
ছবিটি দেখে একটি ভিন্ন ধারণা জন্ম নিতে পারে। মনে হতে পারে এরা কোন আসামী, কিন্তু আসলেই কি তাই?
ছবির মানুষগুলোকে তেমনভাবে না চিনলেও তাদের সাথে কথা হয়েছিল পথশিশুদের নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে। যারা পথশিশু নিয়ে আগ্রহী তারা হয়তো মজার স্কুল : পথশিশু আর আমরা কতিপয় এর নাম শুনেছেন। এটি অদম্য ফাউন্ডেশন এর একটি প্রজেক্ট, যা গত তিন থেকে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করছে। তারা এতোটাই কর্মঠ ও পথশিশুদের নিয়ে আগ্রহী যে আগারগাও-সদরঘাট-রামপুরা-কমলাপুর-শাহবাগের পথশিশুদের সবাই তাদের চিনে।
নিজেদের কাজের জন্য মজার স্কুল : পথশিশু আর আমরা কতিপয় বিশেষ পরিচিত। আমার জানা মতে তারা সরকারীভাবে অনুমোদনও পেয়েছে। আগারগাও এ তাদের একটি স্কুলে গিয়েছিলাম এই বছর ফল উৎসবে। ফল উৎসব-২০১৫ তে তারা ১৪০০ এর বেশী বাচ্চার হাতে মৌসুমি ফল তুলে দিয়েছে।
রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকার একটি বাসায় সেল্টার হোম নামে একটি বিশেষ প্রজেক্টের মাধ্যমে ১০জন বাচ্চার সার্বিক দেখভাল করছিল তারা। তাদের পেজে এ নিয়ে অনেক পোস্ট পাবেন। বাচ্চারা শেখানে নিয়মিত নামায আদায় করে, খেলে, পড়ে সব মিলিয়ে ভালোই ছিল। অথচ সেই বাচ্চাদের রাখার কারণেই আজ তাদের দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
পথশিশু নিয়ে মজার স্কুল : পথশিশু আর আমরা কতিপয় এর কিছু ছবি

আগারগাও এর মজার স্কুলের বাচ্চারা

এভাবেই কষ্ট করে পথশিশুদের বিনোদন দেন তারা

বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে

মাঝে মাঝে অন্যদের কাছ থেকে এমন খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, শিশুদের দেখাশোনা করেন কর্মীরা

চলছে বাচ্চাদের নিয়ে আড্ডা

দুই বছর পুর্তিতে কথা বলছেন পরিচালক ও মামলার মূল আসামী আরিফ ভাই

জাফর ইকবাল স্যার এসেছিলেন তাদের কার্যক্রম দেখতে
এবার বায়ান্নোর শিশুদের ছবি

কাজ শিখছেন সেল্টার হোম:বায়ান্নোর শিশুরা

এই ছবিটাও কাজ শেখার, আর জামাটা তাদের পোশাক

ইফতারে দশ জন শিশুর সাথে কর্মীরা

আটকের পর শিশুদের গাড়ীতে নেয়া হয়েছে, নিয়ে যাবা হবে পুলিশি হেফাজতে
এই সকল কাজের জন্য কেউ কখনো গ্রেফতার হতে পারে। গ্রেফতার হয়েছে চারজন, তাদের সকলকে দুই দিনের পুলিশি রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
আপনারাই বলুন কি করা দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




