
নবোদয় ক্লাবের সভাপতি সাহেদকে দেখে ইমন চেঁচিয়ে উঠল-
সাহেদ ভাই গতকাল সারাদিন কোথায় ছিলেন? বাড়িতে খুঁজে পেলাম না। মোবাইলও বন্ধ।
সাহেদ সানগ্লাসটা কপালে তুলে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে তাকাল। ইমনকে গতমাসে তাদের ক্লাবের সেক্রেটারী করা হয়েছে। সেক্রেটারী হিসাবে তার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখার অধিকার সে রাখে।
সাহেদ জিজ্ঞেস করল, খুঁজেছিলে কেন?
ঢাকা থেকে একজন বড় নেতা এসেছিলেন। আমাদের ক্লাব ঘরটি ঘুরে টুরে দেখলেন।
কিছু বলেছেন?
বললেন, শুধু বই পড়ার কর্মসূচী রাখলেই হবে না। পরিবেশ রক্ষার উপরও জোর দিতে হবে। বিশেষ করে অতিথি পাখী রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে বললেন।
নেতাকে ভালো করে খাওয়া দাওয়া করিয়েছ তো?
হ্যাঁ। তিনি বয়লারের মুরগী খান না। তাই অতিথি পাখীর রোষ্ট খাওয়ালাম। নেতা খুব তারিফ করলেন। দুটো বিদেশী বাঁলিহাঁস একাই খেলেন। বারবার বলছিলেন-বাহ! খুবই সুস্বাদু। বিদেশীরা এসব খায় বলেই ওদের স্বাস্থ্য এত ভালো!!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




