১০০ মানে ১০০টাই, একটা মিসিংও নাই ফাওও
নাই।
১. কম্পিউটার অনেকটা মানুষের মতোই। মাত্র
একটিই পার্থক্য—এটি নিজের দোষ অন্য
কম্পিউটারের ঘাড়ে চাপাতে পারে না।
২. একটি বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয়
চুরি। আর কয়েকটা বই থেকে নিয়ে লিখলে
সেটা হয় গবেষণা।
৩. প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হলেন তিনি, যাঁর
বৃদ্ধি ওপর ও নিচ এ দুই প্রান্ত থেকে থেমে
গেছে, কিন্তু পাশে বাড়ছে।
৪. হে প্রভু, আমাকে ধৈর্য দাও। এখনই দাও।
এক্ষুনি।
৫. নির্বোধের সঙ্গে তর্কে যেয়ো না। সে
তোমাকে নিজের পর্যায়ে নামিয়ে আনবে
এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তোমাকে
হারিয়ে দেবে।
৬. মানুষ মাত্রেরই ভুল হয় কিন্তু অফিস মাত্রই
তা ক্ষমা করে না।
৭. আমি আমার দাদার মতো ঘুমের মধ্যে
শান্তিতে মরতে চাই, তাঁর বাসের
যাত্রীদের মতো চিত্কার করতে করতে নয়।
৮. শিশুর সংজ্ঞা হলো—যাদের জন্মের পর
প্রথম দুই বছর চলে যায় হাঁটা আর কথা শেখায়
এবং তার পরের ১৬ বছরই কেটে যায় তাদের মুখ
বন্ধ রাখা আর স্থির হয়ে বসা শেখায়।
৯. আপনার যথেষ্ট পরিমাণ টাকা আছে, শুধু
এটা বোঝাতে পারলেই আপনি কোনো
ব্যাংক থেকে টাকা ধার পেতে পারেন।
১০. যদি তোমার মনে হয় যে তুমি বেঁচে আছ
নাকি মরে গেছ, তা নিয়ে কারও কোনো
মাথাব্যথা নেই, তাহলে এক-দুই মাস বাড়ি
ভাড়া দেওয়ার কথা ভুলে গিয়ে দেখ।
১১. ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়লেই কেবল
আমরা উপসংহারে পৌঁছাই।
১২. কখনো কোনো পরিস্থিতিতেই ঘুমের ওষুধ
আর জোলাপ একসঙ্গে খাবেন না।
১৩. সন্ধ্যার খবর শুরু করা হয় ‘শুভ সন্ধ্যা’ বলে।
এরপর একে একে বলা হয় সন্ধ্যাটি কেন শুভ নয়।
১৪. যদি বলো আকাশে চার বিলিয়ন তারা
আছে, তাহলে না গুনেই সবাই সেটা বিশ্বাস
করবে। কিন্তু যদি বলা হয়, মাত্র রং করেছি,
চেয়ারের রংটা এখনো শুকায়নি, তাহলে
সবাই হাত দিয়ে দেখবে।
১৫. লক্ষ্যভেদ করতে চাইলে প্রথমে তীর
ছোড়ো, তারপর যেটায় লাগে সেটাকেই
লক্ষ্যবস্তু হিসেবে প্রচার করো।
১৬. সময় খুবই ভালো উপশমক, কিন্ত রূপসজ্জাকর
হিসেবে খুবই খারাপ।
১৭. আতিথেয়তা এমন একটি গুণ, যার কারণে
অতিথিরা ভাবে, যেন তারা নিজের
বাড়িতেই আছে।
১৮. আমি কাজ খুব ভালোবাসি। কাজ
আমাকে আকৃষ্ট করে। আর তাইতো আমি
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে কাজের দিকে শুধু
তাকিয়েই থাকি।
১৯. একজন সেলসম্যান হলেন সেই ব্যক্তি,
যিনি এমনভাবে আপনাকে নরকে যেতে
বলবেন যে আপনি যাত্রার জন্য অধীর আগ্রহে
অপেক্ষা করবেন।
২০. একটি কার্ডের লেখা: তুমি ছাড়া
জীবনটা খুবই দুঃসহ। মনে হচ্ছে, তুমি এখনো
আমার সঙ্গেই আছ।
২১. সব পুরুষই বোকা, আর আমি তাদের
রাজাকে বিয়ে করেছি।
২২. মৃত্যু বংশানুক্রমিক একটা ব্যাপার।
২৩. পুরুষেরা কি ঘরের কাজে সাহায্য করে?
