বিএসএফের গুলিতে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় দুই বাংলাদেশী নিহত। স্থানীয় ইউপির দেওয়া তথ্যমতে তারা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকালে বিএসএফ এর গুলিতে নিহত হন, আর আহত হয়েছেন একজন।
কিছুদিন আগের কথা আমাদের বিজিবি প্রধান বলেছিলেন, তাদের হাতে অস্ত্র নাকি হাডুডু খেলার জন্য তুলে দেওয়া হয়নি। তবে তারা কী অস্ত্র হাতে সীমান্তে কী করছেন?
অনেকেই বলবেন, নিহতরা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিএসএফ এর গুলি খেয়েছে, তাতে বিজিবি কী করতে পারে? ভাইয়েরা, কিছুদিন আগে বিএসএফ বাংলাদেশের সীমান্তের ভিতরে এসে একজনকে গুলি করে মেরেছে, তখনও কি কিছু করার ছিল না?
দেখতে গেলে বিজিবি ও বিএসএফ এর দায়িত্ব একই, নিজ দেশের সীমান্ত পাহারা দেওয়া। তবে কেমন করে এ দেশের মানুষ ভারতে চোরাই পথে ব্যবসায় যাচ্ছে? নিশ্চয়ই কিছু পায় তারা, যদি তাই হয় তবে তাদের রক্ষা করা দায়িত্ব আরো বেড়ে যাবার কথা।
যখনই কেউ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয় বা মারা যায় তখন আমাদের বীর বিজিবি শুধু চিঠি পাঠায়, "ভাইরে, লাশটা দে''। বাহ্, মজাই আলাদ......
যাদের হাতে দেশের সীমান্ত তারাই এতো অসহায়। তারা থাকতে দেশে মাদক ঢুকছে, ভারতীয় পন্য ঢুকছে আরো কতো কী? তবে তাদের কাজটা কী? কেউ নিহত হলে লাশ চেয়ে চিঠি পাঠানো?
তবে সব বিজিবি পত্যাহার করে নেওয়া হোক, চিঠি পাঠানোর কাজ আমাদের সীমান্তের লেখাপড়া কা্উকে দিয়ে চালিয়ে নেওয়া যাবে। আর বিজিবি পত্যাহার করা হলে তারাও নিজ দয়িত্ব বুঝে নিবে, তখন কেউ মরলে এতোটা আফসোস থাকবে না যে "আমাদের টাকায় খেয়ে পড়ে তারা আমাদের উপরই গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে পারে, কিন্তু দেশকে ও দেশের মানুষকে রক্ষায় কিছুই করে না।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



