রোরুদ্যমান ভালবাসা।
কাউনটারের সামনে দাঁড়িয়ে উজ্জ্বল আর সোহানা । ঠাণ্ডায় সোহানা এখনও কাঁপছে । হাতে ধরা চায়ের কাপ থেকে ক্রমাগত ধোঁয়া উঠছে । সেই ধোঁয়া যেন উজ্জলের ছলছল করে ভিজে ওঠা দুই চোখকে আড়াল করার বৃথা চেষ্টায় বাস্ত। কখনোবা নিজেই মাথা নিচু করে নিজের চোখকে আড়াল করতে চাইছে উজ্জ্বল। সোহানা নির্বিকার।
সকল স্তব্ধতা ভেঙ্গে দিয়ে উজ্জ্বলই কথা বলতে শুরু করল : "এই সামান্য কথা বলার জন্যই কি তুমি এত দুর কষ্ট করে এসেছিলে ?"
সোহানা : "আমার কাছে এটাই ভালো মনে হয়েছে।"
-আর কিছুদিন পর বললে কি খুব সমস্যা হত?
-দেখ উজ্জ্বল, আর সপ্তাহ দুয়েকের ভিতর আমার পরীক্ষা শুরু। আমি চাই যা হবার এখনি হোক। পরে আমি কোনও ঝামেলা চাই না।
-ও। কতক্ষন লাগবে তোমার ঢাকা পৌঁছাতে?
-ভোর হতেই তো পৌঁছে যাবার কথা।
-পৌঁছে ফোন দিও।
-অত ভোরে তুমি জেগে থাকবে কি? আর আমি চাই না, তুমি আমার আর কোনও খবর রাখ।
-ফোন নম্বরটা কি আগেরটাই থাকবে না বদলাবে?
-যদি তুমি ডিস্টার্ব না কর তবে এটাই থাকবে।
উজ্জলের চোখ বেয়ে যেন ঝরনার ধারা বেরুল। প্রচণ্ড শীতের রাত বলেই হয়ত লোকজন কম, আর তাই উজ্জলের এই চোখের ঝর্ণা থেকে বঞ্চিত হল দর্শন পিপাশুরা।
কি যেন বলতে গিয়েও বলতে পারলনা সোহানা।
উজ্জ্বল যেন আজ ছোট এক শিশু। কে বলবে ও আর ছ'মাসের মধ্যে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করবে?
এবার সোহানাই প্রথম বলল, "বাসের সময় হয়ে গেল। এভাবে কাঁদলে লোকে কি বলবে? আর এভাবে কাঁদার কি আছে, আমি কি মরে যাচ্ছি?"
উজ্জ্বল: "কিন্তু তুমিত বল্লেনা, আমার দোষটা কোথায়?"
- আমি তোমাকে কোনও দোষ দিতে পারিনা, কিন্তু আমি আর এসব চাই না।
তুমি একটু আমার দিকটা বুঝার চেষ্টা কর।
এরই মধ্যে বাস চলে এসেছে। উজ্জ্বল নিজের পরে থাকা জ্যাকেটটা খুলে সোহানাকে পরালো- "শীতের ভিতর বাসে ঠাণ্ডা লাগবে, জ্যাকেটের উপর তোমার শালটা জড়িয়ে নাও।"
এতক্ষণ না না করলেও এবার সোহানা কোনও প্রতিবাদ করল না।
সোহানা বলল, "আমাকে বিদায় দাও, আমি তোমার জীবন থেকে চলে যাচ্ছি।"
উজ্জ্বল সোহানার ডান হাতের উল্টো পাশে চুমু খেল। সোহানা বলল- "ভালো থেক, নিজের যত্ন নিও, আর আমাকে ভুলে যেও। আমাকে ভুলে গিয়ে যদি ভালো থাক তবে সেটাই প্রকৃত ভাল থাকা।"
এবার যেন সোহানার চোখও যেন চিকচিক করে উঠল, যা উজ্জ্বলের দৃষ্টি এড়ায় না।
উজ্জ্বল যেন বোবা হয়ে গেছে, চোখের সামনে গত ৮ টি মাস যেন ভেসে উঠছে।
জানালার কাঁচ সরিয়ে সোহানা হাত নাড়ল, ভেজা চোখেও উজ্জলের বুঝতে অসুবিধা হয়না। উজ্জ্বলও হাত নাড়ে। একসময় বাস ছেড়ে দেয়।
ভেজা চোখ নিয়া যতদুর বাস দেখা যায় তাকিয়ে থাকে উজ্জ্বল। সোহানা হয়ত জানেও না যে, চোখের পানিতে উজ্জলের শার্ট ভিজে গেছে, অথবা কাল সকালে উজ্জ্বলের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা।
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।