রুবি, পান্না, নীলকান্তমণি এবং হীরা হলো পাথরের মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান,
.
মূলতো রুবি বলা হয় লাল রংয়ের পাথরকে, পান্না বলা হয় সবুজ রংয়ের পাথরকে, নীল রংয়ের পাথরকে নীলকান্তমণি, স্পটিক স্বচ্ছ মূল্যবান পাথরকে হীরা বলা হয়!
.
কিছুদিন আগে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী রক্তবর্ণের 'দ্য সানরাইজ রুবি' নামক রুবি পাথরের আংটি সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নিলাম থেকে ২৩৬ কোটি টাকা দিয়ে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি কিনে নিয়েছিলো!
.
অন্যদিকে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী সবুজবর্ণের 'দ্য রকফেলার ইমার্ল্ড(পান্না)' নামক পান্না পাথরের আংটি রকফেলার ফ্যামেলি থেকে হ্যারি উইন্সটন ৪৪ কোটি টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছিলো!
.
কয়েক বছর আগে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী নীলবর্ণের 'দ্য স্টার অব আদম' নামক নীল রংয়ের নীলকান্তমণি পাথরটি শ্রীলংকায় পাওয়ার পর তার দাম ধরা হয়েছিলো ৮০০ কোটি টাকা এমনকি এর দাম দ্বিগুণও হতে পারে!
.
পাঁচ হাজার বছর আগে থেকে গুন্টার, মারওয়া, আরুগাল্লু, দিল্লী, সামারখান্ড, পারস্য থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন অব টাওয়ারে অবস্থিত কোহিনূর স্পটিক শূভ্র রংয়ের হীরাটির বর্তমান মূল্য ১২০০ কোটি টাকার অনেক বেশী,
.
লাল, নীল, সবুজ, স্পটিক শূভ্র পাথরগুলো হলো দুনিয়ার পাথর!
.
কিন্তু,
.
দুনিয়াতে জান্নাতের একটা পাথর আছে যেটাকে 'হাজরে আসওয়াদ' বলে যেটা পবিত্র কাবা ঘরে রয়েছে যার অর্থ 'কালো পাথর'
.
ধর্মীয় মতে এটি দুধের চেয়ে সাদা ছিলো কিন্তু আদম সন্তানের পাপ এটিকে কালো করেছে এবং প্রিয় নবী থেকে শুরু করে মুসলিম উম্মাহ হজ করতে গেলে পাথরটিতে চুমু দিয়ে থাকে কারণ এটা শুধু একটা সুন্নতের অংশ তাই বরকতময়
.
এটি এমন একটি পাথর যতটুকু জেনেছি এটি কালো না হলে দুনিয়ার মানুষ বেহেশতের রূপ কল্পনা করতে পারতো পাথরটিকে দেখে,
.
প্রত্যেকটি মানুষ এমন এক একটি পাথরের মতো, তার কৃতকর্ম তাকে দিন থেকে দিন সৃষ্টির সেরা থেকে এক্কেবারে কুকুর বিড়ালের চেয়ে অধম করে তোলে!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