—করে। মেয়েরা যখন ঘর পরিষ্কার করে, তখন
তারা পা তুলে বসে।
২৪. পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে—১.
যারা গুনতে পারে। ২. যারা গুনতে পারে না।
২৫. মানুষ যতদিনে বুঝতে পারে যে তার বাবা
ঠিক কথাই বলত, ততদিনে তার ছেলে বড় হয়ে
তার ভুল ধরতে শুরু করে।
২৬. হে প্রভু, যদি আমার ওজন না-ই কমে,
তাহলে আমার বন্ধুদের মোটা বানিয়ে দাও।
২৭. ‘সংক্ষেপকরণ’ শব্দটি নিজে এত লম্বা
কেন?
২৮. অনেক ভালোবাস? তাহলে তাজা
গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর
করে পাঠাও।
২৯. সেদিন একটি মেয়ে আমাকে ফোন করে
বলল, ‘চলে এস, বাড়িতে কেউ নেই।’ তার
দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখি সেটি একটি
পোড়োবাড়ি। সেখানে আসলেই কেউ থাকে
না।
৩০. হাই! আমি ভাইরাস। আপনার মস্তিষ্কে
ঢুকতে যাচ্ছি। ওয়েট! মস্তিষ্ক
খুঁজছি...খুঁজছি...সরি, আপনার কোনো মস্তিষ্ক
খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি চললাম। বাই!
৩১. বান্দরবান ঘুরে আসার পর এক বন্ধু আরেক
বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল, কি রে, বান্দরবানে
প্রাকৃতিক দৃশ্য কেমন দেখলি? জবাবে আরেক
বন্ধু বলল, ‘আরে দূর, পাহাড়ের জন্য কিছুই
দেখতে পারিনি।’
৩২. আলঝেইমার (কিছু মনে না থাকার রোগ)
রোগ হওয়ার একটি সুবিধা আছে। রোজই
আপনি নতুন নতুন বন্ধু পাবেন।
৩৩. যে লোক দুই কানে তুলা গুঁজে রাখে,
তাকে কী বলা যায়?
—তাকে যা ইচ্ছা তাই বলা যায়।
৩৪. মনে করি, A হলো একটি সফল জীবন। A=x+y
+z, এখানে x=কাজ, y=খেলা, z=মুখ বন্ধ রাখা।
৩৫. প্লেনে উঠে বিমানবালাকে বললাম,
‘আমার একটি ব্যাগ নিউইয়র্কে, একটি ব্যাগ
লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং আরেকটি
মায়ামিতে পাঠিয়ে দিন।’ মহিলা বললেন,
‘অসম্ভব’। আমি বললাম, ‘গত সপ্তাহে
আপনারা এ কাজটিই করেছেন।’
৩৬. ডাক্তার বললেন, আমি আর ছয় মাস বাঁচব।
আগামী ছয় মাসে বিলের টাকা দিতে পারব
না শুনে বললেন, ছয় মাস নয়, এক বছর বাঁচবেন।
৩৭. ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ৬০ বছর বাঁচবেন।’
আমি বললাম, ‘এখনই আমার বয়স ৬০।’ ডাক্তার
খুশি হয়ে বললেন, ‘বলেছিলাম না?’
৩৮. ভিখারি বলল, ‘সারা সপ্তাহ খাবারের
স্বাদ পাইনি।’ উত্তর এল, ‘চিন্তা কোরো না,
খাবারের স্বাদ এখনো আগের মতোই আছে।’
৩৯. ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে?
বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি
যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত
করে যে কেউ তার কথা বুঝতে পারে না।
বুঝতে পেরেছ?
