
ফ্রিফোর্টে বিসমিল্লাহ রেস্টুরেন্টে দুইজন একসাথে লাঞ্চ করলাম! গল্পটি অন্য জায়গায়!
.
সে আমার সাথে শুরু করলো বাহু আর চামচ দিয়ে আমিও তার সাথে শুরু করলাম হাত দিয়ে! আমি যখন অর্ধেক খেয়ে উঠেছি তার মধ্যে তার খাওয়া শেষ! সে পানি ঢাললো! পানি খেলো! আমার গ্লাসেও পানি ঢেলে দিলো!
.
তারপর টিস্যু দিয়ে ঠোঁট মুচতে মুচতে আমার দিকে ইয়ার্কি কাটলো! আমি হেরে গেলাম!
.
আমার দুই হাত তার হাতের বাহু আর চামচের কাছে পরাজিত! তার ইচ্ছেশক্তির জোর দেখে আমার নিজেকেই প্রতিবন্ধী মনে হলো!
.
প্রতিদিন জীবন থেকে একটি জিনিস শিখতে পারলেই সে দিন স্বার্থক! তা যদি হয় বাস্তব মোটিবেশন তা হলে তো কথায় নেই!
.
কিছুদিন আগে এমন একটি মোটিবেশন পেয়েছিলাম রাস্তায় বায়জিদের মোড়ে,
.
আমার স্টুডেন্ট লাইফে আমি রাতে হাংকি পাংকি করতাম দিনে ঘুমাতাম! দীর্ঘ এক যুগের অভ্যেস ছিলো!
.
হঠাৎ কেডিএসএক্সেসোরিজে চাকরিতে জয়েন করার পর বুঝলাম আবে আবদুর রব শরীফ হালায় পড়ছে মাইনকার চিপায়!
.
প্রতিদিন সকাল কাক ডাকা ভোরের আগে ঘুম থেকে উঠে আমি উল্টো কাক কে ডেকে দেওয়া শুরু করলাম!
.
একদিন চিন্তা করলাম চাকরি ছেড়ে দিবো! কিন্তু অফিসে ঢুকার আগে দেখলাম এক ফকির আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে!
.
তার তাকানো দেখে আমিও তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলাম! আমরা আমরা ই তো!
.
কিন্তু তার আর আমার মধ্যে একটা পার্থক্য আছে সেটা হলো চাকরি! আজ তার একটা চাকরি থাকলে সে নিশ্চয়ই ভিক্ষা করতো না!
.
সেখান থেকে মোটিবেশন নিলাম!
.
জগতে মোটিবেশন নেওয়ার জন্য আমরা শিব খেরা, পি জে শ্বার্টজ থেকে শুরু করে লুৎফর রহমান হয়ে ডেল কার্নেগী কত জনের কত কথা শুনি!
.
অথচ আমাদের আশেপাশে কতো মোটিবেশন!
.
একটু অনুপ্রেরণার জন্য কত দেশে যায়!
.
বিখ্যাত মোটিবেটর এরিক টামাস, লেস ব্রাউন, টনি রবিনস, নিক বুজিক, জিগ জিগলার, জিম রন, রে লুয়িস, আরনল্ড, জ্যাক কেনফিল্ড, ক্রিশ গার্ডনার, মিঃ ব্রেইনের শিষ্য হয়ে অনুপ্রেরণা খুঁজি!
.
কিন্তু ছোট্ট এই ছেলেটি যার হাত নেই তার সাথে হেরে গিয়ে যে মোটিবেশন পাওয়া যায় তার টিকেট মূল্য কত হতে পারে সেই প্রশ্নটি রেখে গেলুম!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১৭ রাত ১০:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



