জন্য। হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, ভাল ছাত্র চেষ্টা করলে সবাই হতে পারে। এটা কোনো ব্যাপারই না। ব্যাপারটা হচ্ছে ভালো ছাত্রের ভালো কাজগুলো মানুষকে স্পর্শ করছে কিনা!
ড. আসিফ আহমেদের কাজ মানুষকে স্পর্শ করার যোগ্যতা অর্জনের দিকেই ধাবমান। তিনি ঢাকায় অত্যন্ত আধুনিক ও লেটেস্ট টেকনোলোজি সমৃদ্ধ ল্যাবের গবেষক। গত প্রায় তিন চার মাসের অক্লান্ত পরিশ্রম ও গবেষণা করে করোনা ভাইরাসের ভেক্সিন আবিষ্কারের পথে অনেকখানি এগিয়ে গেছেন। এটিতে প্রাণীর দেহে স্ট্রং এন্টিবডি তৈরি হয়েছে, সোজা বাংলায় বললে প্রাণীর দেহে কাজ করছে এই ভেক্সিন।
এখন সরকারি অনুমোদন নিয়ে মানবদেহে পরীক্ষামূলক ভাবে কাজ শুরু করবে। ড. আসিফ আহমেদ তাঁর নাম। তাঁর সাফল্য এখনো পুরোপুরি আসেনি। তবু তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাক। আমাদের মতো দেশে এই সাহস দেখানোর জন্যে তাঁকে সাহসী বলাই যায়। এগিয়ে যান ড. আসিফ। অভিনন্দন নামক ঠুনকো বিষয় আপনার প্রয়োজন নেই।
ড.আসিফ মাহমুদ কে নিরাপত্তা দেয়া জরুরী । তাঁর যেহেতু এ্যানিম্যাল ট্রায়াল সফল হয়েছে । এখন ভিনদেশী কর্পোরেট দস্যুরা এবং দেশীয় দালালেরা যে কোন ষড়যন্ত্র করতে পারে । আমাদের দেশে এটা হবে মানব ইতিহাসের সর্বাধিক অর্থ উপার্জনকারী ভ্যাকসিন । রেডিও আবিষ্কারের কথা মনে আছে নিশ্চয়! প্রথম ধারনা দেয় জগদীশ চন্দ্র বসু আর নাম হয়ে যায় মার্কনির।
সূত্রঃ লিষ্কডইন । ছবিঃ টুইটার ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