ছেলে: না।
৪০. একজন এসে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলেন,
‘আমি কি এখানে গাড়িটা পার্ক করতে
পারি?’
—না
—তাহলে এই গাড়িগুলো এখানে কেন?
—তারা কেউ এখানে গাড়ি পার্ক করতে
পারবে কি না জিজ্ঞেস করেনি।
৪১. যে চিন্তাশক্তি দিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করা
হয়, সেই একই চিন্তাশক্তি দিয়ে তা সমাধান
করা যায় না।
৪২. আমি ৪৯ বছর ধরে একজন নারীকেই
ভালোবাসছি। আমার স্ত্রী জানতে পারলে
অবশ্য আমাকে খুন করবে।
৪৩. আমাদের বিয়েটা টিকে থাকার একটি
রহস্য আছে। আমি আর আমার স্ত্রী সপ্তাহে
দুই দিন রেস্টুরেন্টে গিয়ে ভালো খাবার
খাই আর ওয়াইন পান করি। আমি সোমবারে
যাই আর আমার স্ত্রী যায় মঙ্গলবারে।
৪৪. ব্রেকফাস্টের আগে যে জিনিস দুটো
কখনোই খাওয়া সম্ভব নয়, সেগুলো হলো লাঞ্চ
আর সাপার।
৪৫. তুমি একটা ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার, একটা
ইলেকট্রিক টোস্টার এবং একটা ইলেকট্রিক
ব্রেড মেকার কিনে বললে, ‘ওফ! বাসায় এত
জিনিস! আমি বসব কোথায়?’ পরদিন আমি
একটা ইলেকট্রিক চেয়ার কিনে আনলাম।
৪৬. এক বিশালদেহী লোক আমাকে বলল,
‘আমি ১০ ডলার বাজি ধরে বলতে পারি যে তুই
মারা গেছিস।’ আমি তার সঙ্গে বাজি ধরতে
সাহস পেলাম না।
৪৭. হাতুড়ির সবচেয়ে নিরাপদ ব্যবহার হলো,
পেরেকটা অন্য কাউকে ধরতে দেওয়া।
৪৮. আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, ‘স্বামী
হলো ওয়াইনের মতো, যত পুরোনো ততই
ভালো।’ পরদিন সে আমাকে সেলারে আটকে
রাখল।
৪৯. প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত
সমালোচনা আছে।
৫০. বাড়ির কাজ না আনার সবচেয়ে খারাপ
অজুহাত হলো—আমি দেখে লেখার মতো
কাউকে পাইনি।
৫১. আলোর বেগ তো সবাই জানে। অন্ধকারের
বেগ কত?
৫২. যদি প্রথমবারে সফল না হও, তাহলে
স্কাইডাইভিং তোমার কর্ম নয়।
৫৩. খবর: আত্মঘাতী এক লোক ভুল করে তার
যমজ ভাইকে খুন করে ফেলেছে।
৫৪. স্ত্রীদের সঙ্গে তর্কের দুটি নিয়ম আছে।
কোনোটিই কার্যকরী নয়।
৫৫. এক লোক লটারি জিতে টিকিট পেয়ে
চীনে বেড়াতে গেছেন। এখন তিনি চীনেই
আছেন। আরেকটি লটারির টিকিট জিতে
দেশে ফিরতে চান।
৫৬. ধরুন, কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় তাঁর
শরীরের বাঁ-পাশ পুরোটাই হারিয়েছেন। এখন
তাঁর কী হবে?
—তিনি এখন ‘অল রাইট’।
৫৭. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায়ও কাজ
করেন কেন? উত্তর: আরে, উনি তো পি.এম, এ
এম নন।
৫৮. স্কুলে একজন বোকাকে কীভাবে চেনা
যায়?
—শিক্ষক যখন বোর্ড মোছেন, সে তখন তার সব
ক্লাসনোট কেটে দেয়।
৫৯. মা এবং স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কী?
—একজনের কারণে তুমি কাঁদতে কাঁদতে
পৃথিবীতে এসেছিলে, অন্যজনের কারণে তুমি
সারা জীবন কাঁদবে।
৬০. স্ত্রী ও চুম্বকের মধ্যে পার্থক্য কী?
