সিনিয়র বলেন কিংবা জুনিয়র কোন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ প্রথম ফাইনাল খেলেছে, সেই বিশ্বকাপ জয়ও করেছে এখন শুধু বগল দাবা করে দেশে ফেরার পালা,
.
বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে হেড কোচ নাবিদ নেওয়াজ বলেছিলেন, প্রাথমিক লক্ষ্য হলো নক আউট পর্বে যাওয়া!
.
ঐদিকে বিসিবি সভাপতি বলেছিলেন, যদি বাবারা তোমরা সেমিফাইনালে উঠতে পারো তবে আমি দক্ষিণ আফ্রিকা যাবো খেলা দেখতে,
.
তা শুনে অধিনায়ক আকবর আলী বলেছিলেন, আশা করি প্রেসিডেন্ট(পাপন দা) যা চায়, আমরা সেমিফাইনালে উঠে তাকে আফ্রিকা নিয়ে যেতে পারবো!
.
অনেকটা অভিভাবক শূন্য অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটাররা যখন বিশ্বকাপ জয় করে পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেশে ফিরবে তখন পাপন বলেন কিংবা আপন, কারো অধিকার নেই ওদের কোলে করে দেশে নিয়ে আসার,
.
এশিয়া কাপ মহিলা ক্রিকেট দলের কথা মনে আছে?
.
২০১৬ সাল পর্যন্ত ছয় বার মহিলাদের নিয়ে এশিয়া কাপ হয়েছিলো, ছয় বার ই জিতেছিলো ভারত, সপ্তম বারের মতো যখন তারা কাপ জিততে নেমেছিলো বাংলাদেশের বিপক্ষে,
.
তখন তো ভারত ধরে নিয়েছিলো সেভেন আপ ঠেকায় কে আর,
.
২০১৮ সালে ঠিকি বাংলাদেশের মেয়েরা সেই সেভেন আপকে ঠেকিয়ে দিয়ে নিজেরা এশিয়া কাপ বগল দাবা করে দেশে ফিরেছিলো!
.
মাননীয় সরকার কিংবা বিসিবি, দয়া করে এসব কৃতিত্ব নিজের মনে করবেন না,
.
এগুলো কিছু ডাল ভাত খেয়ে মানুষ হওয়া অনাদরে অবহেলায় বেড়ে উঠা কিছু তরুণের বিশ্ব জয়ের গল্প!
.
গল্পগুলো প্রথম ম্যাচেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানে অল আউট হয়ে ৬ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর আবারো ঘুরে দাঁড়িয়ে এশিয়ার সেরা মেয়ে হওয়ার গল্প,
.
যেখানে পুরুষ জাতীয় দলের জন্য থাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সেরা বাসগুলো সেখানে চ্যাম্পিয়ন মহিলা দলের জন্য ব্যবহার করা হয় নিরাপত্তা বিহীন লক্কর ঝক্কর মুড়ির টিন টাইপের বাসগুলো,
.
ম্যাচ ফি কিংবা বেতনের কথা কি আর বলবো,
.
তবুও সিঙ্গারা চমুচা কিংবা এক কাপ চায়ের লিকলিকে ছেলেগুলো যখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু,
.
তখন ক্ষুদে টাইগারদের কানে কানে বলি, বিশ্বকাপটা বরং স্কুল কলেজ ব্যাগে ভরে লুকিয়ে নিয়ে এসে ঘরে সাজিয়ে রেখো! এটা কেবলি তোমাদের!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


