somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দর্শক জরিপে সেরা দশটি জনপ্রিয় কৌতুক !! :#) :#) :#)

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাত্রিবেলা। সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলে
স্ত্রী স্বামীর গলা জড়িয়ে ধরে বলল, এই
বলনা আমার কোন জিনিসটা তোমার খুব
ভালো লাগে? আমার সুন্দর চেহারার
মুখটা নাকি আমার সেক্সি বডিটা?
স্বামী কিছুক্ষণ স্ত্রীর মুখ ও শরীরের
দিকে চোখ বুলিয়ে তারপর বলল, তোমার
সেন্স অব হিউমার!


এক রাতে নব-দম্পতির বাসায় ডাকাত
পড়ল। তারপর উনারা থানায় গিয়ে
পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেন। পরের
দিন পুলিশ এসে এলাকার সবাইকে বলছে,
“ওই বাসাতে রাতে ডাকাত এসেছিল।
ওনারা ‘ও বাবাগো-ও মাগো’ বলে চিৎকার
করল, আর তবু আপনারা কেউ সাহায্য করতে
এগিয়ে গেলেন না!”
কয়েকটি ফাজিল ছেলে উত্তর দিলো,
“ওরকম চিৎকার তো কয়েকদিন ধরেই
শুনছি। কিভাবে বুঝবো কালকে ডাকাত
এসেছিল!”


স্ত্রী: একটা কথা বলবো?
স্বামী: হ্যাঁ গো, অবশ্যই; বলো
স্ত্রী: মারবে নাতো?
স্বামী: কী বলছো, তোমাকে মারবো
কেন?
স্ত্রী: রাগ করবে নাতো?
স্বামী: একদমই না, কী হয়েছে বলতো
স্ত্রী: আমি কনসিভ করেছি, প্রেগন্যান্ট
স্বামী: হুরররে !!! পাগলী বলে কী,
এটাতো শুভ সংবাদ; ভয় পেয়েছিলে কেন?
স্ত্রী: কলেজে পড়ার সময় একবার আব্বুকে
বলার পর প্রচুর মার খেয়েছিলাম…


স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে
কেউ চুমু খেয়েছিলো?
স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম।
সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে
ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না
খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো।
স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?
স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও
বেঁচে আছি।


দুইটা বালক একদিন খেলতে খেলতে সাগর
পাড়ে চলে এল। সেখানে তারা দেখতে
পেল স্বল্পবসনা মেয়েরা রৌদ্রস্নানরত।
হঠাত একটা বালক পিছন দিকে দৌড়ে
পালাতে লাগল। অন্য বালকটি বুঝতে
পারল না তার কি হয়েছে এবং কেন
এভাবে দৌড়ে পালাচ্ছে। সে তার পিছন
পিছন আরো জোরে দৌড়ে এসে তাকে
ধরে ফেলল।
– কিরে, এভাবে দৌড়ে পালাচ্ছিস কেন?
– মা বলেছিল আমি যখন নগ্ন মেয়ে দেখব,
তখন জমে পাথর হয়ে যাব।
– আরে তোর মা তোকে ভয় দেখিয়েছে।
– নারে, মেয়েদের দেখা মাত্রই একটা
জায়গায় শক্ত হতে শুরু করছিল।



বিদেশ থেকে দুবছর পর বাড়ি ফিরে
হাসান দেখল তার বউয়ের কোলে ছয়
মাসের একটা বাচ্চা।
হাসান বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?
: কার আবার, আমার।
: কী! বল, তার নাম বল! কে আমার এত
সর্বনাশ করেছে!
বউ চুপ।
: বল, কে সে? নিশ্চয়ই শয়তান জামাল!
: না
: তা হলে নিশ্চয়ই শয়তান জাফর!
: না, তাও না।
: তা হলে কে?
: তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ
আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না।


পল্টু হেঁটে যাচ্ছিল বনের ভেতর দিয়ে।
ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ শোনা গেল
অশরীরী আওয়াজ, ‘পল্টু’।
পল্টু: কে? কে কথা বলে?
অশরীরী: ভয় পেয়ো না। আমি ইচ্ছাপূরণ
দৈত্য। আজ এই শুভদিনে আমি তোমার
একটি ইচ্ছা পূরণ করব। বলো, কী চাও তুমি?
সাহস ফিরে পেল পল্টু। বলল, ‘আমার জন্য
পুরো বিশ্ব পরিভ্রমণ করে আসবে, এমন
একটা ট্রেন সার্ভিস চালু করে দাও, যেন
আমি ঘুরে ঘুরে সব দেশের নববর্ষের উৎসব
উপভোগ করতে পারি।’
দৈত্য: এটা তো খুব কঠিন কাজ। তুমি বরং
অন্য কিছু চাও।
পল্টু: তাহলে আমাকে এমন ক্ষমতা দাও,
আমি যেন মেয়েদের মন বুঝতে পারি।
দৈত্য: ট্রেন কি এসি, নাকি নন-এসি
লাগবে?


প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথন—
প্রেমিক: আমি মনে হয় তোমাকে বিয়েটা
করতে পারব না।
প্রেমিকা: এত দিন পর এ কথা বলছ কেন?
কেন, কী হয়েছে বলো তো শুনি?
প্রেমিক: না, তেমন কিছু না। আমার
বাসা থেকে নিষেধ আছে।
প্রেমিকা: তা তোমার বাসায় কে কে
আছেন?
প্রেমিক: বেশি না। আমার এক স্ত্রী আর
তিন সন্তান।


ছেলে: বাবা, তুমি কি কিছু টাকা
বাঁচাতে চাও?
বাবা: নিশ্চই চাই।
ছেলে: তাহলে আমাকে একটা বাইক কিনে
দাও। জুতার ক্ষয় কম হবে, আমাকে জুতা
কিনে দেওয়ার টাকাটা তোমার বেঁচে
যাবে।


১ম বন্ধুঃ দোস্ত, আমার বউটারে আর
বিশ্বাস নাই। খালি মিথ্যা কথা কয়। কী
যে করি!
২য় বন্ধুঃ কেন, কী হইছে দোস্ত?
১ম বন্ধুঃ আর কইস না। কাল রাতে আমি
বাড়ি ছিলাম না। সকালে আইসা দেখি
বউ ঘরে নাই। দুপুরে ফিরতেই জিগাইলাম,
কই গেছিলা? কয় তার বোনের বাড়িতে
বেড়াতে গেছিল।
২য় বন্ধুঃ হুম, তয় বিশ্বাস না করার কী
হইল?
১ম বন্ধুঃ আরে তার বোন তো আমার সাথে ছিল ৷

প্রথম পর্বের একশ সেরার সেরা কৌতুকগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন Click This Link
:) :) :)


দ্বিতীয় পর্বের ধামাকা এখানে Click This Link

:) :) :)
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×