—চুম্বকের একটি পজিটিভ দিক আছে।
৬১. জনসংখ্যার বিস্ফোরণ বিষয়ে পড়াতে
গিয়ে এক শিক্ষক বললেন, ‘আমাদের দেশে
প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন মহিলা একটি করে
শিশুর জন্ম দেন।’
এক ছাত্র চিত্কার করে উঠল, ‘জলদি চল, তাঁকে
খুঁজে বের করে এক্ষুনি থামাতে হবে।’
৬২. বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা
জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো
তার জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
৬৩. ৩৫-এর পর আমার কি আর বাচ্চা নেওয়া
ঠিক হবে?
—না। ৩৫টা বাচ্চাই যথেষ্ট।
৬৪. পৃথিবীর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একটি পজিটিভ
দিক বলুন।
—এইচ আই ভি।
৬৫. দুজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার একসঙ্গে
কীভাবে বড়লোক হতে পারে?
—একজন ভাইরাস লিখে, অন্যজন
অ্যান্টিভাইরাস লিখে।
৬৬. গণিতের একটা বই আরেকটা বইকে কী
বলে?
—তোমার কথা জানি না, কিন্তু আমার
ভেতরটা সমস্যায় ভর্তি।
৬৭. আপনার স্ত্রী ড্রাইভিং শিখতে চাইলে
তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না।
৬৮. এক ব্যক্তি মনোচিকিত্সকের কাছে গিয়ে
বলল, ‘কেউ আমার কথা শোনে না’।
মনোচিকিত্সক সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘নেক্সট’।
৬৯. লোকটি এতই মোটা যে সে ছবি প্রিন্ট
করে না, পোস্টার ছাপায়।
৭০. দুজন ড্রাইভার ট্রাক চালাচ্ছিল।
১ম ড্রাইভার: হায়। ব্রিজটা ২ দশমিক ৭
মিটার উঁচু আর আমাদের ট্রাকটা ৩ মিটার।
২য় ড্রাইভার: যা দোস্ত, কোনো সমস্যা নেই।
আশপাশে কোনো পুলিশ নেই।
৭১. মেকানিক্যাল আর সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?
—মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার অস্ত্র বানায়
আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বানায় অস্ত্রের
টার্গেট।
৭২. আমার স্ত্রী গতরাতে বলছিল, আমি
নাকি তার কোনো কথাই মন দিয়ে শুনি
না...নাকি...এ রকমই কিছু একটা... ঠিক মনে
পড়ছে না।
৭৩. গতরাতে স্বপ্নে দেখলাম, আমি ১০
পাউন্ড ওজনের একটা হটডগ খাচ্ছি। সকালে
উঠে দেখি আমার কোলবালিশটা নেই।
৭৪. টিচার: তোমার বাবা তোমাকে বাড়ির
কাজ করতে সাহায্য করেছেন?
ছাত্র: না। পুরোটাই উনি করেছেন।
৭৫. সব বিয়েই সুখের। পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে
থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা শুরু হয়।
৭৬. অনেকেই চোখের বদলে মাথার ওপর চশমা
পরে কেন? উত্তর: যার যেটা নষ্ট সে
সেখানেই চশমা পরে।
৭৭. গত সপ্তাহে আমার সাইকিয়াট্রিস্টকে
বললাম, ‘আমি আজকাল শুধু আত্মহত্যা করার
কথা ভাবি।’ শুনে তিনি বললেন, ‘এখন থেকে
অগ্রিম ফি নিয়ে আসবেন।’
৭৮. আমি অনেক বছর ধরে আমার স্ত্রীর সঙ্গে
কথা বলিনি। আমি তার বক্তব্যে বাধা দিতে
চাইনি।
৭৯. ব্যাচেলররা বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে
বিবাহিতদের চেয়ে বেশি জানে, নইলে
তারাও বিবাহিত হতো।
৮০. উড়োজাহাজের পেছনের সারিতে বসার
কারণ দুটি। এক. হয় আপনি ডায়রিয়ায়
আক্রান্ত। দুই. আপনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের
সঙ্গে পরিচিত হতে চান।
৮১. অভিজ্ঞতা যে কোনো কাজে লাগে না
তার প্রমাণ হলো, মানুষ একটা প্রেম শেষ
হওয়ার পরও আরেকবার প্রেমে পড়ে।
৮২. তিনি খুব অল্প কথার মানুষ। তাই না?
