আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারী, পিলখানা হত্যার কালো দিবস।
২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০০৯, আমি তখন দিনাজপুর ক্যন্টনমেন্টে কলেজের ছাত্র। তেমন কিছুই জানতে পারিনি, কারণ ছাত্রবাসে কোন টেলিভিসন ছিল না আর সে সময় বাইরে থাকাটাও নিরাপদ ছিল না। দেশের সকল ক্যান্টনমেন্টে ছিল এক যুগ্ধ যুগ্ধ ভাব। এর পর কেটে গেছে অনেক দিন, কিন্তু সত্য আজও চাপা রয়েছে এক অজানা কারণে।
২৪-২৫ ফেব্রয়ারী আর্মি সেনারদের ভিতর মারা গেছে ৫৭জন, বিরিআর দের মাঝে মারা গেছে ১১ জন আর পরবর্তীতে ইন্ট্রোগেশনের নামে নির্জাতিত হয়ে মারা গেছে ৭৪ এর বেশী বিডিআর জোয়ান। এতোগুলো জীবন চলে গেল, বিরিআর জোয়ানদের অনেকের জীবনেই নেমে এসেছে কালো ছায়া। অনেকেই জেলের চার দেয়ালের মাঝে এক নির্বাসিত কারা বন্দীর জীবন কাটাচ্ছেন, অথচ তাদের সবাই আজ দেশের সেবায় লিপ্ত থাকার কথা। কেন এমন হলো, কে বা কারা দোষী তা জানা হলো না আজও
দেশের এতো ইন্টিলিজেন্স বুর্যো, বিদেশী গোয়েন্দা, দেশী গোয়েন্দা বাহিনী থাকতে এমন ঘটনা ঘটে গেল অথচ কেউ কোন কিছুই আচ করতে পারেনি। পিলখানা দিবসে প্রধান-মন্ত্রীর যোগ দেবার কথা ছিল, সে হিসাবে পিলখানার আশেপাশে সকল অবস্থা ঠিক থাকার কথা ছিল। প্রধান-মন্ত্রীর জন্য বিশেষ বাহিনী এসএসএফ তো আগে থেকেই সেই জায়গার সকল খবর নেবার কথা তারঅ জানল না?
এরা তো সাধারণ কেউ নয়, এরা অন্যান্ন বাহিনীর সবচেয়ে মেধাবী, যারা শুধু মেধাবী হবার কারণেই নানা পরিক্ষার পর একজন প্রধান মন্ত্রীর সুরক্ষায় নিয়োজিত হন।
আমরা কী কখনোই পিলখানা হত্যকান্ডের পিছনের রহস্য জানতে পারব না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



