মিটিং চলছে। খুব গুরুত্বপূর্ন মিটিং। খুব দ্রুত একটি সিন্ধান্তে উপনীত হতে হবে। যেই ভদ্রলোক সেই সভাস্থলের মধ্যমনি ঠিক ঐ সময়ে তার প্যান্টের পকেটে থাকা সেল ফোনটা বেজে উঠল।
পকেট থেকে ফোনটা বের করার সময় হাত লেগে টেবিলে থাকা চায়ের কাপটা কাত হয়ে গেলো। মিটিং এ উপস্থিত ভদ্রলোকগন কেমন যেন এক দৃষ্টিতে সভাপতির দিকে তাকাচ্ছিলেন।
কিন্তু মহাশয় থেমে নেই। ফোনটা বের করে সকলকে সরি বলে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালেন (চেয়ারের একটা বিকট শব্দ) এবং রুম থেকে বের হয়ে গেলেন।
আবার যখন তিনি মিটিং এ ফিরে আসলেন। তখন সবাইকে সরি বলে বললেন যে, তার বাসার ড্যানীর (কুকুর ছানা) সর্দি লেগেছে। তাই তাদের ভাবি ফোন করেছিলেন।
হ্যাঁ,
প্রতিনিয়ত আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনে ঘটে যাচ্ছে এসব ঘটনা।তবে ঘটনার ধরনগুলো আলাদা আলাদা।কিন্তু বেশীরভাগ মানুষ এগুলো খুব সুন্দরভাবে হ্যান্ডেল করেন। খুব কম সংখ্যক লোক থার্ড পার্সনদের বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু তখন সেকেন্ড পার্সনদের কি হয় সেটা মনে হয় তারা ভাবার সময় পান না।
তবে গুরুত্বপূর্ন ফোন হতেই পারে। কিন্তু আমরা যেখানে উপস্থিত আছি বা যা করছি। ফোনটা তার সাথে সম্পর্কিত কিনা কিংবা তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ন কিনা। সেটা বিচার করে এসব ফোন কল গ্রহন করা মনে হয় অনেক বেশী বুদ্ধিমানের কাজ।
কিংবা কাজটা শেষ করে ফোন দিলে মনে হয় মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায় না।
(অনেকে মনে করেন যে কারো সেল ফোনের রিংটোন এর ধরন এবং ভলিউমের মাত্রা বিচার করে নাকি রুচিবোধ মাপা যায়।আর পাবলিক প্লেসে সাইলেন্ট মোড রাখা না রাখার বিচারে তার বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ পায়)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