—হ্যাঁ, সারা সকাল ধরে সেই কথাটাই তিনি
বোঝালেন।
৮৩. একটি চালাক ছেলে তার পছন্দের
মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিল এভাবে—সে
মেয়েটিকে নিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি
মাঝনদীতে যাওয়ার পর মেয়েটিকে বলল,
‘তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি না হও
তাহলে এক্ষুনি নৌকা ছেড়ে চলে যাও।’
৮৪. একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক একটি এলোমেলো
ড্রয়ারের প্রতীক।
৮৫. স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা
দাবি করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে
রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।
৮৬. একটা ফোন এল ৭৭৭৭৭৭৭৭ নম্বরে, ‘হ্যালো,
এটা কি ৭৭৭৭৭৭৭৭? প্লিজ, আমাকে একটা
ডাক্তার ডেকে দিন না। আমার আঙুল
ফোনের ডায়ালে আটকে গেছে।’
৮৭. দোকানদারের কাছে অদৃশ্য কালি
চাইতেই দোকানদার বলল, ‘কী রঙের দেব
বলুন।’
৮৮. উনি এত কৃপণ যে চিনির কৌটায়
কাঁটাচামচ ব্যবহার করেন।
৮৯. পেটে প্যাঁচঅলা এক লোক ভুলে পেরেক
খেয়ে ফেলায় সেটি স্ক্রু হয়ে বেরিয়েছিল।
৯০. ভোট অন্যতম নাগরিক অধিকার, যা
প্রয়োগে অধিকাংশ সময়েই নাগরিকদের
কোনো অধিকার অর্জিত হয় না।
৯১. ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় ‘এক দেশে
ছিল এক’ দিয়ে শুরু হয় কেন?
মা: না, সব সময় না। মাঝে-মধ্যে অফিসের
কাজে আটকে গেছি, আজ ফিরতে একটু রাত
হবে দিয়েও শুরু হয়।
৯২. রেস্তোরাঁর মালিক: ওয়েটার, আজ
খদ্দেরদের সঙ্গে একটু ভালো ব্যবহার করবে,
কারণ আজকের ভাতের তলা ধরে গেছে,
পোড়া গন্ধ।
৯৩. আমি সব সময় ওর হাত ধরে থাকি। কারণ,
হাত ছাড়লেই সে কেনাকাটা করতে যায়।
৯৪. আমাদের বাসার রান্নাঘরটা এত ছোট যে
ওখানে কনডেন্সড মিল্ক খেতে হয় আমাদের!
এমনি দুধ খাওয়া যায় না।
৯৫. এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথ রোধ করে
বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা
টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার
নম্বরটা যদি দয়া করে দিতেন...।
৯৬. রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে,
রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।
৯৭. বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো
জনৈক নেতা মাত্র চার ঘণ্টার জন্য অনশন
পালন করেন। তাঁর অনশন শুরু হয়েছিল সকালে
নাশতা খাওয়ার পর এবং অনশন ভাঙেন
মধ্যাহ্নভোজনের আগে আগে।
৯৮. আপনার একটি ফোন থাকলে সেটি
প্রয়োজনীয়তা, দুটি ফোন থাকলে সেটি
বিলাসিতা, আর কোনো ফোনই যদি না
থাকে তাহলে আপনি স্বর্গে বসবাস করছেন।
৯৯. নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার
একটি চমত্কার উদার দিক, যেখানে সবাই
মিলে ঠিক করে কে কে তাদের শোষণ করবে।
১০০. কারচুপি একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক
শব্দ, পরাজিত দলের ভাষ্যমতে যা স্থূল ও
সূক্ষ্মরূপে জয়ী দল করে থাকে।
ভাষান্তর ও সংগ্রহ: আলিয়া রিফাত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




