
কারাগারে শুধু বিটিভি দেখার সুযোগ পাবেন খালেদা জিয়া,
.
কারণ রাজনীতিতে এখন একটা মাইন্ড গেম চলছে এটা বুঝতে হবে!
.
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ২১ বছর বিটিভিতে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণে কারফিউ জারি করা ছিলো!
.
প্রতিহিংসার এই রাজনীতিক সংস্কৃতি থেকে কোন দলই কখনো বের হতে পারেনি! পারবে কি না জানি না!
.
যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে তখন সে দল বিপরীত দলের অস্তিত্ব মোচার চেষ্টা করেছে! আজকের এই সংকট মূলতো রাজনীতির খুব সাধারণ একটি চিত্র!
.
আসেন তারচেয়ে বরং একটু খুনসুটি করি,
.
ক্ষমতা পাল্টালে বিটিভির জয় বাংলা স্লোগান বাংলাদেশ জিন্দাবাদ হয়ে যায়! বিটিভি পরিবর্তনশীল!
.
পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় যখন দেখবেন সংবাদ পাঠিকার মাথায় কাপড় তখন চাঁদ উঠেছে!
.
বিটিভি সর্বদা দেশের উন্নয়ন তুলে ধরে সে যে সরকার আসুক না কেনো সে পেট পার্টি!
.
সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বলেছিলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যানেল বিটিভি এবং জনপ্রিয় খাদ্য পানি যা সবাই ভোগ করে!
.
বর্তমান তথ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, 'দেশের ৮০ শতাংশ দর্শক বিটিভি দেখে' প্রশ্ন হলো মাননীয় মন্ত্রী আপনি দেখেন কি না?
.
প্রকৃত তথ্য হলো রাজধানী ঢাকার মাত্র ১.২ শতাংশ মানুষ বিটিভি দেখে আর পুরো দেশে যাদের বাসায় ক্যাবেল নেই তারা বাধ্য হয়ে বিটিভি দেখে,
.
তো সরকারের সমালোচনা করায় বিচারকের মুখোমুখি হলো জৈনক অপরাধী তার শাস্তি হিসেবে এক সপ্তাহ টানা বিটিভি দেখানোর সুপারিশ করা হলে সে উল্টো সুপারিশ করে বললো, মাননীয় আদালত আমাকে ফাঁসি দিয়ে দিন!
.
খালেদা জিয়ার মুক্তির দিন যদি মুন্নী সাহা প্রশ্ন করে বসে, মাননীয় নেত্রী, টানা পাঁচ বছর বিটিভি দেখার পর আপনার অনুভূতি কি?
.
হয়তো উত্তর আসবে, 'বঙ্গবন্ধু মরে নাই'
.
একুশ বছর কেনো একুশ শাতাব্দি মুখ বন্ধ করে রাখলেও বঙ্গবন্ধুরা মরে না!
.
কিন্তু অতি এবং যত্র তত্র প্রচার করে আমরা তাদের মেরে ফেলি নতুন প্রজন্মের কাছে!!!
.
বিটিভি মানুষ যে কারণে দেখে না সেটা হলো সারাক্ষণ সরকারের গুণগান করার জন্য! উন্নয়ন প্রচার করতে হয়ে না সেটা দৃশ্যমান থাকলে এমনি প্রচার পেয়ে যায়!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



